User login

Sing In with your email

Email Address
Password
Forgot Password?

Not Account Yet? Create Your Free Account

Send

Recipients:
Message:

Share to your friends

Copy link:

    Our Price:

    Regular Price:

    Shipping:Tk. 50

    • Size:
    • Color:
    QTY:

    প্রিয় ,

    সেদিন আপনার কার্টে কিছু বই রেখে কোথায় যেন চলে গিয়েছিলেন।
    মিলিয়ে দেখুন তো বইগুলো ঠিক আছে কিনা?

    Please Login to Continue!

    Our User Product Reviews

    Share your query and ideas with us!

    Customer Reviews

      By Rahul

      24 Jun 2018 11:45 AM

      Was this review helpful to you?

      or

      ড্যান ব্রাউন নিসন্দেহে একজন খুব ভালো লেখক

      By Parvez Alam

      06 May 2016 10:40 PM

      Was this review helpful to you?

      or

      অনেক সুন্দর বই, যাদের কেনার ইচ্ছা আছে কিনে ফেলেন আর সাথে সাথে পরে ফেলেন কারন এই বছর এই বইএর উপরে একটা মুভি বের হচ্ছে,

      By murad

      05 May 2016 03:13 AM

      Was this review helpful to you?

      or

      পৃথিবীব্যাপী আলোড়ন তোলা উপন্যাস ‘দ্য দা ভিঞ্চি কোড’ রচনার জন্য তিনি সবচেয়ে পরিচিত। ২০০৩ সালে প্রকাশিত এবং সর্বাধিক বিক্রী হওয়া এই উপন্যাসের লেখক ড্যান ব্রাউন। ড্যান ব্রাউনের উপন্যাসের মূল উপজীব্য হচ্ছে ক্রিপ্টোগ্রাফি, রহস্যময় সংকেত ও এদের দ্বৈত-অর্থ। ড্যান ব্রাউনের উপন্যাসে এ ব্যাপারগুলোই বারংবার উঠে এসেছে। দ্য দা ভিঞ্চি কোড মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কথাসাহিত্যিক ড্যান ব্রাউন রচিত একটি জনপ্রিয় উপন্যাস।, এই উপন্যাস অবলম্বনে একই শিরোনামে একটি হলিউড চলচ্চিত্র নির্মিত হয়েছে। ২০০৩ সালে ডাবলডে প্রকাশনী এই রহস্যমূলক উপন্যাসটি বইটি প্রকাশ করে। এর কাহিনী আবর্তিত হয়েছেহার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের এর ধর্মীয় প্রতীক বিদ্যার অধ্যাপক রবার্ট ল্যাংডন ও সোফি নেভুর প্যারিস এর ল্যুভ জাদুঘরে ঘটে যাওয়া একটি খুনের ঘটনার তদন্ত নিয়ে। তদন্তে বেরিয়ে আসে যিশুর সাথে ম্যারি ম্যাগদালিন এর বিয়ে হয়েছে কি হয়নি এ নিয়ে প্রায়োরি অব সাইওন এবং ওপাস দাইএর মধ্যকার চলমান এক দ্বন্দ্বের কথা। দু’হাজার বছরের পুরনো সত্যকে চিরতরে নির্মূল করার জন্যে একই দিনে চারজন বিশিষ্ট ব্যক্তিকে হত্যা করা হয়। সত্যটি জনাজানি হয়ে গেলে হাজার বছরের ইতিহাস লিখতে হবে নতুন ক’রে। সত্যটি লালন ক’রে আসছে একটি গুপ্ত সংঘ-সেই গুপ্ত সংঘের সদস্য ছিলেন আইজ্যাক নিউটন, ভিক্টর হুগো, বত্তিচেল্লি আর লিওনার্দো দা ভিঞ্চির মতো ব্যক্তি। ওদিকে উগ্র ক্যাথলিক সংগঠন ওপাস দাই সেই সত্যকে চিরতরে নির্মূল করার আগেই গুপ্তসংঘের গ্র্যান্ডমাস্টার তার ঘনিষ্ঠ একজনের কাছে হস্তান্তর ক’রে দেয় আর ঘটনাচক্রে এরকম একটি মারাত্মক মিশনে জড়িয়ে পড়ে হারভার্ডের সিম্বোলজিস্টের এক প্রফেসর। পাঠকের মনোজগত নাড়িয়ে দিতে পারে ।

      By AL MAHMUD HOSSAIN

      03 May 2016 04:57 PM

      Was this review helpful to you?

      or

      Great :) .Different test but meets the need.

      By Parvez Alam

      02 May 2016 04:00 PM

      Was this review helpful to you?

      or

      এই বই নিয়ে আসলে কিছু বলার নাই, যদি অল্প করে কিছু বলি তাহলে বলব মাথা নষ্ট করার মত একটা বই, অসাধারন। অনুবাদ অনেক ভালো

    • Was this review helpful to you?

      or

      অসাধারন একটা বই। আমার জীবনে পড়া বেস্ট বই। এই একটা মাত্র বই পড়ে আমি ড্যান ব্রেউনের ভক্ত হয়ে গেছি

      By Abdullah AL Amin

      19 Mar 2016 10:08 AM

      Was this review helpful to you?

      or

      boi ta k ami 5 star dibo.......durdanto thrilling.......but onubad e onek printin mistake ace..........200-400 page er modhe ei mistake gula beshi.........tanahole one of the best books.

      By Sabrina Afrin Lira

      19 Feb 2015 02:30 PM

      Was this review helpful to you?

      or

      ড্যান ব্রাউনের বই নিয়ে মন্তব্য করার ভাষা নেই!! রবার্ট ল্যাংডন আমার অতি প্রিয় একটি চরিত্র।নাজিম উদ্দিন কে ধন্যবাদ এই বইটি অনুবাদ করে আমাদের হাতে তুলে দেওয়ার জন্য।

      By Naim Chowdhury

      10 Dec 2013 04:13 AM

      Was this review helpful to you?

      or

      এটি মুলত মোঃ নাজিম উদ্দিনের অনুবাদ করা বইয়ে আমার পড়া প্রথম বই। ড্যান ব্রাউনকে নিয়ে আসলে বলার মত কিছুই বাকি নেই। তবে অনুবাদককে ধন্যবাদ দিতেই হয় অতি সুন্দরভাবে অনুবাদটি করার জন্য।যারা বইটি পড়েন নি তাদের বলছি ... বিশ্বাস করুন এই বইটি আপনার দুনিয়া সম্পর্কে ধারনা পালটে দিবে। নাজিম উদ্দিন যেভাবে অনুবাদটি করেছেন তাতে প্রতিটা শব্দ আপনাকে অন্য এক জগতে নিয়ে যাবে। যদি ড্যান ব্রাউনের আগের বইগুলো পরে থাকেন তাহলে দ্রুত এটা শেষ করুন এবং এরপর 'ইনফার্নো' তো আছেই :)

      By Naim Chowdhury

      10 Dec 2013 03:53 AM

      Was this review helpful to you?

      or

      বছরের সেরা বইয়ের এওয়ার্ড পাওয়া 'ইনফার্নো' অবশ্যই আপনাকে নিয়ে যাবে রবার্ট ল্যাংডনের সেই চিরচেনা রহস্য ও কোড ঘেরা দুনিয়ায়। অনুবাদক নাজিম উদ্দিনের আরেকটি অতি চমৎকার একটি অনুবাদ। ড্যান ব্রাউনের থেকে সবথেকে সেরাটাই আমরা আশা করি এবং সে প্রতিবারই তার সেরাটা দিয়েই আমাদের চমক দেখায়।

      By Tasfia Promy

      04 Mar 2017 12:35 AM

      Was this review helpful to you?

      or

      এক বিখ্যাত সিম্বলজিস্ট রবার্ট ল্যাংডন, হঠাৎ একদিন জ্ঞান ফি্রলে নিজেকে আবিষ্কার করেন ফ্লোরেন্সের একটা হসপিটালে ( সাজানো)। কি ঘটেছিল এবং কেন তিনি হসপিটালে এসব এর কিছুই তিনি মনে করতে পারেন না, স্মৃতিভ্রষ্ট ল্যাংডনের মাথায় ঘুরতে থাকে একটি কথা খোঁজো, খুঁজলেই পাবে। বাবা মার দেয়া প্রিয় মিকি মাউস ঘড়িটি খুঁজে পাননা, তার বদলে তার জামার পকেটে মেলে এক অদ্ভুত-ভীতিকর একটি জিনিস। তার কোনো ধারণাই নেই কোত্থেকে এটা এলো, শুধু বুঝতে পারেন তার মাথায় অপারেশান করা হয়েছে, তীব্র ব্যাথা নিয়েই তিনি পুড়া রহস্য কে তাড়া করে বেড়ান। তারপরই ঘটতে থাকে একের এক পর অদ্ভুত ঘটনা। এই সময় তার সাথে জড়িয়ে পড়ে তার ডক্টর, অদ্ভুত এক মেয়ে সিয়েনা। তারা দুজন রহস্যের সমাধান করতে থাকেন আর একটু একটু করে আবার জীবন বাঁচাতে পালিয়ে বেড়ান অবশেষে আসল সত্যটি জানতে পারেন তারা, যে কোন এক পাগল ব্যাক্তির কারনে পুরো মানবজাতি মারাত্মক এক হুমকির মুখে পড়ে দান্তে বিশেষজ্ঞ হিসেবে যেমন এই বই তে উনি আবির্ভুত হইছেন। লেখক বই এর শুরুতেই এক ব্যাক্তি ( ভিলেন) এর মৃত্যু এনে ঘটনাটাকে আকর্ষিত করেছেন পাঠকদের, যে কিনা দান্তের ইনফার্নো বই, একটা মুখোশ যার ভেতরে লুকানো আছে মূল রহস্য, এর মধ্য দিয়ে ক্লু রেখে গেছেন, মানব জাতি কে উদ্ধার এর জন্য, শুরুতে সিয়েনা ভিলেন এর নায়িকা থাকলেও এবং ল্যাংডন কে মারার চেষ্টা করলেও শেষ এ দেখা যায় যে তাহারা একে অপরের প্রেমে মগ্ন, সব মিলিয়ে খুব ভাল লেগেছে বইটি যদিও খুব ঠাণ্ডা মাথায় বইটি না পড়লে কাহিনি বুঝা টা কঠিন।

      By Rashel

      28 Jan 2017 01:34 PM

      Was this review helpful to you?

      or

      #রকমারি_বইপোকা_রিভিউ_প্রতিযোগীতা। বই- দা দ্য ভিঞ্চি কোড। লেখক- ড্যান ব্রাউন। অনুবাদ- মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন। ধরন- হিষ্টোরিক্যাল থ্রিলার। পৃষ্ঠা- ৪৪৭। প্রকাশনী- বাতিঘর। প্রধান চরিত্র- রর্বাট ল্যাংডন, সোফি নেভু, বেজু ফশে, জ্যাক সনিয়ে, সাইলাস। লুভ্যর মিউজিয়ামের কিউরেটর জ্যাক সনিয়ে নির্মমভাবে খুন হন। তবে মৃত্যুর আগে নিজের রক্ত দিয়ে একটি পেন্টাগ্রাম একে যান তিনি নিজ শরীরে যা বিখ্যাত চিত্রশিল্পী লিওনার্দো দ্য ভিঞ্চির আকা দ্য ভিট্রুভিয়ান ম্যানের মতো হয় দেখতে। জটিল এই রহস্য সমাধানের জন্য ডাকা হয় হার্ভাড বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর রর্বাট ল্যাংডনকে যিনি প্রাচীন সিম্বোলিজমের ওপর একজন বিশেষজ্ঞ। তবে তাকে ডেকে আনার পিছনে জ্যাক সনিয়েই দায়ী থাকে। রর্বাট ল্যাংডনের সাথে একসাথে কাজ করতে যোগ দেয় জ্যাক সনিয়ের নাতনী সোফি যে ক্রিপ্টোগ্রাফ এজেন্ট হিসেবে কর্মরত। পেন্টাগ্রামের সূত্র ইঙ্গিত করে দ্য ভিঞ্চির দ্য লাষ্ট সাপার ছবিটির দিকে যার সাথে যীশুর একটি ইতিহাস জড়িত। সেই ইতিহাস ধরেই তদন্ত এগোতে থাকে এবং বের হয় ওপাস দাই নামক একটি ভয়ানক উগ্র মৌলবাদী সংঘঠনের্ যাদের সাথে রয়েছে আরেকটি গুপ্ত সংঘঠন প্রাওরি অব সাইওনের শত্রুতা। একটি সত্য দীর্ঘদিন ধরে গোপন করে রেখেছে প্রাওরি অব সাইওন। আর সেটাই হস্তগত করতে মাঠে নেমেছে ওপাস দাই। পিছন থেকে নেতৃত্ব দিচ্ছে অত্যন্ত ক্ষমতাশালী কেউ। বইটি প্রকাশিত হবার পর সারাবিশ্বে বিশেষ করে খৃষ্টবিশ্বে প্রচুর পরিমান আলোড়ন তোলে। অনেক দেশে বইটিকে নিষিদ্ধ করা হয় খৃষ্টধর্মের অবমাননার অভিযোগ তুলে। তবে এতে করে বইটির বিক্রী বেড়ে যায় বরং। এবং প্রথম উপন্যাসেই ড্যান ব্রাউন বাজিমাত করে ফেলেন। বইতে উল্লেখিত প্রাওরি অব সাইওন ও ওপাস দাই নামক দুটি সংঘঠনের অস্তিত্ব সত্যি। এবং এরা বহাল তবিয়তে নিজেদের কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। লেখকের মতে বইতে উল্লেখিত দলীল, রীতিনিতী ও আচার সবই সত্যি। এই ঢাউস সাইযের বই পড়া বেশ কঠিন। কারন এখানে যেসব বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে তা বোঝা বেশ জটিল। আমাদের দেশে যেহেতু খৃষ্টধর্মের চর্চা নেই অতোটা তাই ওসব আচার ও রীতিনিতী অচেনা লাগবে। পাশাপাশি সিম্বোলিজম নিয়ে ধারনা না থাকায় বইটা বোঝাও বেশ কঠিন হবে। সেইসাথে অনুবাদের প্রসঙ্গও আসে। অনুবাদও একটু কঠিন হয়ে গেছে। অবশ্য অনুবাদের কথা বলে লাভ নেই। বইয়ের বিষয়বস্তুই দুরহ। তবে যাইহোক এই বই একইসাথে আলোচিত এবং সমালোচিত। আকৃতির কারনে পড়ার জন্য একটু ধৈর্য্য লাগবে। রেটিং- ৪.৮০/৫.০০

