User login

Sing In with your email

Email Address
Password
Forgot Password?

Not Account Yet? Create Your Free Account

Send

Recipients:
Message:

Share to your friends

Copy link:

    Our Price:

    Regular Price:

    Shipping:Tk. 50

    • Size:
    • Color:
    QTY:

    প্রিয় ,

    সেদিন আপনার কার্টে কিছু বই রেখে কোথায় যেন চলে গিয়েছিলেন।
    মিলিয়ে দেখুন তো বইগুলো ঠিক আছে কিনা?

    Please Login to Continue!

    Our User Product Reviews

    Share your query and ideas with us!

    Customer Reviews

    • Was this review helpful to you?

      or

      শেখ হাসিনার ‘শেখ মুজিব আমার পিতা’ : ত্যাগ, সংগ্রাম ও জীবনের আলেখ্য -------------------------------------------------------------- মুহাম্মদ ফরিদ হাসান -------------------------------------------------------------- সেই প্রত্যন্ত গ্রাম থেকে, টুঙ্গিপাড়া যার নাম; সেখান থেকে এসে কর্মে, আন্দোলনে, ত্যাগ-তিতিক্ষা ও দীর্ঘ সংগ্রামের মধ্য দিয়ে যিনি বাংলাদেশকে রোদ-জোছনার মায়াবী আলোতে ভরিয়ে দিয়েছেন, শত বছরের প্রাচীন দৈত্য-দানোর কৌটা থেকে তুলে এনেছেন বহুল আকাক্সিক্ষত স্বাধীনতাকে- তিনি বাঙালী জাতির জনক শেখ মুজিবুর রহমান। তাঁর আদর্শের কণ্টকাকীর্ণ পথে হেঁটে তাঁরই কন্যা শেখ হাসিনা স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ে তোলার প্রত্যয়ী, অঙ্গীকারবদ্ধ। ‘শেখ মুজিব আমার পিতা’ গ্রন্থটি শেখ হাসিনার আত্মজৈবনিক রচনা হলেও এতে ‘বঙ্গবন্ধু : তাঁর জীবন ও স্বপ্ন’ উল্লেখিত হওয়ার পাশাপাশি উপস্থাপিত হয়েছে লেখকের রাজনৈতিক আন্দোলন, ত্যাগ ও সোনারঙা শৈশবের টুকরো টুকরো স্মৃতি। ঘুরে ফিরে তিনি লেখায় ধারণ করেছেন তাঁর কাক্সিক্ষত বাংলাদেশকে। যেহেতু শেখ হাসিনা বাংলাদেশের রাজনীতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ, অধিকন্তু তাঁর আন্দোলন, সংগ্রামের ইতিহাস দীর্ঘÑ তাই ‘শেখ মুজিব আমার পিতা’ গ্রন্থটি কেবল আত্মজৈবনিক রচনা হয়ে উঠেনি, এতে সহজাতভাবে স্থান পেয়েছে রাজনীতি, অপরাজনীতি, ক্ষমতার লড়াই, দেশের সমস্যা ও সম্ভাবনার কথা। কখনও কখনও এসব কথাই ছাপিয়ে উঠেছে ‘বিশেষ এক উদ্দেশ্যের হাতিয়ার’ হয়ে এবং তা সঙ্গত কারণেই। আলোচ্য গ্রন্থটিতে স্থান পেয়েছে চতুর্মুখী দশটি রচনা। এসব প্রবন্ধ লেখা হয়েছে ১৯৮৩ সাল থেকে শুরু হয়ে ১৯৯৪ সালের মধ্যে। তাই বিশেষ করে এসব রচনাগুলো ধারণ করে আছে ’৭৫ পরবর্তী বাংলাদেশের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক প্রতিচিত্র। কলমের অক্ষরে উঠে এসেছে ধানম-ির ৩২ নম্বর বাড়ি, জেনারেল জিয়াউর রহমান ও স্বৈরাচার এরশাদের শাসন, যুদ্ধাপরাধীদের বিচার, অপরাজনীতির নোংরা হস্তক্ষেপ, শহীদ জননী জাহানারা ইমাম, নূর হোসেন প্রমুখের কথা। পাশাপাশি শেখ মুজিব সম্পর্কে বেশকিছু অনালোকিত অধ্যায়ের আলোকপাত করেছেন লেখক। এক্ষেত্রে একটি কথা বলার আছে। যেহেতু শেখ হাসিনা কেবল