cart_icon
0

TK. 0

book_image

মা (হার্ডকভার)

by আনিসুল হক

Price: TK. 330

TK. 440 (You can Save TK. 110)
মা

মা (হার্ডকভার)

148 Ratings / 98 Reviews

TK. 440

TK. 330 You Save TK. 110 (25%)

tag_icon

অর্ডার করলেই নিশ্চিত ১ টি NESCAFE Classic

tag_icon

bKash পেমেন্টে ১০% ইনস্ট্যান্ট ক্যাশব্যাক

tag_icon

৭০০+ টাকা bKash পেমেন্ট করলেই নিশ্চিত 'ফ্রি শিপিং'

In Stock (50+ copies available)

Product Specification & Summary

ফ্ল্যাপে লিখা কথা
আজাদ ছিল তাঁর মায়ের একমাত্র সন্তান। আজাদের বাবা দ্বিতীয় বিয়ে করায় বালক আজাদকে নিয়ে তার মা স্বামীর গৃহ-অর্থ-বিত্ত ত্যাগ করে আলাদা হয়ে যান। মা বড় কষ্ট করে ছেলেকে লেখাপড়া করান। আজাদ এমএ পাস করে। এই সময় দেশে শুরু হয় মুক্তিযুদ্ধ। আজাদের বন্ধুরা যোগ দেয় ঢাকার আরবান গেরিলা দলে। আজাদ মাকে বলে, আমিও যুদ্ধে যাব। মা তাকে অনুমতি দেন। ছেলে যুদ্ধে যায়। ১৯৭১ সালের ৩০ আগস্ট একরাতে ঢাকার অনেক ক’টা মুক্তিযোদ্ধা-নিবাসে হামলা চালায় পাকিস্তানী সৈন্যরা, আরো অনেকের সঙ্গে ধরা পড়ে রুমী, বদি, আলতাফ মাহমুদ, জুয়েল এবং আজাদ। আজাদের ওপরে পাকিস্তানীরা প্রচন্ড অত্যাচার চালিয়ে কথা বের করতে পারে না। তখন তার মাকে বলা হয়, ছেলে যদি সবার নাম-ধাম ইত্যাদি বলে দেয়, তাকে ছেড়ে দেওয়া হবে। আজাদ বলে, মা দুদিন ভাত খাই না, ভাত নিয়ে এসো। মা পরের দিন ভাত নিয়ে হাজির হন চন্দিশিবিরে, কিন্তু ছেলের দেখা আর মেলে না। আর কোনোদিনও ছেলে তাঁর ফিরে আসে নাই আর এই মা আর কোনোদিনও জীবনে ভাত খান নাই। যুদ্ধের ১৪ বছর পরে মা মারা যান, নিঃস্ব, রিক্ত-বেশে। মুক্তিযোদ্ধারা তাঁকে কবরে শায়িত করলে আকাশ থেকে ঝিরঝির করে ঝরতে থাকে বৃষ্টি।

মুক্তিযোদ্ধাদের কাছে এই কাহিনীর সন্ধান পেয়ে আনিসুল হক বহুজনের সাক্ষাৎকার নিয়ে, বহু দলিল দস্তবেজ ঘেঁটে রচনা করেছেন অসামন্য এক উপন্যাস, জানাচ্ছেন এক অসমসাহসিকা মায়ের অবিশ্বাস্য কাহিনী। যতদিন বাংলাদেশ থাকবে, যতদিন স্বাধীনতা থাকবে, এই অমর মাকে ততদিন শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করতে হবে আমাদের।

ভূমিকা
এই কাহিনীর সন্ধান সর্বপ্রথম আমাকে দেন মুক্তিযোদ্ধা নাট্যজন নাসির উদ্দীন ইউসুফ বাচ্চু। তারপর অনেক দিন এই কাহিনী আমাকে তাড়িয়ে ফেরে। অতঃপর আমি একটা উপন্যাস লেখার আমায় মুক্তিযোদ্ধাদের সাক্ষাৎকার গ্রহণ করতে শুরু করি। শহীদ আজাদের আত্মীয়স্বজনে খোঁজ পাওয়ার জন্যে আমি পত্রিকায় বিজ্ঞাপনও দিয়েছিলাম। বিজ্ঞাপনের সূত্র ধরেই শহীদ আজাদ সম্পর্কে যারা জানেন, এমন অনেকের সঙ্গে আমার পরিচয় ঘটে। তাঁরা আমাকে দিনের পর দিন তথ্য দিয়ে, উপাত্ত দিয়ে সাহায্য করেছেন। যাঁদের সাক্ষাৎকার আমি নিয়েছি, তাঁদের নামের তালিকা এ বইয়ের শেষে সংযুক্ত করে দিলাম। তাঁদের সকলের কাছে আমি চিরকৃতজ্ঞ। আর বেশ কিছু বইয়েরও সাহায্য দরকার হয়েছে। সেই তালিকাটিও এই বইয়ের শেষে থাকল।