      By Tultul Zabin

      19 Jan 2017 12:28 AM

      Was this review helpful to you?

      or

      ‘দ্য দা ভিঞ্চি কোড’ পৃথিবীর ইতিহাসে সর্বাধিক বিক্রিত বই । বইটি এই পর্যন্ত ৪১ টি ভাষায় অনুবাদ করে প্রকাশিত হয়েছে । এছাড়াও প্রায় ১১০ মিলিয়ন কপি এই পর্যন্ত বিক্রি হয়েছে । মুল বইটির লেখক ড্যান ব্রাউন । তিনি আমেরিকাতে জন্মগ্রহন করেন । তিনি আমহাস্ট থেকে গ্র্যাজুয়েশন করে ইংরেজী শিক্ষক হিসেবে কিছুদিন চাকরি করেছেন । কোড ব্রেকিং আর ছদ্মবেশী সরকারী এজেন্সিগুলো এর প্রতি আগ্রহ থেকেই তিনি দ্য দা ভিঞ্চি কোড বইটি লিখেন । বর্তমানে তিনি আর্ট হিস্টোরিয়ান এবং স্ত্রী কে নিয়ে আমেরিকার নিউ ইংল্যান্ডে বসবাস করছেন । তার লেখা দ্য দা ভিঞ্চি কোড বইটি বাংলাতে অনুবাদ করে প্রথম প্রকাশিত হয় ২০০৫ সালের আগস্ট মাসে বাতিঘর প্রকাশনী থেকে । বইটির অনুবাদক মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন । তার জন্ম ঢাকায় । ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এর চারুকলা ইন্সটিটিউট ও পরে গনযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগে পড়াশোনা করেছেন । তিনি বহু জনপ্রিয় বিদেশী উপন্যাস অনুবাদ করে প্রকাশ করার পাশাপাশি কিছু মৌলিক বই ও লিখেছেন । বইটির প্রচ্ছদ করেছেন ডিলান । দ্য দা ভিঞ্চি কোড অত্যাধিক জনপ্রিয় একটি বই । থ্রিলারধর্মী বইটি এখন পর্যন্ত বিশ্বের সেরা বেস্ট সেলার বই । বইটির জনপ্রিয়তা দেখে এই বই এর কাহিনী নির্ভর সিনেমা ও নির্মান হয়েছে । উপন্যাসের প্রধান চরিত্র রবার্ট ল্যাংডন । বইটি শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত অসাধারন টান টান উত্তেজনা পাঠকেরা উপভোগ করতে পারবেন । এইরকম আন্তর্যাতিক মানের বেস্ট সেলার সম্বন্ধে কিছু বলার নাই । বইটি পড়া শুরু করলে একবারে শেষ না করে পাঠক থাকতে পারবেন না । কাহিনী কোথা থেকে কোথায় যায় পড়তে পড়তে পাঠক অবাক হতে থাকবেন । থ্রিলার প্রিয় পাঠক ছাড়াও সকল শ্রেনীর পাঠকের কাছেই বইটি অসাধারন মনে হবে ।

      By Tultul Zabin

      19 Jan 2017 12:23 AM

      Was this review helpful to you?

      or

      ‘ইনফার্নো’ অসাধারন একটি থ্রিলার উপন্যাস । মুল বইটির লেখক ড্যান ব্রাউন । ড্যান ব্রাউন সম্বন্ধে বলার কিছু নেই । বিশ্বের অন্যতম থ্রিলার লেখক ড্যান ব্রাউন । তিনি তার লেখা দ্য দা ভিঞ্চি কোড এর জন্য বিখ্যাত যা বিশ্বের ইতিহাসে অন্যতম বেস্ট সেলার বই । তিনি আমেরিকাতে জন্মগ্রহন করেন । তিনি আমহাস্ট থেকে গ্র্যাজুয়েশন করে ইংরেজী শিক্ষক হিসেবে কিছুদিন চাকরি করেছেন । । বর্তমানে তিনি আর্ট হিস্টোরিয়ান এবং স্ত্রী কে নিয়ে আমেরিকার নিউ ইংল্যান্ডে বসবাস করছেনবইটির অনুবাদক মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন । তার জন্ম ঢাকায় । ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এর চারুকলা ইন্সটিটিউট ও পরে গনযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগে পড়াশোনা করেছেন । তিনি বহু জনপ্রিয় বিদেশী উপন্যাস অনুবাদ করে প্রকাশ করার পাশাপাশি কিছু মৌলিক বই ও লিখেছেন । বইটি প্রথম প্রকাশিত হয় ২০১৩ সালের জুন মাসে । বইটি বাতিঘর প্রকাশনী থেকে প্রকাশিত হয় । বইটির প্রচ্ছদ করেছেন ডিলান । বইটি তে রবার্ট ল্যাংডন আবার এসেছেন দ্য দা ভিঞ্চি কোড বইটি থেকে । হার্ভার্ড প্রফেসর রবার্ট ল্যাংডন জ্ঞান ফিরে পেয়ে নিজেকে বাড়ি থেকে হাজার মাইল দূরে ইতালির ফ্লোরেন্সে আবিষ্কার করে। কীভাবে সে পৌঁছুল ওখানে, কোনো ধারণাই নেই তার; ডাক্তাররা তাকে জানায় সাময়িক এমনেশিয়ায় আক্রান্ত হয়েছে সে। গত কয়েকদিনের কোনো ঘটনাই তার মনে নেই। বিভ্রান্তি চরমে পৌঁছে যখন ল্যাংডন দেখতে পায়, হাসপাতালে তাকে মারতে গুলি চালায় এক নারী আততায়ী। হাসপাতাল থেকে একটি মেয়ে ডাক্তার এর সাহাজ্যে সে বের হয় । মেয়ে ডাক্তার টি কে ? কে কি চায় ? সবকিছু প্রফেসর ল্যাংডন এর কাছে অস্বাভাবিক লাগে । কাহিনী এভাবেই চলতে থাকে । অসাধারন থ্রিলার এই উপন্যাস টি সকলের কাছেই ভালো লাগবে । বইটির জনপ্রিয়তার জন্য পরবর্তীতে এটি নিয়ে মুভিও বানানো হয়েছে ।

      By Tultul Zabin

      19 Jan 2017 12:14 AM

      Was this review helpful to you?

      or

      ‘ডিসেপশন পয়েন্ট’ অসাধারন একটি থ্রিলার উপন্যাস । মুল বইটির লেখক ড্যান ব্রাউন । ড্যান ব্রাউন সম্বন্ধে বলার কিছু নেই । বিশ্বের অন্যতম থ্রিলার লেখক ড্যান ব্রাউন । তিনি তার লেখা দ্য দা ভিঞ্চি কোড এর জন্য বিখ্যাত যা বিশ্বের ইতিহাসে অন্যতম বেস্ট সেলার বই । তিনি আমেরিকাতে জন্মগ্রহন করেন । তিনি আমহাস্ট থেকে গ্র্যাজুয়েশন করে ইংরেজী শিক্ষক হিসেবে কিছুদিন চাকরি করেছেন । । বর্তমানে তিনি আর্ট হিস্টোরিয়ান এবং স্ত্রী কে নিয়ে আমেরিকার নিউ ইংল্যান্ডে বসবাস করছেনবইটির অনুবাদক মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন । তার জন্ম ঢাকায় । ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এর চারুকলা ইন্সটিটিউট ও পরে গনযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগে পড়াশোনা করেছেন । তিনি বহু জনপ্রিয় বিদেশী উপন্যাস অনুবাদ করে প্রকাশ করার পাশাপাশি কিছু মৌলিক বই ও লিখেছেন । বইটি প্রথম প্রকাশিত হয় ২০০৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে । বইটি প্রকাশিত হয় বাতিঘর প্রকাশনী থেকে এবং বইটির প্রকাশক মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন । প্রচ্ছদ করেছেন ডিলান । যুক্তরাষ্ট্রের দুই প্রধান রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব সিনেটর সেজউইক স্যাক্সটন ও প্রেসিডেন্ট যাক হার্নি, নাসা এবং NRO কে নিয়ে উপন্যাসটির কাহিনী NRO ডিরেক্টর উইলিয়াম পিকারিং র্যািচেল কে তার অফিসে ডেকে জানালেন, প্রেসিডেন্ট র্যা চেলের সাথে একটা ব্যক্তিগত সাক্ষাতকারে আগ্রহী। এখনই। প্রেসিডেন্ট তার জন্য হেলিকপ্টার পাঠিয়েছেন। পিকারিং ধারণা করেন প্রেসিডেন্ট কোন রাজনৈতিক উদ্দেশ্য পূরণের জন্য তার প্রধান রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের মেয়েকে ব্যবহার করতে পারেন। এদিকে সিনেটর স্যাক্সটনের সাথে মেয়ে র্যােচেলের সম্পর্ক মোটেই ভাল নয় ।এইভাবেই ঝামেলার সূত্রপাত হয় । এরপরে কাহিনী বিভিন্ন দিকে মোড় নিতে থাকে । ড্যান ব্রাউন তার স্বভাবসুলভ ভাবে কাহিনীর প্রায় সবখানেই পাঠক কে রোমাঞ্চিত করার চেষ্টা করে গেছেন । থ্রিলার ও রোমাঞ্চোপন্যাস প্রিয় পাঠকদের নিকট গল্পটি অসাধারন লাগবে ।

      By Tultul Zabin

      19 Jan 2017 12:12 AM

      Was this review helpful to you?

      or

      ‘দ্য লস্ট সিম্বল’ বিশ্বের ইতিহাসের অন্যতম বেস্টসেলার বই । মুল বইটির লেখক ড্যান ব্রাউন । ড্যান ব্রাউন সম্বন্ধে বলার কিছু নেই । বিশ্বের অন্যতম থ্রিলার লেখক ড্যান ব্রাউন । তিনি তার লেখা দ্য দা ভিঞ্চি কোড এর জন্য বিখ্যাত যা বিশ্বের ইতিহাসে অন্যতম বেস্ট সেলার বই । তিনি আমেরিকাতে জন্মগ্রহন করেন । তিনি আমহাস্ট থেকে গ্র্যাজুয়েশন করে ইংরেজী শিক্ষক হিসেবে কিছুদিন চাকরি করেছেন । । বর্তমানে তিনি আর্ট হিস্টোরিয়ান এবং স্ত্রী কে নিয়ে আমেরিকার নিউ ইংল্যান্ডে বসবাস করছেনবইটির অনুবাদক মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন । তার জন্ম ঢাকায় । ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এর চারুকলা ইন্সটিটিউট ও পরে গনযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগে পড়াশোনা করেছেন । তিনি বহু জনপ্রিয় বিদেশী উপন্যাস অনুবাদ করে প্রকাশ করার পাশাপাশি কিছু মৌলিক বই ও লিখেছেন । বইটি প্রথম প্রকাশিত হয় ২০০৯ সালের অক্টোবর মাসে । বইটি প্রকাশিত হয় বাতিঘর প্রকাশনী থেকে এবং বইটির প্রকাশক মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন । প্রচ্ছদ করেছেন ডিলান । এ উপন্যাসের পটভূমি যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসি। উপন্যাসের শুরুতে রবার্ট ল্যাংডনকে অনুরোধ করা হয় স্মিথসোনিয়ান ইন্সটিটিউটের একটি বার্ষিক অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেয়ার জন্য। খুবই অল্প সময়ের মধ্যেই প্রস্তুত হতে হলেও ল্যাংডন এই অনুরোধ ফেলতে পারে না, কারণ এ অনুরোধ এসেছে তার পুরনো বন্ধু এবং মেন্টর স্মিথসোনিয়ান ইন্সটিটিউটের প্রধান পিটার সলোমনের পক্ষ থেকে। যারা ড্যান ব্রাউন এর উপন্যাস পড়েছেন তাদের সকলের কাছেই রবার্ট ল্যাংডন পরিচিত নাম । তো ল্যাংডন কথামত সেখানে পৌছে বিশাল এক বিপদে পড়ে যার জন্য সে কোনোভাবেই প্রস্তুত ছিলো না । কি সেই বিপদ ? কিভাবে সে মুক্ত্ হবে ঐ বিপদ থেকে ? জানতে হলে পড়তে হবে দ্য লস্ট সিম্বল বইটি । ড্যান ব্রাউন এর লেখা পড়ার পাঠকদের এইবার ও হতাশ হতে হবে না , মুলত সম্পুর্ন বইটিই পাঠকরা উপভোগ করবেন এইটা নির্দিধায় বলে দেওয়া যায় ।

      By Khalid Faisal

      29 Dec 2016 04:35 AM

      Was this review helpful to you?