বঙ্গবন্ধু কন্যাই নয়, বঙ্গবন্ধুর ‘রাজনৈতিক জীবনের সঙ্গীও’- তাই জাতির জনকের অনেক অনালোকিত বিষয় নিয়ে তাঁর লেখার সুযোগ রয়েছে। হতে পারে আমরা তাঁর বয়ানে এমন তথ্য পেতে পারি, জানতে পারি এমন কোন ঘটনাও- যার মাধ্যমে সমৃদ্ধ হবে ইতিহাস, অনুপ্রাণিত হবে বর্তমান প্রজন্ম। লেখক হিসেবে যদিও শেখ হাসিনার পরিচিতি প্রসিদ্ধ নয়, বেশকিছু গ্রন্থের রচয়িতা হলেও; কিন্তু এই স্বল্প আয়তনে তবু এ কথা বলা যায় যে, রাজনীতি সাহিত্যে তাঁর ঘরানা আলাদা। তিনি রাজনীতির কথাগুলো বলছেন একদিকে, অন্যদিকে উদাহরণ, উপমায়, বর্ণনায় তা করে তুলেছেন সুপাঠ্য। মূলত শেখ হাসিনা বাংলা সাহিত্যের ছাত্রী হলেও তিনি যখন কলম ধরেছেন, সময়ের প্রয়োজনেই ধরেছেন এবং লিখেছেন অসঙ্গতির বিরুদ্ধে তৎকালীন শাসকদের এতটুকু তোয়াক্কা না করেই। তাঁর প্রতিবাদী লেখনী অবশ্যই প্রশংসার দাবি রাখে। আলোচ্য গ্রন্থে প্রথম তিনটি রচনা বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে। বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও স্বপ্ন এ তিনটি লেখায় স্পষ্টাকারে উঠে এসেছে। উঠে এসেছে শেখ মুজিবের শৈশবকাল, কৈশোর, তাঁর সংগ্রাম, চিন্তা-চেতনা। শেখ হাসিনা ‘শেখ মুজিব আমার পিতা’ প্রবন্ধে বঙ্গবন্ধুর শৈশবের বর্ণনা দিয়েছেন এভাবে : ‘আমার আব্বার শৈশব কেটেছিল টুঙ্গিপাড়ার নদীর পানিতে ঝাঁপ দিয়ে, মেঠো পথের ধুলোবালি মেখে। বর্ষার কাদাপানিতে ভিজে। বাবুই পাখি বাসা কেমন করে গড়ে তোলে, মাছরাঙা কিভাবে ডুব দিয়ে মাছ ধরে, কোথায় দোয়েল পাখির বাসা, দোয়েল পাখির সুমধুর সুর আমার আব্বাকে দারুণভাবে আকৃষ্ট করত। আর তাই গ্রামের ছোট ছোট ছেলেদের সঙ্গে করে মাঠে-ঘাটে ঘুরে প্রকৃতির সঙ্গে মিশে বেড়াতে তাঁর ভাল লাগত। ছোট্ট শালিক পাখির ছানা, ময়না পাখির ছানা ধরে তাদের কথা বলা ও শিস দেয়া শিখাতেন।’ মুক্তিযুদ্ধ শুরুর পর শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্তানী বাহিনীর হাতে বন্দী, অন্যদিকে তাঁর পরিবার বন্দী ধানম-ির বাড়িতে। মুক্তিযুদ্ধ শেষ হওয়ার আগ পর্যন্ত শেখ হাসিনাসহ সবাই এ বাড়িতেই বন্দী ছিলেন। সে সময়ের বর্ণনা, যাপিত দিনগুলো পাই আমরা ‘স্মৃতির দখিন দুয়ার’ প্রবন্ধে। সে সময়ে মৃত্যুর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন, পাক হানাদারদের নির্মমতার মাঝে বঙ্গবন্ধু পরিবারের প্রাণের ছোঁয়া এনে দিতো মুক্তিবাহিনীর কার্যক্রম। শেখ হাসিনা লিখেছেন : ‘সমগ্র দেশটাই ছিল এক বন্দীশালা। এরই মাঝে জীবনের ধ্বনি যেন পাওয়া যেত, যখন শোনা যেত কোন মুক্তিযোদ্ধার গুলি বা বোমার শব্দ- মিলিটারি মারার খবর। তাদের যেকোন আক্রমণ বা গ্রেনেড ফোটার বিকট শব্দ হলে- শত্রুপক্ষ সন্ত্রস্ত হতো- মনে হতো আমরা বেঁচে আছি, বেঁচে থাকব, আমাদের অস্তিত্ব এখনও আছে। অমৃতের বরপুত্র এই মুক্তিযোদ্ধারা আমাদের যেন নতুন করে জীবনদান করে যেত!’ আলোচনাটি দৈনিক জনকণ্ঠে প্রকাশিত।

      By Nazia Sultana

      23 Aug 2017 06:07 PM

      Was this review helpful to you?

