cart_icon
0

TK. 0

রেফার করলেই ৩০০+২০০=৫০০ পয়েন্টস
book_image

সূচীপত্রের মুক্তিযুদ্ধ কালেকশন (হার্ডকভার)

by দীপু মাহমুদ

Price: TK. 216

TK. 270 (You can Save TK. 54)
সূচীপত্রের মুক্তিযুদ্ধ কালেকশন

সূচীপত্রের মুক্তিযুদ্ধ কালেকশন (হার্ডকভার)

Package Details

No. Product Name Category Previous Price Discount Current Price
01 Markin Documente Bangladesher Muktijuddho '71 মার্কিন ডকুমেন্টে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ ৭১ Research and Deeds On Liberation War 270.0 Tk. 20.0% 216.0 Tk.

Total :216 Tk.

You can save 54 Tk.

Product Specification & Summary

বই পরিচিতিঃ নিতুর ডায়েরি ১৯৭১ নিতু মনের খেয়ালে ডায়েরি লিখতে শুরু করে ১৯৭১ সালের জানুয়ারি মাসের ১ তারিখ থেকে। সে তখন ১৩ বছরের কিশোরী। নিতু তার মনের সুন্দর ভাবনাগুলো ডায়েরিতে লেখে। গ্রামে ঘটে যাওয়া মজার ঘটনা লেখে। নিতুদের সাজানো গোছানো পরিপাটি সংসার। সেই ভালোবাসাময় সংসারের কথা জানা যায় নিতুর ডায়েরি থেকে। মার্চের ২৫ তারিখ রাতের অন্ধকারে পাকিস্তানি মিলিটারি ঝাঁপিয়ে পড়ে এই দেশের নিরপরাধ মানুষের উপর। শুরু হয় যুদ্ধ। মুক্তিযুদ্ধ ছড়িয়ে পড়ে সারা দেশে। যুদ্ধের আঁচ লাগে নিতুদের গ্রামে। কাজলরেখা নদী দিয়ে মানুষের লাশ ভেসে যায়। নিতু ডায়েরিতে লেখে সেইসব কথা। নিতুর ডায়েরি সাক্ষী হয় মুক্তিযুদ্ধের। বাবা, বড় ভাই, হাসান স্যার, যতিন মাস্টার সকলেই যুদ্ধে চলে যান। পাকিস্তানি মিলিটারিরা নিতুদের ইশকুলে ক্যাম্প করে। তারা উর্দু স্যার আর হাশিম মৌলানাকে মেরে ফেলে। লতিফ মামু পাকিস্তানি মিলিটারিদের সঙ্গে হাত মেলায়। নিতুদের জীবনে নেমে আসে ভয়াবহ সংকট। পাকিস্তানি মেজর ইশতিয়াক নিতুর বড় বোন মিতুকে বিয়ে করতে চায়। যুদ্ধ থেকে বড় ভাই আসে মায়ের সঙ্গে দেখা করতে। পাকিস্তানি মিলিটারিদের ঘেরাওয়ের মধ্যে পড়ে যায় সে। মিতু পাকিস্তানি মিলিটারির হাত থেকে নিজেকে বাঁচানোর চেষ্টা করে। বাবার ফেরার প্রতীক্ষায় থাকে নিতু। সেই প্রতীক্ষা দীর্ঘতর হয়। যুদ্ধ মানবতার বিপক্ষে দাঁড়ায়।