      or

      অতি সামান্য কিছু স্পয়লার আছে, খুব বেশি খুঁতখুঁতে না হলে পড়তে পারেন। অন্যথায় না পড়াই উত্তম। ড্যান ব্রাউন ঠিক প্রিয় লেখক না হলেও বেশ ইন্টারেস্টিং লাগে পড়তে, যতটা না তার কাহিনী বা লেখার শৈলীর জন্য, তার চেয়ে অনেক বেশি যে তথ্যগুলো পাওয়া যায় তার বইয়ে সেই জন্য। স্বীকার করতেই হবে, দ্য ভিঞ্চি কোড বা অ্যান্জেলস অ্যান্ড ডিমনস বইদুটোতে যে পরিমাণ অদ্ভুত ব্যাপার-স্যাপার জানার আছে, অতটা অনেক গবেষনা বইয়েও পাওয়া যা্য না। অবশ্য তাই বলে ব্রাউন যে সবই ঠিকঠিক লিখছেন তাও না, তবে মুদ্রার একটা পিঠ জানতেও নেহায়েত মন্দ লাগে না। এছাড়াও আরো একটা ব্যাপার আছে, রবার্ট ল্যাঙডনকে নিয়ে বইদুটোতে সেখানে খুব ইন্টারেস্টিং কিছু পাজল ছিলো, আমার কাছে তো খুবই আকর্ষণীয় লাগে। অ্যাম্বিগ্রাম, এরপর দ্য ভিঞ্চি কোডের কিউরেটর সাহেবের দেয়া ধাঁধা - চমৎকার লেগেছিলো। সেই তুলনায় ডিসেপশন পয়েন্ট আর ডিজিটাল ফোর্ট্রেস ভালো লাগে নি, সেরকম কোন চমক নেই বলে। কাজেই ল্যাঙডনকে নিয়ে লেখা লস্ট সিম্বল নিয়ে আগ্রহ ছিলো বেশ। বের হবার সাথে সাথেই ডাউনলোড করে ফেল্লাম, এরপর একদিনেই বই খতম। কিন্তু লাগলো ক্যামন? ((আগেই বলে নিয়েছি, হালকা কিছু স্পয়লার আছে,তবে আসলেই হালকা। নিজ ঝুঁকিতে অগ্রসর হউন! )) বইয়ের কাহিনী এবার আমেরিকায়, ওয়াশিংটন ডিসিতে।আগের দুটো বইয়ে ইউরোপ ঘোরাঘুরি করলেও এবার হোমল্যান্ডেই রবার্ট ল্যাঙডন। ঘটনার সূত্রপাত হয় ওয়াশিংটন ক্যাপিটল বিল্ডিংয়ে এক পুরনো বন্ধু / মেন্টর পিটার সলোমনের দাওয়াতে একটা বক্তৃতা দেয়ার জন্য ল্যাঙডনের যাত্রা দিয়ে। এই পিটার সলোমন আবার স্মিথসোনিয়ান ইন্সটিটিউটের ডিরেক্টর, আর তার সাথে ফ্রিমেসন সোসাইটিরর ওয়ারশিপফুল মা্স্টার, মানে সর্বোচ্চ নেতা। ঠিকই ধরেছেন, ইলুমিনাটি, ভ্যাটিকান আর ওপাস ডেই এর পর এবারকার কাহিনী ফ্রিমেসন সোসাইটি নিয়ে। মেসনদের নিয়ে প্রথম পড়েছিলাম শার্লক হোমসে, সেখানে অবশ্য মেসনদের দেখানো হয়েছিলো বেশ মন্দ হিসেবেই। পরে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন রেফারেন্সে পেয়েছিলাম, কিন্তু তেমন কিছু জানতাম না, শুধু এটুকুই যে মেসনরা অ্যামন মন্দ কিছু না। এমনকি তারা সিক্রেট সোসাইটিও ঠিক না। ড্যান ব্রাউনই সুন্দর বলেছেন, They are not a secret society, rather a society with secrets. মেসনদের নিয়ে আমি না কচকচাই, এখানে উইকির এন্ট্রিটা আছে, আগ্রহীরা ওয়েবসার্চ দিলেই আরো হাজার হাজার লিন্ক পেয়ে যাবেন। বইয়ের নাম শুনেই বুঝতে পারছেন কোন একটা হারিয়ে যাওয়া সিম্বল খোঁজাই আমাদের সিম্বোলোজিস্ট রবার্ট সাহেবের এবারের কাজ। এর সাথে এসেছে আমেরিকার জন্মলগ্নে মেসনদের ভূমিকা আর প্রভাব। মেসন সোসাইটি এমন একটা রহস্য রক্ষা করে আসছে যা সাপোজেডলি মানুষকে গডলাইক ক্ষমতা দিতে পারে, আর এই রহস্যের পিছনে নেমেছে এক ম্যানিয়াক। বলে দিতে হবে না, শেষ পর্যন্ত ম্যানিয়াক হারে, আর রহস্য নিরাপদেই অনাবৃত হয় আমাদের নায়কের কাছে। যেটা মিসিং সেটা হলো আগের দুটো বইয়ের চমৎকার পাজলস। এই বইয়েও পাজল আছে, কিন্তু সেটা সমাধানে এমন কোন বুদ্ধিমত্তার পরিচয় দেননি ল্যাঙডন, বরং জায়গায় জায়গায় তাকে নেয়াহেতই উল্লুক মনে হয়েছে। আমার কাছে এই বইয়ের সবচেয়ে খারাপ লেগেছে এই ব্যাপারটাই, ল্যাঙডন গট আ লট স্টুপিডার। যত যাই বলুন না কেন ভাই, আমি বই-সিনেমার নায়কদের কাছ থেকে লার্জার দ্যান লাইফ ব্যাপার-স্যাপার না দেখতে পেলে একটু হতাশই হই। আর পাজলগুলোও আগের মতো এত নেই, যা আছে তাও আগের মতো আকর্ষণ করেনি। অ্যাকশন আছে মোটামুটি, জায়গায় জায়গায় বেশ রোমাঞ্চও আছে। কিন্তু বইয়ের সবচেয়ে ভালো পয়েন্ট কিছু থিওলোজিকাল আলোচনা। যারা গডস ডেব্রি বা রিলিজয়ন ওয়ার পড়ে মজা পেয়েছেন, তাদের বইটা ভালোই লাগার কথা। আমার কাছে বেশ চমৎকার লেগেছে, বেশ একটা অনন্য পার্সপেক্টিভ আছে স্রষ্টা-সৃষ্টি নিয়ে। শুধু এটুকুর জন্যও পড়তে পারেন, খারাপ লাগার কথা না। আর মেসনদের ভূমিকা ও প্রভাব নিয়ে খুব ইন্টারেস্টিং কিছু তথ্য আছে, সেগুলোও ভালো লেগেছে খুব। যেমন ইলুমিনাটি আর টেম্পলার নাইটসের নিয়ে বেশ চমৎকার অনেক কিছু জানতে পেরেছিলাম, সেজন্য এ বইয়ের কাছেও আশা ছিলো অনেক। সেদিক দিয়ে অন্তত হতাশ করেনি বইটা। সবমিলিয়ে দ্য লস্ট সিম্বল পড়লে হতাশ হবেন না, তবে আগের বই দুটোর মতো ভালো হয়তো লাগবে না।

      By Supriya dey

      16 Nov 2016 07:16 PM

      Was this review helpful to you?

      or

      #রকমারি_বইপোকা_রিভিউ_প্রতিযোগিতা নাম: দ্য দা ভিঞ্চি কোড লেখক: ড্যান ব্রাউন, অনুবাদক: মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন ধরণ:থ্রিলার উপন্যাস, প্রকাশনা: বাতিঘর প্রকাশনী মূল্য: ৩৬০৳ পৃথিবীর মানুষের মধ্যে জরিপ করা হয়েছিল কেও যদি মঙ্গলে যেতে চায়, তাহলে তারা পৃথিবী থেকে কী নিয়ে যাবে? যে একটি বইয়ের নাম সবচেয়ে বেশি উঠে এসেছিল তার নাম 'দ্য দা ভিঞ্চি কোড'। ২০০৩ থেকে ২০০৯ এর মধ্যে আশি মিলিয়ন হার্ড কভার বিক্রি, ৪০ টা ভাষায় অনুদিত হওয়া শ্বসন দ্রুততর করার এক বইয়ের নাম দ্য ভিঞ্চি কোড। ওয়াশিংটন পোস্ট এর রিভিউ লিখতে গিয়ে উল্লেখ করেছে 'এই বই যদি আপনার নাড়িস্পন্দন বাড়াতে না পারে, তবে আপনার উচিত ডাক্তার দেখানো।' ডেনভার পোস্টের ভাষায় 'থ্রিলার উপন্যাস এর চেয়ে ভালো হতেই পারে না'। অস্ট্রেলিয়ান পাঠকদের নিয়ে জরিপে ২০১০ সাল পর্যন্ত সেরা ১০০ টা বইয়ের নামের মাঝে উঠে আসে ড্যান ব্রাউনের দ্য ভিঞ্চি কোড। জার্নালিস্ট Janet Maslin বলেন, কোড ব্রেকিং, বিভিন্ন হেঁয়ালি থেকে মুল তথ্য বের করা,এসব কিছু থেকে বলা যায়, এটা ব্লকবাস্টার পারফেকশন এবং শুধুমাত্র একটাই শব্দ; ওয়াও ।কিন্তু এত প্রশংসা থাকার পাশাপাশি বেস্ট সেলার এই বইটির রয়েছে বিরাট সমালোচনাও। ক্যাথলিক আর খ্রিষ্টান কমিউনিটির পাশাপাশি নিউ ইয়র্ক টাইমসের লেখক Laura Miller একে 'ঐতিহাসিক ধাপ্পার উপর নির্ভরশীল' উপন্যাস বলে উল্লেখ করেন। বিভিন্ন সমালোকরা ড্যান ব্রাউনকে ইতিহাস জাল করা, বিকৃত করা এবং কল্পনাপ্রসূত ইতিহাসের নির্মাতা বলে আখ্যা দেন। কিন্তু ২০০৩ সালে ব্রাউন এ উপন্যাসের সকল তথ্য, এবং ব্যাকগ্রাউন্ডকে সত্যি বলে দাবী করেন। ব্যাপক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকা এ বইয়ের সারসংক্ষেপ: একটি বিখ্যাত মিউজিয়ামের কিউরেটর জ্যাক সনিয়ে তার অফিসে আততায়ীর হাতে খুন হন। কিন্তু এই খুনের পিছনে কোনো ব্যক্তিগত শত্রুতা ছিল না। ছিল এক গোপন জ্ঞান, যাকে কুক্ষিগত করার অভিলিপ্সা। কিন্তু কী ছিল সেই জ্ঞান যা ধারণ করার জন্য একই রাতে চারজন বিখ্যাত ব্যাক্তিকে মারা যেতে হল? সেই জ্ঞানের সাথে তার নাতনী সোফির সম্পর্ক কী? কেনই বা মৃত্যুর আগে সনিয়ে লিখে গেলেন 'ওহ ড্রাকোনিয়ান ডেভিল, O lame saint. PS, রবার্ট ল্যাংডনকে খুজে বের কর'। পুলিশ ধরেই নিয়েছে ল্যাংডনই খুনী। ল্যাংডন কী পারবে নিজেকে নির্দোষ প্রমাণ করার পাশাপাশি সত্যের কাছাকাছি পৌছাতে? কিন্তু এ সব কিছুর সাথে চার্চের কী সম্পর্ক?? কিভাবেই বা এর সাথে জড়িয়ে গেছে লিওনার্দো দ্য ভিঞ্চি, মোনালিসা, দ্য লাস্ট সাপার, ভিটুরিভিয়ান ম্যানের মত চিত্রকর্ম??? কোডের ভিতরে কোড, হেয়ালির ভিতরে হেয়ালি, এসবকিছু নিয়ে এ বই এগিয়েছে রেসিংকারের গতিতে। যা পড়তে পড়তে পিপলস ম্যাগাজিনের ভাষায়, পালস বাড়িয়ে আপনার মাথা ঘুরিয়ে দেবে। পাঠপ্রতিক্রিয়া: যদি আপনার তিন গোয়েন্দা পড়ার অভ্যাস থাকে, তবে এ বই পড়তে পড়তে মুসা আমানের মত একটাই কথা বেরিয়ে আসবে,'খাইছে রে, এই তাহলে কাহিনী।' ফিল্ম সমালোচক এবং লেখক Roger Ebert এর রিভিউতে বলেন " আমি প্রত্যেকদিন একটু সময়ের জন্য হলেও দ্য ভিঞ্চি কোড পড়ি, নিজেকে এটা মনে করানোর জন্য, জীবন অনেক ছোট, আর সেখানে দ্য ভিঞ্চি কোডের মত বই একজীবনে সবসময় আসে না।" সত্যি কথা। এই ছোট জীবনে যদি দ্য দ্য ভিঞ্চি কোডের মত বই নাই পড়তে পারলাম, তবে সে জীবনের মুল্য কতটুকু??? ব্যাপক আলোচিত এ বই পড়ার সময় প্রত্যেকবারই মনে হয়, নতুন করে শুরু করছি। এ বইয়ের রেটিং করা দু:সাধ্য হলেও আমার চোখে এর রেটিং 4.5।

      By Supriya dey

      16 Nov 2016 12:22 AM

      Was this review helpful to you?