      or

      #রকমারিরিভিউপ্রতিযোগ আমাদের এলাকায় বলে, "মা আদরা পুত আর বাপ আদরী ঝি" অর্থাৎ ছেলেরা মায়ের আদরটা বেশী পায় আর মেয়েরা পায় বাবার। কিংবা যদি সাহিত্যেও খুজতে যাই সেখানেও পাবো, "পৃথিবীতে অসংখ্য খারাপ পুরুষ আছে কিন্তু খারাপ বাবা একটাও নেই" কিংবা "একটা মেয়ে হয়তো সারা জীবন তার স্বামীর কাছে রাণী হয়ে থাকে না, কিন্তু একটা মেয়ে তার বাবার নিকট সারা জীবন রাজকন্যা হয়েই থাকে"। এ থেকেই বুঝা যায় পিতা আর কন্যার সম্পর্ক কতোটা ভালবাসার..... হ্যা, এই আখ্যান এক সম্রাটকে নিয়ে এক রাজকন্যার লিখা, এক পিতাকে নিয়ে এক কন্যার। স্কুলটা বাড়ি থেকে বেশ দূরে। সোয়া কিলোমিটার। ছোট খোকা সেই স্কুল মানে গিমাডাঙ্গা টুঙ্গিপাড়া স্কুলের ছাত্র। তখন চলছে ভর বর্ষাকাল। চারদিকে ফুঁসে উঠছে পানি। নৌকা করে স্কুলে যেতে হয়। একদিন নৌকা দিয়ে স্কুলে থেকে বাড়ি ফেরার পথে ঘটল এক দুর্ঘটনা। বর্ষার পানিতে নৌকা ডুবে গেল। নৌকার মধ্যে বেশ কয়েকজন ছিল। খোকা ভরা বর্ষার পানিতে হাবুডুবু খেয়ে কোনমতে পাড়ে এসে উঠল। এদিকে এ খবর দাদির কানে যাওয়া মাত্র তিনি মহা দুশ্চিন্তার মধ্যে পড়ে গেলেন। সেদিন থেকে দাদির কড়া ঘোষণা খোকার স্কুলে যাওয়া বন্ধ। গোটা বংশের আদরের দুলাল এক রত্তি সোনার টুকরো নাতি বলে কথা! নাতিকে কলজের টুকরা বলে জ্ঞান করতেন। টুঙ্গিপাড়া থেকে স্কুল বদল করে খোকাকে পাঠানো হলো ওর বাবার কাছে। গোপালগঞ্জ মিশনারি স্কুলে ভর্তি করিয়ে দেয়া হলো তাকে। এরপর খোকার পুরো কৈশোর কেটেছে সেখানেই। শৈশবের গ্রাম, চপলতা, প্রকৃতি পর্যবেক্ষণ, দুস্থ মানুষের পাশে দাঁড়ানো সব মিলিয়ে খোকার ছোটবেলাটা ছিল আর আট-দশটি আটপৌরে বাঙালীর মতোই। সেদিনের সেই ছোট্ট খোকা পরবর্তীতে নিজের প্রজ্ঞা আর দূরদর্শিতা দিয়ে পরিণত হয়েছিলেন মানুষের নেতায়। বাঙালীর স্বপ্নদ্রষ্টায়, বঙ্গবন্ধুতে, স্বাধীনতার স্থপতিতে। বিশ্বের বাংলা ভাষাভাষী মানুষের কাছে অবিস্মরণীয় এক নেতায় পরিণত হয়েছিলেন। যাঁর উচ্চতা ছাড়িয়ে গিয়েছিল আকাশতক। শেখ মুজিবুর রহমান বাঙালীর আত্মমর্যাদার নাম। অহংকারের নাম। বঙ্গবন্ধুর সিংহ হৃদয় মানুষের জন্য সবসময় প্রসারিত ছিল। মানুষকে পরম মমতায় নিজের করে নিতে পারার এক ঐশ্বরিক গুণ ছিল তাঁর। আর মানুষও তাঁর কথায় জীবনবাজি রেখে যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে বিজয় ছিনিয়ে এনে দেখিয়ে দিয়েছিল যে, হে মহান নেতা, তোমার জন্য আমরা সব অসাধ্য সাধন করতে পারি।যুদ্ধদিনে সাড়ে সাত কোটি বাঙালী বঙ্গবন্ধুর নির্দেশে বিশ্বের অন্যতম প্রশিক্ষিত সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে এক অসম যুদ্ধে নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব বজায় রেখে তাঁর অমোঘ বাণীকে সত্যে পরিণত করেছিল- তাঁর অনেক পরিচয়। একের ভেতর অজস্র। পুত্র, ভাই, স্বামী, চাচা, মামা, দাদা, নানা, শ্বশুর, শুভাকাঙ্ক্ষী , নিকটজন, নেতা কত পরিচয়েই না তিনি পরিচিত। সব পরিচয়ের আড়ালে লুকিয়ে আছে একজন সজ্জন মানুষের প্রতিকৃতি, একজন বিনয়ী মানুষের অবয়ব সর্বোপরি সিংহ হৃদয় ও বাঙালী অন্তপ্রাণ। প্রতিটি পরিচয়ে নিজেকে উজাড় করে মেলে ধরার প্রয়াস রয়েছে। তাঁর এতসব পরিচয়ের বাইরে একটি পরিচয় নিয়ে কৌতূহল চেপে রাখা বেশ কষ্টকর। সেটা হলো পিতা হিসেবে কেমন ছিলেন বঙ্গবন্ধু? এ বিষয়টি জানা যায় তাঁর বড় মেয়ে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার লেখা থেকে। ‘শেখ মুজিব আমার পিতা’ গ্রন্থে শেখ হাসিনা অপার মমতায় পিতার প্রতিকৃতি তৈরি করেছেন। পিতা বঙ্গবন্ধু ছোটবেলায় কেমন ছিলেন তা বর্ণনা দিতে গিয়ে শেখ হাসিনা লিখছেন, “দাদা আমাদের কাছে গল্প করলেন যে, ‘তোমার আব্বা এত রোগা ছিল যে, ফুটবলে জোরে লাথি মেরে মাঠে গড়িয়ে পড়ত। আব্বা যদি ধারেকাছে থাকতেন তবে সঙ্গে সঙ্গে প্রতিবাদ করতেন। আমরা তখন সত্যিই খুব মজা পেতাম। এর পেছনে মজার