লেখক পরিচিতি: দীপু মাহমুদ
চাকরি বলয়ে রেজা মাহমুদ আল হুদা। লেখালেখির জগতে লেখক দীপু মাহমুদ। জন্ম ১৯৬৫ সালের ২৫ মে। শৈশব ও বাল্যকাল কেটেছে মাথাভাঙ্গা নদীর তীরে চুয়াডাঙ্গা জেলার হাট বোয়ালিয়া গ্রামে। বেড়ে ওঠা স্নেহময়ী, কালিশংকরপুর, কুষ্টিয়া।
পড়াশুনা করেছেন কুষ্টিয়া জিলা স্কুল, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ও রবীন্দ্র ভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, কলকাতায়। আহছানউল্লা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শিক্ষা বিষয়ে উচ্চতর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। পিএইচডি করছেন যুক্তরাষ্ট্রের আমেরিকান ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটিতে ।
শিশু সাহিত্য, উপন্যাস, ছোটগল্প, কবিতা, নাটক, প্রবন্ধ, সাহিত্যের বিভিন্ন শাখায় তিনি সক্রিয়। প্রকাশিত গ্রন্থ চল্লিশ। এরমধ্যে আছে শিশুসাহিত্য- বুসেফেলাস, এক যে ছিল ছোট পাখি, নয় পরি, বারো ভূত, বাঘের মন খারাপ, দুই জন্ম, মিরুর স্বপ্নখাতা, মাহিনের জুতো জামা, কিটি, রিকি, পুতলি ও ছেলেধরা, ছোটক, রায়া ও ছোটকু এবং আরও কিছু শিশুতোষ বই। উপন্যাস- তবু ভালোবেসো, ফিরে এসো কমেলা এবং ফেরা হয় না। ছোটগল্প সংকলন- উত্তরপুরুষ, মেঘ জড়ানো দিন ও তরব আলির চাদর। লেখালেখির স্বীকৃতিস্বরূপ পেয়েছেন সুনীতি অ্যাওয়ার্ড ও গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা অধিদপ্তরের বিশেষ সম্মাননা।
স্ত্রী রূপা, যমজ দুই পুত্রসন্তান খালিদ ও গালিব। যাদের নিয়ে দীপু মাহমুদের লেখালেখির নিজস্ব ভুবন।
বর্তমানে তিনি একটি আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থায় শিক্ষা বিভাগে কর্মরত।

'মার্কিন ডকুমেন্টে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ ৭১' বইয়ের পরিচিতি : মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের একটা ডমিন্যান্ট বয়ান আছে আমাদের দেশে। এই বয়ান মূলত স্যেকুলারপন্থীদের তৈরি করা। সেখানে বলা হয়ে থাকে, আমেরিকা আমাদের মুক্তিযুদ্ধের বিরোধী ছিল, সোভিয়েত ইউনিয়ন ছিল পক্ষে। আমাদের মুক্তিযুদ্ধ ঠেকানোর জন্য আমেরিকা সপ্তম নৌবহর পাঠিয়েছিল। এই বয়ান তৈরি করেছে ঠাণ্ডা যুদ্ধের সময় সোভিয়েত ইউনিয়ন। আর মূলত বাংলাদেশের রুশপন্থী বামেরা এই বয়ান প্রচার করেছে। কেউ তাদের এই হেজিমনিক বয়ানকে কখনো চ্যালেইঞ্জ করেনি। আমেরিকান ডকুমেন্টগুলো অনলাইনে রিলিজ হওয়ার পরে আমরা নিখুঁতভাবে জানতে পারছি আমেরিকা আসলে কী চেয়েছিল, কেন চেয়েছিল।
বাংলাদেশ স্বাধীন হয়ে যাচ্ছে, নিক্সন প্রশাসন এটা জানত। এটা নিয়ে নিক্সন প্রশাসনের কোনো সন্দেহ ছিল না, বহু আগে থেকেই। আর এটা এতই অনিবার্য ছিল যে, সেটাকে ঠেকানোর উদ্যোগ নেয়ার কোনো চেষ্টাও করেনি আমেরিকা। কিন্তু তাদের উদ্বেগের জায়গা ছিল ভিন্ন। সেটা হলো, পাকিস্তানের অংশে থাকা কাশ্মীর। যেন এই সুযোগে, ডিসেম্বরের যুদ্ধের শেষবেলায় ভারতীয় সব সৈন্য পশ্চিম পাকিস্তানে নিয়ে গিয়ে পাকিস্তান থেকে কাশ্মীর ছিনিয়ে নিয়ে না যায়। সেটা ঠেকানোই ছিল আমেরিকানদের উদ্বেগের বিষয়।
প্রপাগাণ্ডায় আমরা শুনেছিলাম, বাংলাদেশের স্বাধীন হওয়া ঠেকাতে নাকি আমেরিকা সপ্তম নৌবহর পাঠিয়েছিল। এইটাও ডাহা মিথ্যা কথা। খোদ নিক্সন প্রশাসন সোভিয়েত ইউনিয়নের সঙ্গে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের বিষয়ে নানা ক্ষেত্রে সহায়তা দিয়েছিল।
আমেরিকা ঠিক সেইসময়ে পাকিস্তানের মাধ্যমে চীনের বাজারে বিনিয়োগের লক্ষ্যে কাজ করছিল। পাকিস্তান ছিল এই গড়ে ওঠা নতুন সম্পর্কের মধ্যস্থতাকারী। তাই আমেরিকার তরফ থেকে পাকিস্তানকে ডিল করার ক্ষেত্রে কিছু বিশেষ সতর্কতা নিতেই হয়েছিল।
মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে বিপুল আয়তনের মার্কিন ডকুমেন্টের কিছু নির্বাচিত ডকুমেন্ট নিয়েই এখানে আলোচনা হয়েছে, সবগুলো নিয়ে নয়। এই আলোচনায় মুক্তিযুদ্ধে মার্কিন ভূমিকা বা কূটনীতি নিয়ে যে-সব বয়ান চালু ছিল বা আছে তার সাথে আমেরিকান ডকুমেন্ট মিলিয়ে যেন পাঠক পড়তে পারেন। এবং এই দৃষ্টিকোণ থেকে আবারো মুক্তিযুদ্ধে মার্কিন ভূমিকা মূল্যায়ন করতে পারেন সেই উদ্দেশ্য সামনে রেখেই ডকুমেন্টগুলো নির্বাচন করা হয়েছে। এই সিরিজটি মুক্তিযুদ্ধে মার্কিন ভূমিকা সম্পর্কে আমাদের জানা-বোঝার জায়গাগুলো আরো পরিচ্ছন্ন করতে পারবে বলে আমাদের আশাবাদ।