      or

      #রকমারি_বইপোকা_রিভিউ_প্রতিযোগিতা নাম: ইনফার্নো লেখক: ড্যান ব্রাউন অনুবাদক: মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন প্রকাশনা: বাতিঘর প্রকাশনী মূল্য: ৪৪০৳ ড্যান ব্রাউন, তিনি কি কাহিনীর প্রয়োজনে ইতিহাস কে সংযোজন করেন, না ইতিহাস লিখবেন বলেই কাহিনী রচনা করেন, তা প্রায়সময় বুঝা যায় না। ইনফার্নোতেও ঘটেনি এর ব্যতিক্রম। ইনফার্নোর পাতায় পাতায় ইতিহাস, লুকায়িত কোড ফুটে উঠায় 'New York Times একে উল্লেখ করে jampacked with tricks' হিসাবে, যার শিরোনাম ছিল On a Scavenger Hunt to Save Most Humans ‘Inferno' । এই উপন্যাসে এসেছে বিখ্যাত দুইটা রাজ্যের নাম। ইসলামিক বিশ্বে খ্রিষ্ঠান কোড' বাক্যের মাধ্যমে দুইটা প্রাচীন ধর্মকে কিছুটা একতাবদ্ধ করেছেন ড্যান ব্রাউন। ড্যান ব্রাউনের দ্য ভিঞ্চি কোড বা লস্ট সিম্বল যেভাবে চরিত্র ল্যাংডন আর ইতিহাসের সাথে সম্পৃক্ত, সেখানে তার ইনফার্নো ইতিহাসের সাথে সাথে সংস্কৃতি আর মানবসমাজের মুল যে বাস্তব সমস্যা সে সমস্যার সাথে গভীরভাবে সম্পর্কযুক্ত। আর এখানেই এ উপন্যাসের মুল ব্যতিক্রমধর্মিতা পরিলক্ষিত হয়, এখানেই উপন্যাসের মুল টুইস্ট। ড্যান ব্রাউন এ উপন্যাস লিখার সময় যে ব্যাপকভাবে সিরিয়াস ছিলেন তা দেখা যায় দান্তের(একজন প্রাচীন মনীষি, তিনিও এ উপন্যাসের সাথে পরোক্ষভাবে সংযুক্ত) বিখ্যাত উক্তিকে উল্লেখ করার মাধ্যমে, "যারা ক্রাইসিসের সময় ভালো এবং মন্দের মধ্যে নিরপেক্ষতা বজায় রাখে, নরকে তাদের জন্য বরাদ্দ রয়েছে সবচেয়ে খারাপ স্থান" পুরো উপন্যাসই এ ধরনের অজস্র উক্তি দিয়ে সমৃদ্ধ। সারসংক্ষেপ: এক রাতে প্রধান চরিত্র ল্যাংডন ঘুম থেকে জেগে উঠে দেখে সে ফ্লোরেন্সের হাসপাতালে। কিন্তু কিভাবেই বা নিজ দেশ আমেরিকা থেকে তিনি এসে পৌছালেন ফ্লোরেন্সে? মাথায় কেন তার অসহ্য ব্যাথা? বিগত দুইদিনের স্মৃতি কেন তিনি মনে করতে পারছেন না? মাথার মধ্যে কে তাকে বলছে,"খুজলেই পাবেন"। এই অবস্থার মধ্যেই হাসপাতালে তার উপর হামলা হয়। এ পরিস্থিতি থেকে মুক্তি পেতে ল্যাংডন ফোন করল তার এম্বাসিকে। কিন্তু তারাও তাকে মারার জন্য খুনীকে ই পাঠায়। এ অবস্থায় ল্যাঙডনের মাথায় আকাশ ভেঙে পড়ে। কালক্রমে সে জানতে পারে, প্লেগ ভাইরাসের ন্যায় এমন একটি ভাইরাস পৃথিবীতে তৈরী হতে চলেছে যা পৃথিবীর সাত বিলিয়ন মানুষ থেকে ৪ বিলিয়ন মানুষে নিয়ে আসবে। পরিস্থিতির ভয়াবহতা উপলব্ধি করে ল্যাঙডন একে থামাতে চায়। কিন্তু ল্যাংডন কী আদৌ পারবে একজন জেনেটিক্স ইঞ্জিনিয়ার এর সাথে? যে ইঞ্জিনিয়ার একবছর ধরে প্রস্তুতি নিচ্ছেন। ল্যাঙডনকে যেভাবে প্রত্যেক উপন্যাসে কিছুটা হলেও প্রতারিত হতে হয়, এখানেও কী তাকে সেভাবে কিছুটা প্রতারিত হতে হবে??? নাকি ল্যাংডন পুরো উপন্যাস জুড়েই প্রতারণার স্বীকার হবেন??? এসব কিছুর উত্তর লুকিয়ে রয়েছে এক রাতের কাহিনী সংবলিত টান টান উত্তেজনাকর এই বই তে। ইনফার্নোর বিরাট কাটতি সত্ত্বেও এটা নিয়ে আছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া। নিউ ইওর্ক টাইমস, ডেইলী নিউজ এর পক্ষে লিখলেও বিভিন্ন সমালোচকরা এর তীব্র সমালোচনা করতে পিছপা হননি। ইণ্ডিপেন্ডেন্ট এর ভাষায় Brown's fusion of gothic hyperbole with a pedant's tour-guide deliberately restrains the imagination through its awkward awfulness." আবার দ্য গার্ডিয়ান পত্রিকা একে 'ষড়যন্ত্রমুলক জগাখিচুড়ি' উল্লেখ করে। তার আরো যুক্ত করে,"Writing for The Guardian, Peter Conrad dismissed the book's content as "conspiratorial farrago" and further elaborated: "Inferno is also dreadful, abounding in malapropisms and solecisms, leaden restatements of the obvious and naive disinformation about the reality outside the bat-thronged belfry that is Brown's head"। তবে দ্য এক্সপ্রেস ট্রিবিউন এর মতে; "ঘটনা যাই হোক, ব্রাউনের লেখা পাঠককে সুপার গ্লুয়ের মত আটকে রাখে। যার ফলে পাঠকের কখনোই এক ঘেয়েমিতা তৈরী হয় না"। কিন্তু সত্যি কী এই উপন্যাস জুড়ে রয়েছে ছোট্ট সমস্যাকে বড় করে দেখার জন্য অতিশয় উক্তি?? নাকি ওয়াশিংটন পোষ্টের -"এবার কোনো গুপ্ত ইতিহাস নয়, নিকট ভবিষ্যতে হয়ত অপেক্ষা করছে গা শিউরে উঠার মত দুর্যোগ, যার ব্যাপারে আমরা বালিতে মুখ গুজে রয়েছি" এই আশঙ্কাই সত্যি? পাঠ প্রতিক্রিয়াঃ ইনফার্নোকে ব্যাপকভাবে ভাবলে হুমায়ুনের উপন্যাসের সাথে সাদৃশ্য পাওয়া যায়। হুমায়ুনের অসংখ্য উপন্যাসে যেমন শেষ থাকে না, পাঠক কেই কল্পনা করে নিতে হয়, কী ঘটতে পারে এর পরে, একইভাবে ইনফার্নো পড়ার পরেও মনে হয়, শেষ হয়েও হইল না শেষ। এই উপন্যাস পড়ার পরে পাঠক চাইলে যেভাবেই ইচ্ছে সে ফিনিশিং লাইন তৈরী করতে পারবে। রোমাঞ্চকর এই ক্লাইম্যাক্স নির্ভর উপন্যাস আমার হিসাবে ৪.৫/৫।

      By Kazi Asif

      20 Oct 2016 05:54 PM

      Was this review helpful to you?

      or

      #রিভিউ বইঃ দি দ্য ভিঞ্চি কোড লেখকঃ ড্যান ব্রাউন অনুবাদঃ মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন প্রকাশকঃ বাতিঘর প্রকাশনী ধরণঃ থ্রিলার বা রোমাঞ্চোপন্যাস পৃষ্ঠা সংখ্যাঃ ৪৪৭ মূল্যঃ ২৩৮ টাকা (রকমারি) সার-সংক্ষেপঃ দু’হাজার বছরের পুরনো সত্যকে চিরতরে নির্মূল করার জন্যে একই দিনে চারজন বিশিষ্ট ব্যক্তিকে হত্যা করা হয়। সত্যটি জনাজানি হয়ে গেলে হাজার বছরের ইতিহাস লিখতে হবে নতুন ক’রে। সত্যটি লালন ক’রে আসছে একটি গুপ্ত সংঘ-সেই গুপ্ত সংঘের সদস্য ছিলেন আইজ্যাক নিউটন, ভিক্টর হুগো, বত্তিচেল্লি আর লিওনার্দো দা ভিঞ্চির মতো ব্যক্তি। ওদিকে উগ্র ক্যাথলিক সংগঠন ওপাস দাই সেই সত্যকে চিরতরে নির্মূল করার আগেই গুপ্তসংঘের গ্র্যান্ডমাস্টার তার ঘনিষ্ঠ একজনের কাছে হস্তান্তর ক’রে দেয় আর ঘটনাচক্রে এরকম একটি মারাত্মক মিশনে জড়িয়ে পড়ে হারভার্ডের সিম্বোলজিস্টের এক প্রফেসর। পাঠ-প্রতিক্রিয়াঃ যিশুখ্রীস্ট। (আনুমানিক খ্রিস্টপূর্ব ৪ অব্দ – আনুমানিক ৩০ খ্রিস্টাব্দ) ছিলেন একজন ইহুদি ধর্মপ্রচারক, যিনি খ্রিস্টধর্মের কেন্দ্রীয় ব্যক্তিত্বে পরিণত হন। কুমারি মাতা মেরির কোলে জন্ম নেয়া এই মহাপুরুষকে খ্রীস্টধর্মাবলম্বিরা ঈশ্বরের পুত্র হিসেবে দাবী করেন। ২৫শে ডিসেম্বর খ্রীস্টের জন্মদিন তাদের ধর্মীয় গুরুত্তপূর্ণ দিন। ধর্মানুসারে যীশু একজন সমাজ সংষ্কারকও ছিলেন বটে। তার অনেক ভক্ত ছিল। তিনি একেশ্বরবাদের ধর্ম প্রচার করতেন। পরবর্তিতে তৎকালীন সমাজের উগ্রমতবাদীরা তাকে ক্রুশবিদ্ধ করে হত্যা করে। লিওনার্দো দ্য ভিঞ্চি। ইতালীয় রেনেসাঁসের কালজয়ী চিত্রশিল্পী। অবশ্য বহুমুখী প্রতিভাধর লিওনার্দো দা ভিঞ্চির অন্যান্য পরিচয়ও সুবিদিত- ভাস্কর, স্থপতি, সঙ্গীতজ্ঞ, সমরযন্ত্রশিল্পী এবং বিংশ শতাব্দীর বহু বৈজ্ঞানিক আবিষ্কারের নেপথ্য জনক। তাঁর বিখ্যাত শিল্পকর্মগুলোর মধ্যে মোনালিসা, দ্য লাস্ট সাপার অন্যতম। এরমধ্যে মোনালিসার পর এই লাস্ট সাপার ছবিটিকেই লিওনার্দোর সেরা কীর্তি হিসেবে মনে করা হয়। ধারণা করা হয় ১৪৯৫-১৪৯৮ খ্রিস্টাব্দের মধ্যবর্তী সময়ে ছবিটি আঁকা হয়েছিলো। ছবিটিতে মাঝখানে উপবিস্ট যিশুখ্রিস্টকে তাঁর চারপাশে শিষ্যদের নিয়ে শেষ নৈশভোজরত অবস্থায় দেখা যাচ্ছে। যে নৈশভোজের বর্ণনা রয়েছে গস্পেল অব জন’এর ১৩:২১ ছত্রে, যেখানে যিশু বর্ণনা করেন তাঁর বারোজন শিষ্যের মধ্য হতে একজন পরদিনই তাঁর সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করবে। এবার আসি গল্পের কথায়। গল্পের শুরু হয় প্যারিসের লুভর মিউজিয়ামের কিউরেটরের মৃত্যুর মধ্যদিয়ে। বিভৎসভাবে মৃত্যু হয় তার। কিন্তু তার ভেতরেও থেকে যায় রহস্য। অদ্ভুতভাবে একধরণের চিনহ রেখে মৃত্যুবরণ করেন তিনি। তাজ্জব বনে যায় পুলিশ। ঘটনাচক্রে মৃত্যুটির সাথে জড়িয়ে পড়েন হারভার্ড ইউনিভার্সিটির সিম্বলজির প্রসেফর রবার্ট ল্যাংডন। প্রচ্ছন্নভাবে খুনের দায় গিয়ে পড়ে তার উপর। সাহায্য করতে এগিয়ে আসে একজন মহিলা পুলিশ। তারপর শুরু হয় অভিযান। নিজেকে নির্দোষ প্রমাণ করার অভিযান। আস্তে আস্তে কিছু আশ্চর্য সত্যের সম্মুখিত হতে থাকে ল্যাংডন। বেরিয়ে আসে কিছু সত্য যা আগে কেউ জানতো না। চরম এক সড়যন্ত্রের জালে জড়িয়ে পড়ে সে। লেখক ড্যান ব্রাউনের ২য় বই এটি। তার প্রথম বইয়ের নাম এঞ্জেলস অ্যান্ড ডেমন্স। সেটিও এই ল্যাংডনকে নিয়ে লেখা। রবার্ট ল্যাংডনকে নিয়ে লেখক এখন পর্যন্ত ৪টি বই লিখেছেন। কিন্তু তার মধ্যে সবচেয়ে বেশী সফলতা পেয়েছে দ্য ভিঞ্চি কোড। ইতিহাস, পুরান, শিল্প, সব মিলিয়ে পুরো প্যাকাজের মত করে লিখেছেন লেখক। এমনকি তিনি গল্পে এমনকিছু ব্যাপার তুলে ধরেছিলেন, যে স্বয়ং পোপ ‘ফতোয়া’ জারি করেছন, সত্যিকারের ক্যাথলিক হলে এ বই যেনো কেউ না পড়ে। এখন বলি অনুবাদের দিকটা। দ্য ভিঞ্চি কোড বইটির এখন পর্যন্ত উল্লেখযোগ্য ৩টি বাংলা অনুবাদ রয়েছে। তার ভেতর সর্বপ্রথমটি করেন বাতিঘর প্রকাশনীর কর্ণধার, লেখক, অনুবাদক “মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন। বইটি বের হয় ২০০৫ সালের আগস্ট মাসে। আমার জানামতে এটি তাঁর করা প্রথম অনুবাদগ্রন্থ। তাই প্রথম বই হিসেবে একেবারে খারাপ হয়নি বইটি। ভাষা বেশ সাবলিল ছিল। তবে উপস্থাপণ ও বানানে ভুল ছিল প্রচুর। পরবর্তিতে অন্যান্য সংস্করণে বানানের দূর্বলতাটা কিছুটা কাটানো হয়েছে। কিন্তু এতকিছুর ভেতরেও ভিঞ্চি কোডের অনুবাদ্গুলোর মধ্যে এটিই সবথেকে বেশি পাঠক প্রিয়তা পেয়ে আসছে! উল্লেখ্য যে, ভিঞ্চি কোডের আরো একজন অনুবাদক আছেন। তিনি হচ্ছেন শেখ আবদুল হাকিম। যারা সেবা প্রকাশনীর বই নিয়মিত পড়েছেন বা পড়েন তাদের কাছে এটি অনেক সুপরিচিত নাম। এই ভদ্রলোকের অনুবাদ বেশ ভালো। এমনকি নাজিম সাহেবের থেকেও। তবে তার বইয়ের প্রচারণা কম ও দাম বেশি হওয়ায়, অনেকেই পড়তে পারেন না। ২০০৬ সালে এই বইটি অবলম্বনে হলিউডে মুভি তৈরী হয়। রবার্ট ল্যাংডনের চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন খ্যাতনামা অভিনেতা টম হ্যাংকস। ছবিটা সেই বছর অন্যতম ব্যবসাসফল ছবিতে পরিণত হয়। কিন্তু পাঠকগণ, দয়া করে সিনেমার কথা শুনে বইটি পড়া থেকে বিরত থাকবেন না। কারণ বইটি না পড়লে সিনেমার অর্ধেকই বুঝবেন না কিংবা কাহিনীর পরিপূর্ণ মজাটা পাবেন না!  বইয়ের বাহ্যিক দিকের কথা আর কি বলবো... প্রচ্ছদ, কাগজের মান, বাঁধাই, কভার সব কিছুই বেশ সুন্দর ও আকর্ষনীয়। দামও সাধ্যের ভেতর। সবশেষে এটাই বলবো, যারা এখনো পড়েন নি বইটি, পড়ে ফেলুন। ভালো লাগবে। আর হ্যাঁ! আপনারা সবাই হয়ত লক্ষ্য করেছেন, আমি রিভিউ এর প্রথমে যিশু আর লিওনার্দো ভিঞ্চির লাস্ট সাপার নিয়ে একটু জ্ঞান দিয়েছি। ওটা কেন দিলাম? বইটা পড়েন, বুঝতে পারবেন!  রেটিংঃ ৪/৫