ঘটনা হলো মাঝে মাঝে আব্বার টিম ও দাদার টিমের মধ্যেও খেলা হতো। আমি যখন ঐ সমস্ত এলাকায় যাই, অনেক বয়স্ক লোকের সঙ্গে পরিচয় হয় যারা আব্বার ছোটবেলার কথা বলেন।” বড় মেয়ে হিসেবে বাবাকে বেশ কাছে থেকে দেখার সুযোগ পেয়েছেন তিনি। রাজনীতিতে তখন বঙ্গবন্ধুর ব্যস্ততা বাড়তে শুরু করেছে। বঙ্গবন্ধুর অস্তিত্বে, চিন্তা-ভাবনায় হৃদয়বান মানুষের ছায়া দীর্ঘ থেকে দীর্ঘতর হয়ে উঠত। ‘দাদির কাছে গল্প শুনেছি, যখন ছুটির সময় হতো তখন দাদি আমগাছের নিচে এসে দাঁড়াতেন। খোকা আসবে দূর থেকে রাস্তার ওপর নজর রাখতেন। একদিন দেখেন তাঁর খোকা গায়ের চাদর জড়িয়ে হেঁটে আসছে, পরনের পায়জামা-পাঞ্জাবি নেই। কী ব্যাপার, এক গরিব ছেলেকে তাঁর শত ছিন্ন কাপড়ে দেখে সব দিয়ে এসেছেন।’ ১৯৪৯ সালে রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবিতে ছাত্র সমাজের গড়ে ওঠা আন্দোলনে তিনি ছিলেন সোচ্চার। এই আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকার জন্য বঙ্গবন্ধুকে গ্রেফতার করা হয়। এ প্রসঙ্গে শেখ হাসিনা তাঁর পিতাকে নিয়ে একটি অসাধারণ মানবিক ঘটনার কথা উল্লেখ করছেন। বইটি মূলত ১৯৮৩ থেকে ১৯৯৮ সাল পর্যন্ত তার লেখা বিভিন্ন পত্রিকায় প্রকাশিত প্রবন্ধ ও সংকলনের সংগ্রহ। বইটি তে তিনি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নির্মম হত্যাকান্ড এবং একজন সন্তান হয়ে বাবার নৃশংস হত্যাকান্ডের বোঝা বহনের যন্ত্রণা প্রকাশ করেছেন। প্রায় দশটি প্রবন্ধে সাজানো এই বইটিতে শেখ হাসিনা তার লেখনী প্রতিভার অসাধারণ নৈপূণ্য দেখিয়েছেন। বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘পথের পাঁচালী’র মতো মধুমতি নদীর তীর ঘেষে গড়ে উঠা টুঙ্গপাড়ার সৌন্দর্য বর্ণনা করেছেন আপন মহিমায়। টুঙ্গিপাড়ার সৌন্দর্য তোলে ধরতে গিয়ে লেখিকা বলেছে ‘‘নদীর দুপাশে তাল, তমাল, হিজল গাছের সবুজ সমারোহ। ভাটিয়ালি গানের সুর ভেসে আসে হালধরা মাঝির কণ্ঠ থেকে, পাখির গান আর নদীর কলকল ধ্বনি এক অপূর্ব মনোরম পরিবেশ গড়ে তোলে”। টুঙ্গীপাড়া গ্রামে নদীর পাশে একটি ঘর বানিয়ে জীবনের শেষ সময়গুলো ব্যায় করার আগ্রহ প্রকাশ করেন এ লেখিকা। বইতে বঙ্গবন্ধু ও তার সেনাবাহিনী এবং কিছু বিপদগামী নরপিশাচদের ন্যাক্কারজনক ১৫ আগস্টের কথা উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বুঝাতে চেয়েছেন, জাতির পিতার হত্যার জন্য তিনি সব সেনাবাহিনীকে দোষারোপ করছেন না। পরাজিতরাই প্রতিশোধপরায়ণ হয়ে জাতির জনককে হত্যা করেছে।এবং পরবর্তী সময় বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশে এই হায়নারা কেমন করে আশ্রিত-পালিত হয়েছে তার ঘটনা প্রবাহ আলোকপাত করেছেন। শহীদ জননী জাহানার ইমামের করুণ পরিনতি এবং রাষ্ট্রর তৎকালীন ক্ষমতাসীনরা স্বাধীনতা বিরোধীদের প্রতি যে প্রীতি প্রদর্শন তার তীব্র সমালোচনা করেছেন। স্বৈরাচারী আন্দোলনে তার নেতা কর্মীদের নিপীড়ণ এবং পিঠে বুকে গনতন্ত্রের স্লোগান বহনকরী নুর হোসেনের আত্মদান খুব করুণভাবে তোলে ধরেছেন একজন বোন হয়ে। ‘শেখ মুজিব আমার পিতা’ বইটি পড়তে পড়তে পাঠকের মনে গভীর রেখাপাত তৈরি করবে। একজন আটপৌরে বাঙালী কী করে একজন দায়িত্ববান পিতা হয়ে উঠতে পারে এ বই তার জ্বলন্ত প্রমাণ। এই বইটি পড়ে জ্ঞান উৎসাহী পাঠকরা বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সম্পর্কে একটি কথা স্বীকার করবেন যে, তিনি একজন অসাধারণ পাঠক। একজন পাঠকই একজন অসাধারণ লেখকে পরিনত হন। জ্ঞান অন্বেষণে লেখিকার আগ্রহ আমাকে মুগ্ধ করেছে। বইটি পড়ে শেখ হাসিনার সাথে আজ নতুনভাবে পরিচিত হলাম। আট দশটা সাধারণ বঙ্গালি মেয়ের মতো টুঙ্গিপাড়ায় পরবর্তীতে ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে বেড়ে উঠা শেখ হাসিনা বাংলাদেশ তথা বিশ্বের ক্ষমতাধর রাষ্ট্র নায়েক হিসেবে গড়ে উঠার পিছনের ইতিহাসটা যে কোন মানুষকেই উৎসাহিত করবে বলে মনে করছি।