ব্যাক কভার
আমেরিকা আর মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে প্রচলিত বয়ানের বিপরীতে যা যা পাবেন :
“বঙ্গোপসাগরে সপ্তম নৌবহর বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধকে বাধা দেয়ায় জন্যে আমেরিকা পাঠায়নি”
“স্বাধীন বাংলা সরকার শপথ নেয়ার আগেই সি আই এ মুক্তিযোদ্ধাদের ক্ষুদ্র অস্ত্র দেয়ার ব্যাপারে আলোচনা করেছিল’’
“পাকিস্তানের কারাগারে বন্দী বঙ্গবন্ধুর জীবন রক্ষার জন্যে আমেরিকা পাকিস্তানকে চাপ দিয়েছিল”
“পাকিস্তান সেনাবাহিনী ১০ ডিসেম্বরেই ঢাকায় জাতিসংঘের কাছে আত্মসমর্পণের আনুষ্ঠানিক ইচ্ছে জানায়”
“সোভিয়েতরা আমেরিকান স্বার্থ রক্ষায় মুক্তিযুদ্ধের শেষদিকে একসঙ্গে কাজ করেছিল”

Title সূচীপত্রের মুক্তিযুদ্ধ কালেকশন
Author
Publisher
Edition 1st Published, 2017
Number of Pages 231
Country বাংলাদেশ
Language বাংলা

Sponsored Products Related To This Item

Customers who bought this product also bought

Reviews and Ratings

Product Q/A

Have a question regarding the product? Ask Us

Show more Question(s)

Recently Sold Products

call center

Help: 16297 or 09609616297 24 Hours a Day, 7 Days a Week

Pay cash on delivery

Pay cash on delivery Pay cash at your doorstep

All over Bangladesh

Service All over Bangladesh

Happy Return

Happy Return All over Bangladesh