      By SHAWON (shuvanu)

      27 Jun 2016 12:50 AM

      Was this review helpful to you?

      or

      তথ্যবহুল রোমাঞ্চ উপন্যাস। ড্যান ব্রাউন এমন একজন লেখক যিনি কিনা পাঠককে বোকা বানিয়ে ঘোরের মধ্যে রাখতে পছন্দ করেন। কিন্তু হ্যাঁ তাকে ভুল ভাববেন না!!! তিনি এটা আনন্দ দেবার জন্যই করে থাকেন। অনুবাদ ভাল হয়েছে।

      By Ibrahim Hasnat

      01 Jun 2016 11:04 PM

      Was this review helpful to you?

      or

      অসাধারণ এক কথায় ।

      By Wasifa Zannat

      30 May 2016 11:46 PM

      Was this review helpful to you?

      or

      বইটির কাহিনী আবর্তিত হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের দুই প্রধান রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব সিনেটর সেজউইক স্যাক্সটন ও প্রেসিডেন্ট যাক হার্নি, নাসা এবং NRO কে নিয়ে। স্যাক্সটন নির্বাচনী প্রচারণায় এবং রাজনীতি বিশ্লেষকদের দৃষ্টিতে এগিয়ে আছে যেখানে কোন রহস্যময় কারণে প্রেসিডেন্ট অন্য কোন ব্যাপার নিয়ে ব্যস্ত এবং কাউকে দেখা দিচ্ছেন না। সিনেটর স্যাক্সটনের একমাত্র মেয়ে র‌্যাচেল স্যাক্সটন কাজ করে NRO (national Reconnaissance Office) তে ইন্টেলিজেন্স লিয়জো হিসেবে। NRO ডিরেক্টর উইলিয়াম পিকারিং র‌্যাচেল কে তার অফিসে ডেকে জানালেন, প্রেসিডেন্ট র‌্যাচেলের সাথে একটা ব্যক্তিগত সাক্ষাতকারে আগ্রহী। এখনই। প্রেসিডেন্ট তার জন্য হেলিকপ্টার পাঠিয়েছেন। পিকারিং ধারণা করেন প্রেসিডেন্ট কোন রাজনৈতিক উদ্দেশ্য পূরণের জন্য তার প্রধান রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের মেয়েকে ব্যবহার করতে পারেন। এদিকে সিনেটর স্যাক্সটনের সাথে মেয়ে র‌্যাচেলের সম্পর্ক মোটেই ভাল নয়। সিনেটর স্যাক্সটন র‌্যাচেলকে বোঝাতে চেষ্টা করেছিলেন যে র‌্যাচেলের উচিৎ NRO র কাজ ছেড়ে দিয়ে তার নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নেয়া। র‌্যাচেল দৃঢ়ভাবে তা প্রত্যাখ্যান করে। এখানে স্যাক্সটন ও হার্নির কিছু চারিত্রিক ও রাজনৈতিক বৈশিষ্ট্য ও দৃষ্টিভঙ্গি উল্লেখ্য। স্যাক্সটন বহুগামী, সুপুরুষ। তার নির্বাচনী প্রচারণার প্রধান টার্গেট নাসা। সিনেটর নাসার বরাদ্দ কমিয়ে তা শিক্ষাখাতে দেওয়ার পক্ষপাতী। নাসার সাম্প্রতিক কিছু ব্যর্থতায় জনগণকেও স্যাক্সটন এটা বুঝাতে সমর্থ হন যে যুক্তরাষ্ট্রের মানুষের মৌলিক অধিকার রক্ষায় যে বাজেট ব্যয় করা উচিৎ তা প্রেসিডেন্ট মহাকাশের আবর্জনা কেনার জন্য ব্যয় করছেন। বর্তমান সমীক্ষা অনুযায়ী স্যাক্সটনের এই থিওরি প্রেসেডেন্টের চেয়ে তাকে এগিয়ে রেখেছে। এই থিওরি স্যাক্সটনকে দিয়েছে তার প্রধান নির্বাচনী পরামর্শক সুন্দরী গ্যাব্রিয়েলে অ্যাশে, যার সাথেও সিনেটর এক রাতের রোমান্স করেছেন। অপর পক্ষে প্রেসিডেন্ট পুরোপুরি তার বিপরীত। মার্জিত ভদ্রলোক। যাক হার্নি সম্পর্কে এটা বলা হয়ে থাকে যে প্রেসিডেন্টের সাথে একবার কথা বলেছে সে তার জন্য নরকের দরজা পর্যন্ত যেতে রাজি হবে। প্রেসিডেন্ট নাসার অনেক ব্যর্থতার পরেও তাদের কে সমর্থন ও বরাদ্দ দিয়ে যাচ্ছেন। বলাইবাহুল্য এটা তাকে নির্বাচনী প্রচারণায় মোটেও সাহায্য করছে না। প্রেসিডেন্ট র‌্যাচেলেকে নাসার সাম্প্রতিক আবিষ্কারের বিষয়ে অবহিত করেন এবং সেখান থেকে তাকে সরাসরি আর্কটিকে পাঠিয়ে দেন আবিষ্কারের সত্যতা যাচাই করতে। বিস্মিত র‌্যাচেল সেখানে গিয়ে পরিচিত হয় কর্কি মার্লিনসন (আস্ট্রোফিজিসিস্ট)ও মাইক টলান্ড (বায়োলজিস্ট, সায়েন্স সেলিব্রেটি, সাপ্তাহিক ডকুমেন্টারি আমাজিং সী’ র হোস্ট ), ওয়াইলি মিং (জুলজিস্ট), নোরা ম্যাঙ্গর (আইসবার্গ স্পেশালিস্ট) এর সাথে। সেখানে র‌্যাচেল জানতে পারে নাসা একটা ম্যাটেওরাইট আবিষ্কার করেছে যাতে ভীনগ্রহের প্রাণের অস্তিত্ব পাওয়া গেছে। র‌্যাচেল ম্যাটেওরাইট দেখে, নিশ্চিত হয় এবং হোয়াইট হাউজের সকল স্টাফকে অবহিত করে নাসার আবিষ্কারের সত্যতা। টলান্ড এটা নিয়ে ডকুমেন্টারি বানায় যেটা প্রেসিডেন্টের ঘোষণার পর প্রচারিত হবে। একটা ডুবোজাহাজে র‌্যাচেলদের খুজে পেয়ে প্রাণ রক্ষা করে। র‌্যাচেল তার বস পিকারিং এর সাথে যোগাযোগ করে সব কথা জানায়। পিকারিং হোয়াইট হাউজে প্রেসিডেন্টের মুখপাত্র মার্জরি টেঞ্চের সাথে কথা বলে। টেঞ্চ র‌্যাচেলের অভিযোগ তার বাবার স্বার্থজ বলে অভিযোগ করে। পিকারিং মানতে রাজি হয় না। টেঞ্চ মার্জরি কে একটা পার্কে মিটিং এর আমন্ত্রণ জানায়। এদিকে পিকারিং র‌্যাচেলের কাছে জানতে চায় তার কাছে নিশ্চিত প্রমাণ আছে কিনা। সামুদ্রিক ডাটা ও নিশ্চিত প্রমাণের জন্য র‌্যাচেলরা টলান্ডের জাহাজে যায়। যেখানে তারা আবারও আক্রান্ত হয়। আগমন ঘটে কাহিনীর নেপথ্য পরিচালনাকারীর। কি হবে এরপর? বইটির লেখক ড্যান ব্রাউন (জুন ২২, ১৯৬৪) একজন মার্কিন রোমাঞ্চকর উপন্যাস লেখক। পৃথিবীব্যাপী আলোড়ন তোলা উপন্যাস দ্য দা ভিঞ্চি কোড রচনার জন্য তিনি সবচেয়ে পরিচিত যা ২০০৩ সালে প্রকাশিত এবং সর্বাধিক বিক্রী হওয়া উপন্যাস।

      By Laila Mollika

      28 May 2016 03:54 PM

      Was this review helpful to you?

      or

      অসাধারণ একটা বই,

      By murad

      10 May 2016 03:21 PM

      Was this review helpful to you?

      or

      বইটার কাহিনী শুরু হয়েছে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের সময় কালে । সামনেই প্রেসিডেন্ট নির্বাচন । সেনেটর সেজউইক সেক্সটন এবার নির্বাচনের জন্য শক্ত প্রতিদন্দী । আরো ভাল করে বলা চলে তিনি অনেকটাই এবার প্রেসিডেন্ট হার্নিকে পেছনে ফেলে দিবেন এটাই আশা করা হচ্ছে । কিন্তু এতো কিছুর পরেই প্রেসিডেন্ট চুপ করে আসেন । তিনি একটা আসল ধাক্কা মারার জন্য অপেক্ষা করছেন । সেনেটর সেক্সটনের এবার নির্বাচনের প্রধান ইস্যু হচ্ছে নাসা । তার বক্তব্য মতে নাসা একটা ব্যর্থ প্রতিষ্ঠান । তার পেছনে জনগনের টক্সের টাকা নষ্ট করার কোন মানে নেই । অন্য দিকে প্রেসিডেন্ট হার্নি আছেন নাসার পক্ষে । যখন নাসা বিরোধী আন্দোলন একেবারে তুঙ্গে তখনই সানা একটা চমৎকার আবিস্কার করে ফেলে । স্পেস থেকে পতিত হওয়া প্রায় মিলিয়ন বছর পুরানো একটা উল্কা পিন্ড আবিষ্কার করে ফেলে । এবং এর থেকেও বড় কথা হচ্ছে সেই উল্কা পিন্ডের ভেতরে পাওয়া যায় কিছু ভিন দেশী কিছু প্রাণীর ফসিল । এটো আবিস্কারের ফলে নাসার নামে যে ব্যর্থতার কলংক লেগেছিল সেটা মুছে যাবে মুহুর্তেই সেই সাথে সেনেটর সেক্সটনের প্রচারনের মূল ইস্যুটাই মুখ থুবড়ে পড়বে । কিন্তু প্রেসিডেন্ট হার্নি কোন ঝুকি নিতে চান না । নাসার আবিস্কারের উপরে যাতে কেউ কেউ সন্দেহ করতে না পারে সেই জন্য কয়েজন বিখ্যাত সিভিলিয়ান বিজ্ঞানীদেরকে নিয়োগ করে এসব ভাল করে পরীক্ষা করার জন্য । এর ভেতরে আবার একজন আছে যে কি না সেনেটর সেক্সটনের নিজের মেয়ে র্যা চেল সেক্সটন যে কিনা আবার গভারমেন্ট হাই অফিশিয়াল এন আর ওতে কর্মরত । প্রেসিডেন্টের ভাষ্য মতে যে এই সকল সিভিলিয়ান বিজ্ঞানী, বিজ্ঞান বিষয়ক জনপ্রিয় উপস্থাপক এবং স্বয়ং সেক্সটনের কন্যা যখন এই উল্কার ব্যাপারে সার্টিফিকেট দিবে তখন আর কারও কিছু বলার থাকবে । তাদের সবাইকে খুব গোপনে নিয়ে যাওয়া হয় এন্টার্কটিকাতে । সেখানে সবার সামনে সেই বড় উল্কা পিন্ডটা উত্তোলন করা হয় । কিন্তু ঝামেলা বেধে যায় অন্য যায়গায় । কিছু ধরা পরে একজন সিভিলিয়ান বিজ্ঞানীর চোখে । তারপর আস্তে আস্তে সব কিছু সামনে আসতে থাকে । কারো আর বুঝতে বাকী থাকে না আসলে যেমন টা ভাবা হচ্ছিলো ব্যাপার টা সেরকম নয় । এর ভেতরে কোন গভীর ষড়যন্ত্র রয়েছে । যদিও বলবো যে কাহিনী টা ড্যান ব্রাউনের আগের ভিঞ্চি কোন কিংবা এঞ্জেলস এন্ড ডিমোনসের মত না তবুও বইটা পড়ে আমি বেশ মজা পেয়েছি । সময়টা ভাল গেছে আশা করি আপনাদেরও ভাল লাগবে !

      By Parvez Alam

      06 May 2016 10:41 PM

      Was this review helpful to you?

      or

      এই বই যদি না পরে থাকেন তাহলে বলব এখনি কিনে পরে না পরলে বুঝতে পারবেন না কি না পরে বসে আছেন

    • Was this review helpful to you?

      or

      অসাধারন একটা বই

      By Farzana Sultana

      28 Mar 2016 03:19 PM

      Was this review helpful to you?

      or

      ড্যান ব্রাউনের অসাধারণ গল্প- কিন্তু অনুবাদকের বিচ্ছিরি অনুবাদ। এই অনুবাদকের অ্ন্যান্য ব্ই পড়ার আগে দ্বিতীয়বার চিন্তা করার পরামর্শ দিচ্ছি।

      By prodipto saha

      05 Mar 2016 11:28 AM

      Was this review helpful to you?

      or

      অসাধারন !!!!! অনুবাদটাও জোস!! এবং মন্ত্রমুগ্ধের মত বইটা পড়ার পর অনুধাবন করলাম যে বইটার সম্পর্কে সকল প্রসংশা যথার্ত!!