      By Nira jahan

      19 Aug 2017 08:26 PM

      Was this review helpful to you?

      or

      #রকমারিরিভিউপ্রতিযোগিতা বই- শেখ মুজিব আমার পিতা লেখিকা-শেখ হাসিনা পৃষ্ঠা-১১১ মূল্য-২৫০ আগামী প্রকাশনী "শেখ মুজিব আমার পিতা" বইটি শেখ হাসিনার স্মৃতিচারণ মুলক বই। বইয়ের অংশ মুলত তিন খন্ডে বিভক্ত করেছেন তিন।প্রথম খন্ডে বাবার স্মৃতিতে কন্যা তার পেছনের গল্প বলেছেন। বর্ণনায় উঠে এসেছে মুজিবের জন্মের কাহিনী। শেখ মুজিবের জন্মের সময় মুজিবের নানা মুজিবের মাকে পুরো সম্পত্তি লিখে দিয়ে বলেন "মা সায়রা তোর ছেলের এমন নাম রাখলাম যে নাম জগৎ জোড়া খ্যাত হবে।" শেখ মুজিবের নানার ভবিষৎবানী কাটায় কাটায় ফলে গিয়েছিলো। এভাবেই বইয়ের শুরু টুঙ্গীপাড়া গ্রামের বর্ণনা দিয়ে, পিতা পিতামহ বংশের পরিচয় দিয়ে মুজিবের জন্মের সময় বর্ণনা করা হয়। একে একে তার স্কুলে যাওয়া, কলেজে প্রবেশ, রাজনীতিতে প্রবেশ, সফল রাজনীতিবিদ, রাজনীতির সে সব উজ্জল দিন গুলোর বর্ণনা, বাংলার মানুষের জন্য সংগ্রামের কাহিনী বলি, মুক্তি সংগ্রাম, দেশ স্বাধীন, স্বাধীন দেশের দায়িত্ব নেওয়া, সেনাবাহিনীর সাথে মুজিবের সম্পর্কে প্রভৃতি ঘটনাবলী আলোচনার শেষে আসে ১৫ আগস্টের সেই নারকীয় দিনের বর্ণনা। এসবের মাঝে আরো যেসব স্মৃতি উঁকি দেয় তা হলো লেখিকার শৈশব। তিনি সেই সব রঙিন শৈশব, বাবাকে নিয়ে উৎকন্ঠার দিন গুলো বর্ণনা করেন। ২য় খন্ডে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি ও পারিবারিক স্মৃতির বর্ণনা করেন। লেখিকার সংগ্রামের দিনগুলোর কথা। ৩য় খন্ডে তিনি ড.আবদুল মতিন চৌধুরী,বেগম জাহানারা ইমাম এবং নূর হোসেনকে নিয়ে স্মরণ-শ্রদ্ধার্ঘ্য দিয়েছেন। শেখ মুজিবর রহমান, যিনি বাঙালি জাতির পিতা। বাংলাদেশের পতকার স্রষ্টা। যিনি নিজের সবকিছু ত্যাগ করে শুধু মাত্র দেশ এবং দেশ জনসাধারণের কল্যানের কথা ভেবেছেন। সকল কিছুর বিনিময়ে বাঙালির মৌলিক চাহিদা নিশ্চিত এবং বাংলাদেশকে স্বার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে দেখতে চেয়েছেন। তারই কন্যা শেখ হাসিনা, সেই সংগ্রামী বাবার, সংগ্রামী জাতির পিতার স্মৃতি চারণ করছেন। "শেখ মুজিব আমার পিতা " কথাতেই অহংকার প্রকাশ পায়। এটা গর্বের অহংকার। আমাদের পুরো বাঙালি জাতির অহংকার আমরা এরকম একজন নেতা পেয়েছিলাম। তাকে ঘিরে লেখিকা তার আনন্দের, যন্ত্রণার পুরনো কাহিনী গুলো নতুন করে আমাদের শুনিয়েছেন। এই বেদনাভরা স্মৃতির পট উম্মেচিত হওয়ার পর, এটা মানতেই হয় স্মৃতি বড় বেদনা ময়। লেখিকার এই কথা আমাদের আরো বেশি বেদনার রঙ ছাড়িয়ে যায়। বইটা হাতে নিয়ে দেখতে দেখতেই এর পৃষ্ঠা গুলো শেষ হয়ে যায়। মনে হয় আরো কিছুটা লিখলে ভালো হতো। আরো কিছুটা কেন থাকলো না। লেখিকার আত্মজীবনী মূলক গ্রন্থ হলেও মনে হয় কোথায় যেন ডুব দিয়েছিলাম। কিভাবে যেন মাথা তুলে সোজা হয়েছি। লেখিকার টুকরো টুকরো স্মৃতি আমাদের অন্য কোথাও নিয়ে যায়।অসমাপ্ত আত্মজীবনীতে আমরা শুধু মাত্র একজন নেতা কে পেয়েছিলাম। আর এই বইয়ে একজন কন্যার পিতাকে পেয়েছি। যিনি কন্যার পুরো শৈশব কৈশর জুড়ে আছেন। লেখিকা ও শেখ মুজিবর রহমান কে জানতে এই বই সকলের পাঠ করা উচিৎ। কেন না ইতিহাসের অনেক না বলা কথা এখানে উচ্চারিত হয়েছে।