এই উপন্যাস রচনা করতে গিয়ে আমি নানা জনের কাছ থেকে উৎসাহ, অনুপ্রেরণা পেয়েছি। ফেরদৌস আহমেদ জায়েদের কথা এখানে অনুপ্রেরনা পেয়েছি। ফেরদৌস আহমেদ জায়েদের কথা এখানে বিশেষভাবে উল্লেখ করতে হয়। সাপ্তাহিক ২০০০-এর সম্পাদক শাহাদত চৌধুরী আমাকে দিনের পর দিন সময় দিয়েছে, সাক্ষাৎকার দিয়েছেন, উৎসাহ দিয়েছেন এবং এই বইয়ের পান্ডুলিপি সংশোধন করে দিয়েছেন। তাঁদের কাছে আমার ঋণ জীবনেও শোধ হওয়ার নয়।

এই উপন্যাস রচনাকালে এবং ঈদসংখ্যা প্রথম আলো ২০০২-এ এর সংক্ষিপ্ত রূপ প্রকাশের পর অনেকের কাছ থেকেই আমি অনেক উৎসাহ পেয়েছি। বিশেষ করে পাঠকেরা তাঁরা ঈদসংখ্যা প্রথম আলো পড়ে এবং সাপ্তাহিক ২০০০-এ ১৬ ডিসেম্বর ২০০২-এ প্রকাশিত আমার লেকা প্রচ্ছদকাহিনী শহীদ আজাদের মায়ের সন্ধানে পড়ে ফোনে, চিঠিতে ও সরাসরি কথা বলে আমাকে বিশেষভাবে অনুপ্রাণিত করেছেন। আলাদা করে আমি আর তাঁদের নাম বলতে চাই না, তাঁরা নিশ্চয়ই এই লেকা থেকেই আমার কৃতজ্ঞতাটুকু গ্রহণ করে নেবেন।

এখন একটা দরকারি কখা এই উপন্যাস সত্য ঘটনা অবলম্বনে রচিত। তবে এটা ইতিহাস নয়, উপন্যাস। ইংরেজিতে যাকে বলে ফিকশন। ঐতিহাসিক ঘটনাগুলোর বেলায় সভ্যতা রক্ষার চেষ্টা করেছি পুরোপুরি। যেমন শহীদ আজাদের চিঠিগুলো আসল। ব্যক্তিগত ও পারিবারিক ঘটনাগুলোর বেলায় অনেক জায়গায় কল্পনার আশ্রয় নিতে হয়েছে, এটা বোধহয় বলাই বাহুল্য। সব ফিকশনেই এটা নেয়া হয়। উদাহরণস্বরূপ বলা যায়, মিলি-সংক্রান্ত বিবরণগুলো পুরোটাই বানানো। কিন্তু একটি মেয়ের বিয়ে হয়ে যাওয়ার কতা আজাদ নিজেই লিখেছিলেন তাঁর মাকে লেখা চিঠিতে।

এই উপন্যাস কাউকে আঘাত দেওয়ার বাসনা থেকে রচিত নয়, বরং বাঙালির এক বীরোচিত আখ্যানকে তুলে ধরার আমায় লিখিত ও প্রকাশিত। যদি কোনো অংশ কাউকে সামান্যতম অস্বিস্তিতে ফেলে, তবে আমি তাঁকে বলব, ওই অংশটুকু সম্পূর্ণ কাল্পনিক ধরে নেবেন।

প্রিয় পাঠক, আপনার মঙ্গল হোক, মঙ্গল হোক এই দেশটার।

আনিসুল হক
এল্যিান্ট রোড, ঢাকা
২৪ জানুয়ারি, ২০০৩ সারাংশ
মুক্তিযুদ্ধ এমনিতেই আমাদের আবেগের জায়গা- সেই আবেগকে আরো যেন ধারণ করে আছে এই বই। এই বইটি মুক্তিযুদ্ধের বই, একজন নির্ভীক ও দৃঢ় চরিত্রের মায়ের জীবনযুদ্ধের কাহিনির বই, মা- সন্তানের ভালবাসার বই। সে মা যে জীবনের শেষ ১৪ বছর ভাত খাননি কেননা একমাত্র ছেলে জীবনে শেষবারের মত ভাত খেতে চেয়ে খেতে পায়নি। ছেলেকে দেখেছেন মাটিতে চাটাইয়ে ঘুমাতে তাই তিনি আর খাটে ঘুমাননি। শহীদ মুক্তিযোদ্ধা আজাদ ও তার মায়ের এই সত্য কাহিনীর উপন্যাসরূপ এই 'মা' বইটি। মুক্তিযুদ্ধের যোদ্ধাদের অনেক বীরত্ব আর ত্যাগের কথা আমরা জানি কিন্তু তাঁদের স্বজনদের ত্যাগ-তিতিক্ষা আমরা খুব কমই জানি । এই বইটি অন্তত একজন মায়ের কাহিনী জানাবে। মুক্তিযুদ্ধের দিনগুলির কথাও সেই সাথে জানা হয়ে যাবে।

Title মা
Author
Publisher
ISBN 9844584221
Edition 99th Printed, 2020
Number of Pages 317
Country বাংলাদেশ
Language বাংলা

Sponsored Products Related To This Item

Customers who bought this product also bought

Reviews and Ratings

4.76

148 Ratings and 98 Reviews

Show more Review(s)

Product Q/A

Have a question regarding the product? Ask Us

Show more Question(s)

Recently Sold Products

call center

Help: 16297 or 09609616297 24 Hours a Day, 7 Days a Week

Pay cash on delivery

Pay cash on delivery Pay cash at your doorstep

All over Bangladesh

Service All over Bangladesh

Happy Return

Happy Return All over Bangladesh