      By Suprokash Shill

      26 Sep 2013 11:47 AM

      Was this review helpful to you?

      or

      There is nothing new to describe the writings about Dan Brown. He is a genius in one word. Like all other 4 books, 'The Lost Symbol' is also awesome. You can not move anywhere without finishing the book, if you already start reading it.

      By Mohammad Mamunur Rashid

      22 Dec 2013 02:03 PM

      Was this review helpful to you?

      or

      May be it is the best book of Dan Brown. Amazing

      By Naim Chowdhury

      10 Dec 2013 04:25 AM

      Was this review helpful to you?

      or

      এটিই সেই বিখ্যাত বই যা পুরা বিশ্বকে একটি নাড়া দিয়েছে। ড্যান ব্রাউনের সবচাইতে সেরা কির্তী এটি কিনা তা জানার জন্য তার সকল বইগুলোই আপনার পড়তে হবে। পরে দেখুন আপনার জগতটাকেও একটি নাড়া দেয় নাকি।

      By Arup Debnath

      19 Nov 2013 12:02 AM

      Was this review helpful to you?

      or

      ড্যান ব্রাউনের লেখা আর নাজিম উদ্দিনের অনুবাদ পড়ে পুলকিত। বাতিঘর প্রকাশনীর কল্যান কামনা করি।

      By Suprokash Shill

      26 Sep 2013 11:59 AM

      Was this review helpful to you?

      or

      Just want to say, I fall in love with Dan Brown's writings after reading this book and may be that is why I have all the books written by Dan Brown in my library. Vinchi Code is the ever best thriller with the symbology to me.

      By meghbrishtee

      27 Jul 2013 01:55 PM

      Was this review helpful to you?

      or

      Dan brown proved once again he is the best thriller writer!

      By meghbrishtee

      27 Jul 2013 01:45 PM

      Was this review helpful to you?

      or

      The best thriller i have ever read.

      By Adnan Rahman Chowdhury

      30 Oct 2015 11:08 AM

      Was this review helpful to you?

      or

      ড্যান ব্রাউন সম্পর্কে নতুন করে কিছু বলার নেই - কাহিনী আর থ্রিলটা অসাধারণ। সমস্যা হল বইটির অনুবাদ নিয়ে। বইটি বানান আর ব্যাকরণগত ভুলে ভর্তি। তাছাড়াও বইটির ২, ৩ আর ৪ নাম্বার চাপ্টারগুলো নেই। আমি এটা দেখে রকমারিকে ফোন করে বলেছিলাম আমাকে ভাল একটা কপি পাঠাতে। রকমারি সাধ্যমত চেষ্টা করে। কিন্তু বাতিঘর প্রকাশনীর কাছে কিংবা অন্য কোন প্রকাশনীর কাছেও এটার আর কোন মুদ্রণ নেই। বাধ্য হয়ে এটাই পড়ি। রেটিং আমি ড্যান ব্রাউন কিংবা গল্পটাকে দেইনি। দিয়েছি বাতিঘর প্রকাশনীকে।

    • Was this review helpful to you?

      or

      হার্ভার্ড প্রফেসর রবার্ট ল্যাংডন জ্ঞান ফিরে পেয়ে নিজেকে বাড়ি থেকে হাজার মাইল দূরে ইতালির ফ্লোরেন্সে আবিষ্কার করে। কীভাবে সে পৌঁছুল ওখানে, কোনো ধারণাই নেই তার; ডাক্তাররা তাকে জানায় সাময়িক এমনেশিয়ায় আক্রান্ত হয়েছে সে। গত কয়েকদিনের কোনো ঘটনাই তার মনে নেই। বিভ্রান্তি চরমে পৌঁছে যখন ল্যাংডন দেখতে পায়, হাসপাতালে তাকে মারতে গুলি চালায় এক নারী আততায়ী। কর্মরত ডাক্তার সিয়েনা ব্রুকসের সাহায্যে প্রথম বিপদটা কাটিয়ে উঠতে পারলেও তার জ্যাকেটে পাওয়া বায়োহ্যাজার্ডের চিহ্নযুক্ত অদ্ভুত সিলিন্ডার প্রশ্নবোধক চিহ্ন হয়ে দাঁড়ায় তার সামনে, এর মধ্যে থেকে বেরিয়ে আসে এক প্রজেক্টর যাতে দেখা মেলে বিখ্যাত চিত্রশিল্পী বত্তিচেল্লির চিত্রকর্ম। আরো কিছু ঘটনার সম্মুখীন হয়ে ল্যাংডন বুঝতে পারে, সমস্ত রহস্যের চাবিকাঠি আছে ইতালির মধ্যযুগীয় কবি দান্তে অলিঘিয়েরির কাছে। সিয়েনাকে নিয়ে ফ্লোরেন্স জুড়ে ছুটে বেড়ায় রহস্যের কিনারা করার আশায়। কিন্তু তাদের পিছনে পড়ে আছে এক আততায়ী এবং অজানা এক সংস্থা। ধীরে ধীরে জানতে পারে সমস্ত ঘটনার পেছনে হাত আছে উন্মাদ কিন্তু মেধাবী বিজ্ঞানী বার্ট্রান্ড জোবরিস্ট, যিনি পৃথিবীর জনসংখ্যা বৃদ্ধি রোধ করতে অভিনব এবং নৃশংস পথ বাতলে দিয়েছিলেন। ল্যাংডন বুঝতে পারে, মানবজাতির অস্তিত্ব হুমকির মুখে আছে, যদি না আত্মহত্যার পূর্বে জোবরিস্টের রেখে যাওয়া ভিডিও এবং ক্লু থেকে আসল রহস্য উদ্ধার করতে পারে। শুরু হয় ধাওয়া,পাল্টা-ধাওয়ার এক ইঁদুর দৌড়। একে একে সেই দৌড়ে যুক্ত হয় রাঘব বোয়ালেরা। ইউরোপে-এশিয়ার তিন শহর জুড়ে ল্যাংডনের সেই রোমাঞ্চকর যাত্রার বর্ণনা মিলবে ড্যান ব্রাউনের সর্বশেষ উপন্যাস ‘ইনফার্নো’তে। ড্যান ব্রাউনের সৃষ্ট ‘রবার্ট ল্যাংডন সিরিজ’ এর চতুর্থ থ্রিলার ‘ইনফার্নো’। ২০১৩ সালে বিশ্বব্যাপী প্রকাশিত এই উপন্যাসটির বাংলায় অনুবাদ করেছেন মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন; প্রকাশিত হয় একই বছরেই। অনুমান করতে পারি, প্রতিযোগীদের আগেই অনুবাদটি বাজারে আনতে গিয়ে অনুবাদককে বেশ তাড়াহুড়োয় কাজ করতে হয়েছে যার প্রমাণ বইয়ের অনেক জায়গাতেই মেলে। কিন্তু এ কথা অস্বীকার করার উপায় নেই যে, ড্যান ব্রাউনের বইয়ের অনুবাদে মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন যে পারদর্শিতা অর্জন করেছেন তার মান দেশের অন্যান্য থ্রিলার অনুবাদকের চেয়ে বেশ উপরে। বাংলা অনুবাদে অনেকগুলো মুদ্রণ-প্রমাদ চোখে পড়ে, যা আমাদের প্রকাশনীগুলোর সম্পাদনার পেছনে নজর না দেয়ার প্রবণতাকেই স্পষ্ট করে তোলে। ড্যান ব্রাউনের আগমন থ্রিলারের জগতে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে এক যুগ আগেই। তিনি ধর্ম, সাহিত্য, আর্ট, স্থাপত্য, গুপ্ত সংঘ, আধুনিক প্রযুক্তি, সিম্বলজি প্রভৃতি মিশেলে এক ভিন্ন জনরার থ্রিলার প্রবর্তন করেছেন যা পাঠক আগে কখনো পড়েন নি। তাঁর বইয়ের বিপুল সাফল্যের পেছনে কয়েকটি ফ্যাক্টর কাজ করেছে। প্রথমত, ড্যান ব্রাউনের সেই অমূল্য মেধা এবং লেখনী শক্তি আছে যা দিয়ে তিনি পাঠককে তাঁর বইয়ের সাথে সুপার গ্লুয়ের মতো আটকে রাখতে পারেন। আপনার মনে হতে পারে, বইয়ের গল্পটা অবিশ্বাস্য, প্লটটা অদ্ভুত, কিন্তু আপনি একবার তাঁর থ্রিলার পড়া শুরু করার পর মাঝপথে নামিয়ে রাখতে পারবেন না; শেষটা জানার জন্য আপনি পড়ে যেতে একপ্রকার বাধ্য। ‘ইনফার্নো’ পড়ার সময় কিছু কিছু জায়গায় আমার মনে হয়েছে, লেখক অতিরিক্ত ড্রামা এবং অবিশ্বাস্য পলায়নের বর্ণনা দিচ্ছেন। কিন্তু পড়া থামিয়ে দেয়ার কোনো সুযোগই পাই নি আমি; কারণ কাহিনী এগিয়ে গেছে রকেটের গতিতে, আর রকেটে সওয়ার হওয়ার পর তা থেকে নামার উপায় নেই যদি না রকেট নিজে থেকেই থেমে যায়। দ্বিতীয়ত, ড্যান ব্রাউন তাঁর থ্রিলারের স্থানগুলোর বর্ণনা এমনভাবে দেন যে, অভিভূত হয়ে যেতে হয়। তাঁর বর্ণনা পড়ে পাঠকের কাছে স্পষ্ট হয়ে যায় যে তিনি প্লট তৈরি করার জন্য অসম্ভব গবেষণা এবং পরিশ্রম করেছেন। ব্রাউন সাধারণত তাঁর পাত্র-পাত্রীকে ঐতিহাসিক স্থানগুলো পাঠিয়ে দেন। ওইসব ঐতিহাসিক স্থানের পুঙ্খানুপুঙ্খ বর্ণনা এমনভাবে চোখে সামনে তুলে ধরেন যে পাঠকের মনে হয়-সেও ওই অবিশ্বাস্য যাত্রার একটি অংশ। ‘ইনফার্নো’তে ইতালির দু’টি এবং ইউরোপ-এশিয়ার সীমান্তে পড়া আরেকটি শহরে ল্যাংডন ও তার সহযাত্রীদের ইঁদুর দৌড়ে বারবারই সামনে চলে এসেছে নানা স্থাপত্য এবং শিল্পকলার নিদর্শন। আর ব্রাউন তাঁর দারুণ বর্ণনায় পাঠককে হতাশ করেন নি। তৃতীয়ত, ব্রাউন তাঁর বইয়ের মাধ্যমে বিতর্ক উস্কে দিতে ভালোবাসেন। এটি তাঁর থ্রিলারগুলোর অর্থনৈতিকভাবে সফল হবার পেছনে একটি বড়ো কারণও বটে। রবার্ট ল্যাংডন সিরিজের প্রথম বই- ‘এঞ্জেলস এন্ড ডেমনস’এর মাধ্যমে ভ্যাটিকানকে চটিয়েছেন, ‘দ্য ডা ভিঞ্চি কোড’ দিয়ে পুরো খ্রিস্টান সম্প্রদায়কেই উত্তপ্ত করে তুলেছিলেন, ‘দ্য লস্ট সিম্বল’ এর মাধ্যমে বড়ো বিতর্কে সূত্রপাত না হলেও আমেরিকার প্রভাবশালী মহলে প্রাচীন গুপ্তসংঘের উপস্থিতি মৃদু গুঞ্জন তুলেছিল। নতুন উপন্যাস ‘ইনফার্নো’তে বিতর্কের জায়গাটা অবশ্য একেবারেই ভিন্ন দিকে। বিজ্ঞানের নৈতিকতার ক্ষেত্র নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন ব্রাউন। বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা এবং নির্মম সিদ্ধান্ত গ্রহণের পেছনে নৈতিকতার ক্ষেত্রটি কতোটুকু প্রসারিত তা নিয়ে ইতোমধ্যেই পুরো পৃথিবীর বিজ্ঞানের জগতে মৃদু আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ে এথিকসের ক্লাসে জমজমাট বিতর্কের সূচনা করে দিতে পারে ‘ইনফার্নো’। ‘ইনফার্নো’ শুরু থেকে রহস্যের চাদরে মোড়া, যখন আমরা দেখতে পারি গল্পের নায়ক বিগত কিছুদিনের স্মৃতিশক্তি হারিয়ে বসেছে এবং তার পেছনে লেগেছে এক আততায়ী। ব্রাউন তাঁর অন্য উপন্যাস-গুলোয় শুরু থেকেই রহস্যের সূচনা করেন না, ধীরে ধীরে পুরো রহস্য সামনে নিয়ে আসেন। কিন্তু ‘ইনফার্নো’য় পাঠক যেন শুরু থেকে এক রোলার কোস্টার রাইডের মজা পেতে থাকেন। তবে কিছু দুর্বলতা এবং কিছু অদ্ভুত দিক এই থ্রিলারকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে। যেমন- উপন্যাসের শুরু থেকেই মনে হয়েছে ব্রাউন তাঁর উপন্যাসের হলিউডি রূপান্তরের কথা মাথায় রেখেই উপন্যাস লিখতে বসেছেন। একটি টিপিক্যাল হলিউডি চলচ্চিত্রের সাফল্যের জন্য যা যা চাই, তার সবই ভরে দেয়া হয়েছে ‘ইনফার্নো’তে। চলচ্চিত্র প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান এতে দারুণ খুশি হবে- তাতে কোনো সন্দেহ নেই। কিন্তু প্রকৃত থ্রিলার পাঠকেরা এতে মনক্ষুণ্ন হয়েছেন। ইউরোপ-এশিয়া জুড়ে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ শহরের মনোমুগ্ধকর এবং ঐতিহাসিক স্থানগুলোয় ছুটে বেড়িয়েছে রবার্ট ল্যাংডন। সিনেমার পর্দায় লোকেশনগুলো বেশ ভালোই দেখাবে- এমন চিন্তা থেকেই কি ব্রাউন এই স্থানগুলোকে বেছে নিয়েছেন? এ প্রশ্নের উত্তর শুধু তিনিই দিতে পারবেন। একটি ক্ষেত্রে ড্যান ব্রাউন নিজেকে ছাড়িয়ে গেছেন এই উপন্যাসে। তাঁর বাকি থ্রিলার-গুলোয় মানবসভ্যতার যে ক্রাইসিস দেখানো হতো, তা অনেক ক্ষেত্রেই ছিল অবাস্তব; অনেক সমালোচকদের মতে হাস্যকর। কিন্তু এই উপন্যাসে এমন এক সমস্যার সাথে লেখককে যুঝতে হয়েছে যা আমাদের চোখের সামনেই বড়ো মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। পৃথিবীর ক্রম-বর্ধনশীল জনসংখ্যার হ্রাসের জন্য যে বৈপ্লবিক কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা জরুরী হয়ে পড়েছে- তা এই উপন্যাসের মধ্যে জানাতে চেয়েছেন ড্যান ব্রাউন। ড্যান ব্রাউনের থ্রিলার নিয়ে সমালোচকদের মধ্যে নানা ধরনের বিতর্ক আছে; কোনো কোনটি সঠিকও বটে। তবে পৃথিবীর তাবৎ থ্রিলার-প্রেমীকে নতুন ধরনের থ্রিলারের নেশায় ডুবিয়ে দেয়া ব্রাউন সম্ভবত সেই সমালোচনায় খুব একটা ভাবিত নন। তিনি তাঁর মতো করেই একের পর এক লিখে যাচ্ছেন থ্রিলার এবং মানুষের কাছে তা দারুণভাবে সমাদৃত হচ্ছে। একজন থ্রিলার লেখক তাঁর লেখা থেকে এর চেয়ে বেশি আর কী চায়!