      By Supriya dey

      27 Oct 2016 07:59 PM

      Was this review helpful to you?

      or

      #রকমারি_বইপোকা_রিভিউ_প্রতিযোগীতা বই: শেখ মুজিব আমার পিতা লেখিকা: শেখ হাসিনা মূল্য:২৫০৳ প্রকাশনী: আগামী প্রকাশনী ভূমিকাঃ সবাই তো উপন্যাস,কাবগ্রন্থের রিভিউ দেয়।তাই আমার ইচ্ছে করল আত্মজীবনী নিয়ে লিখতে।আর তা যদি জাতির জনককে নিয়ে লেখা তাঁর কন্যার বই হয় তাহলে তো অবশ্যই কিছু লিখতে হয়। বই সম্পর্কিত তথ্যাবলীঃ "শেখ মুজিব আমার পিতা" নামটিতেই এক গর্ব কাজ করে,এই গর্ব আমাদের দেশের গর্ব,আমাদের সাধারণ মানুষের গর্ব। এই রচনায় উঠে এসেছে শেখ পরিবারের অনেক অজানা তথ্য,একটি পরিবারের বেঁচে থাকার ইতিহাস আর দেশের অভ্যুদয়ের মুহূর্তে পরিবারটির অজস্র সংগ্রামের ঘটনা। এই বইটির ভূমিকা লিখেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম।তিনি তাঁর ভূমিকায় বঙ্গবন্ধুর নিহত হওয়ার সময় থেকে চার নেতার হত্যাকান্ড এবং প্রধানমন্ত্রীর স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন থেকে শুরু করে বর্তমানে তাঁর লেখিকা পরিচিতির সংক্ষিপ্ত বর্ণনা দিয়েছেন।যা বইটির সৌন্দর্য বৃদ্ধি করেছে। এছাড়াও এই বইতে পার্থ ঘোষের একটি নাতিদীর্ঘ প্রস্তাবনা আছে যা বইটি পড়ার সময় ঘটনাবলীর প্রেক্ষাপট জানতে সহায়ক হবে। বইয়ের সারসংক্ষেপঃ বইটি চারটি মূল অধ্যায়ে বিভক্ত হলেও এর ভেতর প্রতি অধ্যায়ে তিনটি করে অনুচ্ছেদ আছে।প্রথম দুই অধ্যায়ে পারিবারিক স্মৃতি থাকলেও তৃতীয় অধ্যায়ে লেখিকা ড.আবদুল মতিন চৌধুরী,বেগম জাহানারা ইমাম এবং নূর হোসেনকে নিয়ে স্মরণ-শ্রদ্ধার্ঘ্য দিয়েছেন। প্রথম অধ্যায়ে লেখিকার কলমে উঠে এসেছে তাঁর পিতার ছেলেবেলা থেকে শুরু করে রাজনীতিতে অংশগ্রহণের ঘটনাবলী।বইয়ের প্রতিটি অধ্যায়ে টুকরো টুকরো করে বাংলাদেশের গৌরবোজ্জ্বল রাজনৈতিক সময়ের কথা বলা আছে যা আমাদের গর্বিত করে তোলে। এই বইতে লেখিকা তাঁর ছোটবেলার মজাদার সময় কাটানোর কথা বর্ণনা করেছেন।প্রধানমন্ত্রীর শৈশব কালের দস্যিপনার কথা পড়লে মন ভরে যেতে বাধ্য। পাঠ প্রতিক্রিয়াঃ আমার কাছে আত্মজীবনীমূলক উপন্যাসে রেটিং দেওয়াটা ধৃষ্টতা মনে হয়।তবে শেখ হাসিনা লেখিকা না হওয়ার কারণে অথবা তাঁর নিজের টুকরো স্মৃতি হওয়াতে হয়তো বইটা পড়ার সময় অধ্যায়গুলোতে সামঞ্জস্যতার অভাব পাওয়া যেতে পারে।তদুপরি,বইটা আমার ভালো লাগার স্খান দখল করে আছে কারণ এই শেখ পরিবারের কাছে আমরা ঋণী।তাঁদের পারিবারিক ঘটনা জানাটা আমাদের জন্য সম্মানের। তাই বইটা আমার অনেক ভালো লেগেছে।