      By Sabbir Ahmed

      24 Oct 2013 09:59 PM

      Was this review helpful to you?

      or

      This is so far the best book from Dan Brown. The concept is so amazing that i cannot help reading it again and again. :) If you have read the previous books of Dan Brown, i would say, buy it..... B-)

      By Ashek Mahbub Shakil

      14 Jul 2013 03:49 PM

      Was this review helpful to you?

      or

      ইনফার্নোর মাধ্যমে ড্যান ব্রাউন তার অসাধারণত্বকে ছাড়িয়ে গেছেন নিজেই।বিরাট কলেবরের বই,৫২৬ পৃষ্ঠা,পাঠকের মন চাইবে এক বসায় পড়ে শেষ করতে।মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিনের ঝরঝরে অনুবাদে মনেই হয়না এটা সদ্যই প্রকাশিত কোন ইংরেজী সাহিত্যের বঙ্গানুবাদ পড়ছি।বইটার রেটিং করতে গেলে পাঠক একটাই সমস্যায় পড়বেন,প্রচূর মুদ্রণ প্রমাদ।পাঠকের হাতে তাড়াতাড়ি বই পৌঁছাতে গিয়ে এটা ঘটেছে বুঝাই যায়।

      By Jahan-E-Noor

      11 Apr 2013 04:38 PM

      Was this review helpful to you?

      or

      দ্যা ভিঞ্চি কোড' এর বিখ্যাত লেখক ড্যান ব্রাউন আবারো মাত করলেন তার লেটেস্ট বই 'দ্যা লস্ট সিম্বল' দিয়ে। টানা দু'সপ্তাহ নিউইয়র্ক টাইম বেস্ট সেলার (১ নম্বরে), আরো কতদিন থাকবে আল্লাহই জানে। ব্রাউনের প্রতিটা বইই পেজ টার্নার, মানে রুদ্ধশ্বাসে পড়তে হয়। কিন্তু শেষ করার পর মোটামুটি একই অনুভূতি জাগে মনে- ওহ, এই! ধুর!! সোজা বাংলায় শেষটা পাংখা হয়না, বড্ড অর্ডিনারি। লস্ট সিম্বলের ব্যাপারটা আরেক ধাপ এগিয়ে, শুধু অর্ডিনারি বললে কম বলা হয়- বলা উচিত 'যাচ্ছে তাই'। বইয়ের শুরু থেকেই প্রাচীণ গোপন কিছু দলিলপত্র নিয়ে হাউকাউ শুরু হইলো। এইসব দলিল শত শত বছর ধরে নিজেদের মধ্যে সংরক্ষণ করে আসছে 'মেসন' নামের এক ব্রাদারহুড। লিউনার্দো দ্যা ভিঞ্চি থেকে শুরু করে নিউটন, জর্জ ওয়াশিংটন সবাই নাকি এই মেসন গোষ্ঠির সদস্য। ব্রাউন সাহেবের পুরনো রোগ এইটা, দুনিয়ার তাবড় তাবড় যত বৈজ্ঞানিক আছেন সবাইরেই উনি কোন না কোন ব্রাদারহুডের সদস্য বানাইছেন। এরা ইউরোপের বিভিন্ন দেশে থাইকা নিজেদের মধ্যে যোগাযোগ কেমনে রক্ষা করতো? মোবাইল দিয়া? ;) কী জানি, হয়ত ব্রাউন সাহেবের আগামী বইতেই থিউরী বাইর হইবো ঐ সময় খু্ব 'সিক্রেট' ভাবে বিনা তারে কথা বলতেন কোন এক অজানা ব্রাদারহুডের সদস্যরা। তৎকালীন সমস্ত বড় বড় বৈজ্ঞানিক, দার্শনিক, চিত্রকর সবাই এই ব্রাদারহুডের সদস্য আছিলেন। :P যাক সেই কথা, যা কইতেছিলাম। তো এই প্রাচীণ 'সিক্রেট' দলিলপত্র হাতানোর জন্য ওয়ান ম্যান আর্মি নিয়া মাঠে নামে মালাক নামের এক ম্যানিয়াক। তার বিশ্বাস এই দলিল হাতাইতে পারলেই সে 'খোদা' হইয়া যাইবো। আর এই জন্য তার সাহায্য দরকার প্রাচীণ দলিল-দস্তাবেজ, চিহ্ন ইত্যাদি বিশেষজ্ঞ রবার্ট ল্যাংডনের। কিন্তু পুরা বিষয়টা এক সময় আমেরিকার 'ন্যাশনাল সিকিউরিটি ইস্যু'। যেকারণে দৃশ্যপটে আসে মহাক্ষমতাধর সিআইএ এবং অন্যান্য বাহিনী। মালাক একাই বইয়ের শেষ পাতা পর্যন্ত সবাইরে ঘোল খাওয়াইতে থাকে। সাবাশ মালাক!!! সবশেষে প্রাচীণ 'সিক্রেট' এর নামে যা বাইর হয়..............থাক কমুনা, পড়েন নিজেই বাইর করেন। তবে বইটা একটা রিয়েল 'পেজ টার্ণার', শুরু করলে আর থামাথামি নাই।

      By Shayla Jesmin

      14 Mar 2013 02:16 PM

      Was this review helpful to you?

      or

      দারুন বই। যারা সত্যিই নতুন কিছু জানতে চান আর চান সত্যিকারের থ্রিল, এই বই তাদের জন্য। পুনশ্চ : দয়া করে যারা বাংলার নব্য কাঁচা লেখকের অপরিনত বেকুবি ভরা লেখা ভালবাসেন তাদের এই বই ভালো লাগার কোনো কারণ আমি দেখি না। আর দয়া করে ওই সব ভ্যানতারা মার্কা লেখকদের সাথে ড্যান ব্রাউনের তুলনা করে সাহিত্যের অপমান করবেন না।

    • Was this review helpful to you?

      or

      খ্রিষ্ট ধর্মের বিকল্প ইতিহাস নিজের থ্রিলার ‘দ্য ডা ভিঞ্চি কোড’এ উপস্থাপন করা ড্যান ব্রাউন যা লেখেন তার সাথে একমত না হলেও তা ফেলে দেয়া কিংবা উপেক্ষা করা সম্ভব নয়, এমনই তাঁর কলমের জাদু। এক দশকেরও বেশি সময় ধরে যে জাদুতে মজে আছে পুরো বিশ্ব। সাম্প্রতিক সময়ে একমাত্র জে কে রাউলিং ছাড়া আর কোনো উপন্যাসিক বিশ্বজুড়ে এমন আলোড়ন তুলতে পারেননি। স্বাভাবিকভাবেই ড্যান ব্রাউনের থ্রিলার ‘দ্য লস্ট সিম্বল’ প্রকাশের আগেই আলোড়ন তুলেছিল। তা বোঝা যায় কয়েকটি পরিসংখ্যানেই। ‘দ্য লস্ট সিম্বল’ এর প্রথম মুদ্রণে ছাপা হয়েছিল ৬৫ লক্ষ, আর প্রকাশের প্রথম দিনেই বিক্রি হয়ে যায় ১০ লক্ষ কপি। নিউইয়র্ক টাইমস বেস্ট সেলার এই বই মনোযোগের দাবি রাখে বৈকি! ড্যান ব্রাউন তাঁর লেখনীর মাধ্যমে ভিন্ন এক জগত তৈরি করেছেন যাকে অনেক আলোচক ‘ব্রাউনিভার্স’ বা ‘ব্রাউনিয় বিশ্ব’ নামে অভিহিত করছেন। এ বিশ্বে ঘটে অভাবনীয় সব ঘটনা। এ জগত কোনো ঘটনাই কাকতালীয় নয়, কোনো কিছুই নির্ভর করে না শুধু চান্সের ওপর; বরং সবকিছুর পেছনেই আছে সুনির্দিষ্ট কারণ এবং হতবুদ্ধিকর পরিকল্পনা। ‘ব্রাউনিয় জগত’এ সত্য প্রকাশিত হয় প্রতীকরূপে, আবার প্রতীক থেকেই খুঁড়ে বের করা হয় অপ্রকাশিত সত্য। এ জগতে- কোলাহল আসলে গুপ্ত সংকেত, বিশৃঙ্খলায় লুকানো আছে শ্বাসরুদ্ধকর বিন্যাস। ড্যান ব্রাউনের উপন্যাসের নায়ক ‘রবার্ট ল্যাংডন’। ল্যাংডনের সাথে আমাদের প্রথম পরিচিত হই ২০০০ সালে প্রকাশিত ‘এঞ্জেলস এন্ড ডেমনস’ উপন্যাসে। এরপর ‘দ্য ডা ভিঞ্চি কোড’এর মাধ্যমে সারা পৃথিবীতেই হইচই ফেলে দিয়েছিল সে। রবার্ট ল্যাংডন একজন সিম্বলজিস্ট, হার্ভার্ডে পড়ায়। তবে মজার বিষয় হলো হার্ভার্ড কেন, দুনিয়ার কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘সিম্বলজি’ নামে কোনো ডিপার্টমেন্ট নেই, কিংবা নেই ‘সিম্বলজিস্ট’ নামে কোনো পদ; ব্যাপারটা পুরোটাই ব্রাউনের সৃষ্টি। ল্যাংডন বুদ্ধিবৃত্তিক দিক থেকে সংশয়বাদী, কিন্তু তার মন খুঁজে বেড়ায় রহস্য। একাডেমিক ক্যারিয়ারে সফল ল্যাংডন নানাভাবে জড়িয়ে পড়ে বিপজ্জনক সব ঘটনায়। ফিরে আসা যাক ‘দ্য লস্ট সিম্বল’এ। এ উপন্যাসের পটভূমি যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসি। উপন্যাসের শুরুতে রবার্ট ল্যাংডনকে অনুরোধ করা হয় স্মিথসোনিয়ান ইন্সটিটিউটের একটি বার্ষিক অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেয়ার জন্য। খুবই অল্প সময়ের মধ্যেই প্রস্তুত হতে হলেও ল্যাংডন এই অনুরোধ ফেলতে পারে না, কারণ এ অনুরোধ এসেছে তার পুরনো বন্ধু এবং মেন্টর স্মিথসোনিয়ান ইন্সটিটিউটের প্রধান পিটার সলোমনের পক্ষ থেকে। সলোমনের এসিস্টেন্ট তাকে সব বিষয়ে জানায় এবং যথাসময়ে ল্যাংডন ওয়াশিংটন ডিসিতে তার বক্তব্য রাখার স্থান ক্যাপিটাল রটুন্ডায় পৌঁছয়। কিন্তু সেখানে পৌঁছেই হতভম্ব হয়ে পড়ে ল্যাংডন, কারণ সেখানে চলছিল না কোনো সভা। বরং উপহার পায় পিটার সলোমনের কাটা কব্জি, আঙ্গুলে আঁকা অদ্ভুত সব ট্যাটু। আতংকিত ল্যাংডন বুঝতে পারে যে সে ফাঁদে পড়ে গেছে। সে জানতে পারে যে, পিটার সলোমনের অপহরণকারীই কৌশলে তাকে রাজধানীতে নিয়ে এসেছে। অপহরণকারী ল্যাংডনকে ওয়াশিংটনে লুকানো শত বছরের পুরনো কোনো এক প্রবেশদ্বার খুঁজে বের করতে বলে এবং তাকে জানায় যে কথামতো কাজ করা না হলে পিটার সলোমনকে হত্যা করা হবে ঠিক মধ্যরাতে। এভাবে ল্যাংডন জড়িয়ে পড়ে বিপজ্জনক এক ইঁদুর-বিড়াল দৌড়ে। একে একে নানাভাবে তার সাথে যোগ দেয় সিআইএ, সলোমনের ছোট বোন বিজ্ঞানী ক্যাথরিন সলোমন, আর্কিটেক্ট ওয়ারেন বেলামি, অফিস অব সিকিউরিটির প্রধান ইউনো সাটো। ল্যাংডন কি পেরেছে অপহরণকারীর দাবীকৃত দ্বারের রহস্য উন্মোচন করতে? অপহরণকারীর আসল পরিচয়ই বা কী? সলোমন পরিবার কি অবশেষে জানতে পারবে তাদের পরিবারে নেমে আসা দুর্যোগের আসল কারণ? সিআইএ কেন অপহরণকারীকে সাহায্য করতে চায়? ল্যাংডন কি পারবে মানব ইতিহাসের কোনো এক বাঁকে হারিয়ে যাওয়া সেই অসামান্য সিম্বল খুঁজে পেতে? এমনই সব প্রশ্নের উত্তর জানা যাবে ‘দ্য লস্ট সিম্বল’। উপন্যাসের প্রধান চরিত্র অবশ্যই রবার্ট ল্যাংডন। কিন্তু ‘দ্য লস্ট সিম্বল’ এ সবচেয়ে আকর্ষণীয় চরিত্র এর ভিলেন মালাখ। মালাখের প্রসঙ্গ যতবারই আসবে ততবারই পাঠকের মনে হবে ব্যাকগ্রাউন্ডে যেন প্রাচীন এক ভীতিকর সংগীত বেজে চলছে। সারা দেহে টাট্টু করা এই অদ্ভুত চরিত্র পেতে চায় অমরত্ব, তাই সে খুঁজে ফিরছে এক প্রাচীন প্রতীক। এ কথা স্বীকার না করলেই নয় যে ড্যান ব্রাউন তাঁর ভিলেন চরিত্র তৈরির ক্ষেত্রে অসাধারণ মুনশিয়ানার পরিচয় দেন। এটা আমরা ‘এঞ্জেলস এন্ড ডেমসনস’ এবং ‘দ্য ডা ভিঞ্চি কোড’এও দেখতে পাবো। উপন্যাস নির্মাণে ব্রাউনের কিছু কৌশলের দিকে তাকানো যাক- প্রথমত, ব্রাউনের সব উপন্যাসের মতোই ‘দ্য লস্ট সিম্বল’ও সময়ের ক্ষেত্রে একটানা এবং অবিচ্ছিন্ন। ওয়াশিংটন ডিসিতে ল্যাংডনের প্রায় ১০ ঘণ্টার অভিযানে বর্ণনা উঠে এসেছে আলোচ্য উপন্যাসে। ‘দ্য ডা ভিঞ্চি কোড’এ ছিল ২৪ ঘণ্টার উপাখ্যান এবং ‘এঞ্জেলস এন্ড ডেমনস’এ ছিল ৮ ঘণ্টার অবিশ্বাস্য ভ্রমণ। দ্বিতীয়ত, ব্রাউনের উপন্যাসে একটি শক্তিশালী নারী চরিত্রের উপস্থিতি অবশ্যই থাকে। ‘দ্য লস্ট সিম্বল’ এ যেমন নোয়েটিক সায়েন্টিস্ট ক্যাথরিন সলোমন। ক্যাথরিন বয়সে ল্যাংডনের চেয়ে কয়েক বছরের বড়ো। সম্ভবত ব্যাপারটা ব্রাউনের নিজের স্ত্রী কেইট ব্লাইথের (যিনি ব্রাউনের চেয়ের বয়সে বড়ো) প্রতি একটি উপহার। তৃতীয়ত, ব্রাউন তাঁর পাঠককে প্রাচীন সব নৃশংস আচার-অনুষ্ঠান আর রিচুয়ালের সাথে পরিচয় করিয়ে দিয়ে ভড়কে দিতে ভালোবাসেন। ‘দ্য লস্ট সিম্বল’ এর ভৌতিক চরিত্র ‘মালাখ’ যখন প্রাচীন আচার পালন করে তখন ভয়ের একটি অনুভূতি পাঠক অনুভব করতে পারেন। চতুর্থত, ব্রাউনের প্রতিটি বইয়ে থাকে অসাধারণ সব রিসার্চের ছাপ। প্রতিটি স্থানের পুঙ্খানুপুঙ্খ বিবরণ এবং এর ইতিহাস থাকে বইয়ের পাতায় পাতায়। আর ব্রাউনের গল্পের সাংস্কৃতিক এবং ঐতিহাসিক পটভূমি এবং তথ্যাদি একেবারে সঠিক। তিনি সত্যের সাথে ফিকশনকে এমনভাবে মিশিয়ে ফেলেন যে মনযোগী পাঠকও অনেক সময় বিভ্রান্ত হতে বাধ্য হয়। অবশ্য অনেক সমালোচক ব্রাউনকে অভিযুক্ত করেন ঠিক এই কারণেই। বিশাল সংখ্যক পাঠক ‘ব্রাউনিয়’ গল্পকে সত্যি ভেবে থাকে যা অনেকটাই বিপজ্জনক। কিন্তু এতে করে আমরা ঔপন্যাসিক ড্যান ব্রাউনের সাফল্যের দিকটাই আরো ভালোভাবে উপলব্ধি করি। থ্রিলার সাহিত্যের নতুন রাজা ড্যান ব্রাউনের উপন্যাসের সাসপেন্স, বাঁকে বাঁকে রোমাঞ্চকর সব ঘটনা আমাদেরকে তাঁর পরবর্তী বইয়ের জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষায় রাখে। আর ব্রাউন সেই অপেক্ষার দাম তাঁর অসাধারণ গল্পের মাধ্যমেই দিয়ে যান। আরো বহুদিন চলুক তাঁর জাদুকরী কলম- এটাই এখন থ্রিলার-প্রেমীদের প্রত্যাশা। সাজেদুল ওয়াহিদ ১৮/০৫/২০১৩