      By prottoy pijush

      26 Oct 2016 06:58 PM

      Was this review helpful to you?

      or

      #রকমারি_বইপোকা_রিভিউ_প্রতিযোগীতা সুপ্রিয়া দে বই: শেখ মুজিব আমার পিতা লেখিকা: শেখ হাসিনা মূল্য:২৫০৳ প্রকাশনী: আগামী প্রকাশনী ভূমিকাঃ সবাই তো উপন্যাস,কাবগ্রন্থের রিভিউ দেয়।তাই আমার ইচ্ছে করল আত্মজীবনী নিয়ে লিখতে।আর তা যদি জাতির জনককে নিয়ে লেখা তাঁর কন্যার বই হয় তাহলে তো অবশ্যই কিছু লিখতে হয়। বই সম্পর্কিত তথ্যাবলীঃ "শেখ মুজিব আমার পিতা" নামটিতেই এক গর্ব কাজ করে,এই গর্ব আমাদের দেশের গর্ব,আমাদের সাধারণ মানুষের গর্ব। এই রচনায় উঠে এসেছে শেখ পরিবারের অনেক অজানা তথ্য,একটি পরিবারের বেঁচে থাকার ইতিহাস আর দেশের অভ্যুদয়ের মুহূর্তে পরিবারটির অজস্র সংগ্রামের ঘটনা। এই বইটির ভূমিকা লিখেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম।তিনি তাঁর ভূমিকায় বঙ্গবন্ধুর নিহত হওয়ার সময় থেকে চার নেতার হত্যাকান্ড এবং প্রধানমন্ত্রীর স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন থেকে শুরু করে বর্তমানে তাঁর লেখিকা পরিচিতির সংক্ষিপ্ত বর্ণনা দিয়েছেন।যা বইটির সৌন্দর্য বৃদ্ধি করেছে। এছাড়াও এই বইতে পার্থ ঘোষের একটি নাতিদীর্ঘ প্রস্তাবনা আছে যা বইটি পড়ার সময় ঘটনাবলীর প্রেক্ষাপট জানতে সহায়ক হবে। বইয়ের সারসংক্ষেপঃ বইটি চারটি মূল অধ্যায়ে বিভক্ত হলেও এর ভেতর প্রতি অধ্যায়ে তিনটি করে অনুচ্ছেদ আছে।প্রথম দুই অধ্যায়ে পারিবারিক স্মৃতি থাকলেও তৃতীয় অধ্যায়ে লেখিকা ড.আবদুল মতিন চৌধুরী,বেগম জাহানারা ইমাম এবং নূর হোসেনকে নিয়ে স্মরণ-শ্রদ্ধার্ঘ্য দিয়েছেন। প্রথম অধ্যায়ে লেখিকার কলমে উঠে এসেছে তাঁর পিতার ছেলেবেলা থেকে শুরু করে রাজনীতিতে অংশগ্রহণের ঘটনাবলী।বইয়ের প্রতিটি অধ্যায়ে টুকরো টুকরো করে বাংলাদেশের গৌরবোজ্জ্বল রাজনৈতিক সময়ের কথা বলা আছে যা আমাদের গর্বিত করে তোলে। এই বইতে লেখিকা তাঁর ছোটবেলার মজাদার সময় কাটানোর কথা বর্ণনা করেছেন।প্রধানমন্ত্রীর শৈশব কালের দস্যিপনার কথা পড়লে মন ভরে যেতে বাধ্য। পাঠ প্রতিক্রিয়াঃ আমার কাছে আত্মজীবনীমূলক উপন্যাসে রেটিং দেওয়াটা ধৃষ্টতা মনে হয়।তবে শেখ হাসিনা লেখিকা না হওয়ার কারণে অথবা তাঁর নিজের টুকরো স্মৃতি হওয়াতে হয়তো বইটা পড়ার সময় অধ্যায়গুলোতে সামঞ্জস্যতার অভাব পাওয়া যেতে পারে।তদুপরি,বইটা আমার ভালো লাগার স্খান দখল করে আছে কারণ এই শেখ পরিবারের কাছে আমরা ঋণী।তাঁদের পারিবারিক ঘটনা জানাটা আমাদের জন্য সম্মানের। তাই বইটা আমার অনেক ভালো লেগেছে।