      By Omar faruk Mukut

      05 Feb 2014 05:13 PM

      Was this review helpful to you?

      or

      বইটার অনুবাদ কপি যখন হাতে পাওয়ার পর পড়া শুরু করলাম,পুরাই অস্থির অবস্থা।পড়া ছেড়ে যে অন্য কাজ করবো,সেই ইচ্ছাটুকুও করছিলো না।২দিনেই পড়া শেষ করলাম।এর পর মামাকে ফোন দিলাম।অনেক অনেক ধন্যবাদ দিলাম।বইটা দেওয়ার সময় মামা বলেছিলো যে বইটা পড়ার পর অনেক কিছু বুঝতে পারবে।আসলেই তাই। এখানে মামার কথা বললাম কারন আমার মামা হলেন মোহাম্মাদ নাজিম উদ্দিন (বইটির অনুবাদক)।বাতিঘর প্রকাশনির স্বত্বাধিকারি।

      By Md.Ashfaquzzaman Badhon

      01 Aug 2012 01:32 PM

      Was this review helpful to you?

      or

      বইটি পড়ে মজা পাইনি।অনুবাদ একদম ভাল না।

      By Sabrina Afrin Lira

      14 Mar 2013 12:20 PM

      Was this review helpful to you?

      or

      বইটা পড়ার পর এত ভাল লাগল যে review না দিয়ে পারলাম না। পড়েছিলাম অবশ্য অনেক দিন আগেই কিন্তু, review দেয়া হয়ে উঠে নি। যাই হোক,রকমারি থেকে যেদিন বইটা আনালাম,পড়ার পর বুঝলাম আমার টাকাগুলো জলে যায় নি ! এক কথায় বইটা একেবারে জ্ঞানের আধার। international best seller সম্বন্ধে আর কি-ই বা বলব। তবু বলি,বইটা পড়ে আমি এমন কিছু জানতে পেরেছি যা থেকে আমি রীতিমত অবাক হয়েছি। এমন সব তথ্য বইটিতে আছে যা সত্যি চমকপ্রদ। যারা এখনো বইটা পড়েন নাই তারা পড়ে দেখতে পারেন।

      By Zobaer Ahmed

      19 May 2013 05:55 PM

      Was this review helpful to you?

      or

      বেশ কয়েকদিন ভেবেছি এই বইটির অনুবাদের ব্যাপারে রিভিউ লিখবো এখানে... কিন্তু তারপর আবার সেই সিদ্ধান্ত বাদ দিয়েছি। কারণ আমি রিভিউয়ে যে সকল কথা বলতে চাই, সেগুলো অত্যন্ত কঠোর রকমের হয়ে যাবে। কিন্তু আজ সহ্যের সীমা অতিক্রম করার কারণে এখন বাধ্য হয়েই লিখতে বসেছি, যাতে অন্যান্য পাঠকরা মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিনের অনুবাদকৃত এই বইটি কিনে ঠকেছেন বলে অনুভব না করেন। ডিসেপশন পয়েন্ট বইটি ড্যান ব্রাউনের লিখা। ড্যান ব্রাউন একজন নামকরা লেখক। ড্যান ব্রাউনের প্রায় সবগুলো বই'ই মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন অনুবাদ করার মত উদ্যোগ গ্রহণ করেছিলেন জন্য তাকে ধন্যবাদ। কিন্তু তার অনুবাদ কতটুকু হজম যোগ্য, সেটা নিয়ে আমার ব্যক্তিগতভাবে ব্যাপক সন্দেহ আছে। এই ডিসেপশন পয়েন্ট বইটির ৪০ পৃষ্ঠা পর্যন্ত পড়তেই আবার দম বেরিয়ে যাচ্ছিল। কোনমতে ১৩৫ পৃষ্ঠা পর্যন্ত পৌঁছাতে পেরেছি। এরপর আর আগাতে পারবো না বলেই মনে হয়। এতটুকু পড়ার পর আমি শুধুমাত্র একটা কথাই বলতে পারি, এই ডিসেপশন পয়েন্ট বইটির অনুবাদ আমার জীবনে পড়া অনুবাদ বইসমূহের মধ্যে সবচাইতে নিম্নমানের। হ্যাঁ, আমি হয়তো কোন বোদ্ধা নই। কিন্তু আমি বলতে পারি, আমি আমার জীবনে অসংখ্য লেখকের অগণিত অনুবাদ পড়েছি কিন্তু মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিনের মত অনুবাদক আমি কখনো পাইনি। এই বইটির অনুবাদে উনি আক্ষরিক অনুবাদের চেষ্টা চালিয়েছেন কিন্তু তবুও বিফল হয়েছেন চরমভাবে। উনি মূল বইটির ইংরেজি কথাগুলোর সোজা বাংলা করার চেষ্টা চালিয়েছেন। ইংরেজিতে একটি স্ল্যাং রয়েছে যেটি এই বইতে ব্যবহার করা হয়েছে... "Bite me"। উনি সেটির বাংলা লিখেছেন, "আমাকে কামড়াও"। অথচ উনি এই কাজটি না করে এর ভাবটি অন্যভাবেও প্রকাশ করতে পারতেন। এমন আরও অসংখ্য উদাহরণ রয়েছে। মূল বইয়ের এক স্থানে রয়েছে... "I heard that, space boy," Dr. Mangor fired back, still making notes. “And if you’re checking out my ass, these snow pants add thirty pounds.” "No worries,” Corky called. “It’s not your woolly-mammoth butt that drives me wild, it’s your winning personality.” "Bite me." মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন এটির যে অনুবাদ করেছেন, সেটি নিম্নরূপ... "সেটা আমি শুনেছি, স্পেস বালক," ডক্টর ম্যাঙ্গোর পাল্টা বললো। এখনও নোট টুকে নিচ্ছে। "তুমি আমার পাছাটা ভাল ক'রে দেখে নাও, ত্রিশ পাউন্ডের।" "কোন ভয় নেই," কর্কি বললো, "তোমার লোমশ পাছা আমাকে পাগল করেনি, করেছে তোমার চমৎকার ব্যক্তিত্ব।" "আমাকে কামড়াও।" শুনতে খুব চমৎকার শোনাচ্ছে না? বইয়ের অন্য এক স্থান হতে আরও একটি উদাহরণ দিচ্ছি... "The bitch called me on an unsecured line." মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন এটির যে অনুবাদ করেছেন, সেটি হলো, "কুত্তিটা আমাকে অরক্ষিত লাইনে ফোন করেছে।" এর চাইতে জঘন্যভাবে আরও অনেক জায়গায় অনেককিছু লেখা হয়েছে। আমি অন্যান্য আরও অনুবাদ পড়ার অভিজ্ঞতা থেকেই বলতে পারি, নাজিম উদ্দিন এই ব্যাপারগুলোকে অন্যভাবেও লিখতে পারতেন। এই ধরনের অনুবাদ বিশ্রী অনুভূতি সৃষ্টি করে। শুধুমাত্র সেবা প্রকাশনীর কথাই বলি... এই প্রকাশনী অসংখ্য বিখ্যাত কাহিনীর রূপান্তর(তাঁরা কেন অনুবাদ না বলে রূপান্তর বলেন, সেটিরও একটি চমৎকার ব্যাখ্যা তাঁরা দিয়েছিলেন। তাঁরা অনুবাদ না করে রূপান্তর করেন জন্যেই তাঁদের বইগুলো সুখপাঠ্য হয়।) প্রকাশ করেছে, যেগুলোতে এর চাইতে আরও কঠিন রকমের কথা, যেগুলো বাংলায় বিতর্ক সৃষ্টি করার সামর্থ্য রাখে, সেগুলোকে অতি চমৎকারভাবে, সহজবোধ্যভাবে, শালীনভাবে এবং শালীনভাষায় প্রকাশ করা হয়েছে। কিন্তু মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিনের অনুবাদ পড়ে আমি সত্যিকার অর্থেই ভাষা হারিয়ে ফেলেছি। কাজেই আমি বলব, কেউ যদি ডিসেপশন পয়েন্টের এই অনুবাদ বইটি কিনতে চান, তবে একবার ভেবে তবেই কিনুন, যাতে করে পরবর্তীতে আপনার মনে না হয় যেন আপনি ঠকেছেন। ধন্যবাদ।

    •  

    Recently Viewed


    Great offers, Direct to your inbox and stay one step ahead.
    • You can pay using


    • 16297 / 01519-521971(Hotline)

    • +8801708166234-38 (Corporate Sales)

    • [email protected]

    • 2/2E Arambag Motijheel,
      Dhaka-1000

    Rokomari is one the most comprehensive online book shops that helps saving a lot of time and money. You can buy books online through few-clicks or convenient phone call. With breathtaking discounts you can buy more from rokomari.com. Superfast cash on delivery service brings the products at your doorstep. Our customer support, return and replacement policies will surely add extra confidence in your online shopping experience.