      By murad

      06 May 2016 02:50 AM

      Was this review helpful to you?

      or

      একুশে বইমেলায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বেশ কয়েকটি বই আসছে। এরই মধ্যে কয়েকটি বই এসেছে। আরো কয়েকটি শিগগিরই প্রকাশিত হবে। মেলার প্রথম দিন থেকেই পাওয়া যাচ্ছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে নিয়ে লেখা বই ‘শেখ মুজিব আমার পিতা’। স্বাধীনতা মহাকাব্যের মহানায়ক সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে নিয়ে অনেকেই গ্রন্থ রচনা করেছেন। সম্প্রতি বঙ্গবন্ধুর 'অসমাপ্ত আত্মজীবনী' প্রকাশিত হয়েছে। কিন্তু 'শেখ মুজিব আমার পিতা' গ্রন্থে পাঠক বঙ্গবন্ধুর জীবনী এবং বঙ্গবন্ধুর পরিবারের এমন অনেক অজানা তথ্য খুঁজে পাবেন-যা আগে কোথাও পাননি। গ্রন্থটি মূলত শেখ হাসিনা লিখিত স্মৃতিকথামূলক আত্মজৈবনিক রচনা। যাতে স্থান পেয়েছে বঙ্গবন্ধুর জীবন এবং বঙ্গবন্ধু পরিবারের অনেক অজানা তথ্য। এছাড়াও রয়েছে জননেত্রী শেখ হাসিনার লড়াই সংগ্রামের ইতিহাস। এছাড়াও বইটিতে রয়েছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার লড়াই সংগ্রামের ইতিহাস। প্রধানমন্ত্রী লেখা ও সম্পাদিত অন্যান্য বইগুলো হচ্ছে‌- ‌সাদা কালো, ‌ওরা টোকাই কেন, দারিদ্র্য দূরীকরণ: কিছু চিন্তাভাবনা, সহে না মানবতার অবমাননা, বাংলাদেশে স্বৈরতন্ত্রের জন্ম বিপন্ন গণতন্ত্র লাঞ্ছিত মানবতা, লিভিং ইন টিয়ারস, পিপল অ্যান্ড ডেমোক্রেসি, আমরা জনগণের কথা বলতে এসেছি (জাতীয় সংসদে প্রদত্ত ভাষণ) এবং বাংলাদেশ জাতীয় সংসদে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান (বেবি মওদুদের সঙ্গে যৌথ সম্পাদনা) স্মৃতি বড় মধুর, স্মৃতি বড় বেদনার। এটা অসাধারণ একটা লেখা। এরকম মায়াময় এক লেখার শেষটায় যে কি কষ্ট! একটা বিষয় দেখলাম, শেখ হাসিনা স্মৃতিচারণমূলক লেখা বেশ ভালো লিখে। কেন যে সে তাঁর পারিবারিক, রাজনৈতিক জীবন নিয়ে আরো বেশি করে লিখলো না?

    •  

    Recently Viewed


    Great offers, Direct to your inbox and stay one step ahead.
    • You can pay using


    • 16297 / 01519-521971(Hotline)

    • +8801708166234-38 (Corporate Sales)

    • [email protected]

    • 2/2E Arambag Motijheel,
      Dhaka-1000

    Rokomari is one the most comprehensive online book shops that helps saving a lot of time and money. You can buy books online through few-clicks or convenient phone call. With breathtaking discounts you can buy more from rokomari.com. Superfast cash on delivery service brings the products at your doorstep. Our customer support, return and replacement policies will surely add extra confidence in your online shopping experience.