রাসূল (সাঃ), সাহাবি এবং তাবিয়িদের চোখে দুনিয়া (কিতাবুয যুহদ গ্রন্থের অনুবাদ) সম্পর্কিত -৩টি বই (রকমারি কালেকশন)

রাসূল (সাঃ), সাহাবি এবং তাবিয়িদের চোখে দুনিয়া (কিতাবুয যুহদ গ্রন্থের অনুবাদ) সম্পর্কিত -৩টি বই (রকমারি কালেকশন) (হার্ডকভার)

,

TK. 757 TK. 1,009 25% Off

অনলাইনে পেমেন্ট বিকাশ করলেই ২০% ইন্সট্যান্ট ক্যাশব্যাক।

হুমায়ূন আহমেদের ৳৫০০+ বই কিনলেই একটি আকর্ষণীয় নোটবুক ফ্রি।

৳১০০০+ যেকোন অর্ডারে হুমায়ূন আহমেদের অন্তত ১টি বই থাকলেও এই নোটবুক পাওয়া যাবে।

1 Ratings

Product Specification & Summary

‘রাসূলের চোখে দুনিয়া’ বইয়ের ফ্ল্যাপের কথাঃ
দুনিয়া এক রহস্য-ঘেরা জায়গা! এখানে মানুষ আসে। শৈশব, কৈশোর ও তারুণ্যের সিঁড়ি বেয়ে বার্ধক্যে পৌছে। তারপর হঠাৎ একদিন চলে যায়। এই স্বল্পতম সময়ে দুনিয়াবি সফলতার চাবি অর্জনে মানুষ সাফল্যের সিঁড়ি বেয়ে উপরে উঠার সংগ্রাম করে; অথচ সে জানে না উপরে উঠতে গিয়ে সে কতটা নিচে নেমে যাচ্ছে!
দুনিয়ার সাথে আমাদের সত্যিকার সম্পর্ক কী? দুনিয়ার ব্যাপারে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি কেমন হওয়া উচিত? প্রকৃত সফলতা কিসে? নাবি-রাসূলদের জীবন ও বক্তব্য থেকে এসব প্রশ্নের উত্তর জানতে পড়ুন সাড়ে এগারো শত বছর পূর্বে রচিত এক মহামূল্যবান গ্রন্থ ‘কিতাবুয যুহদ বা রাসূলের চোখে দুনিয়া।
বিষয়সূচী
অনুবাদকের কথা ২৬
লেখক পরিচিতি ….৩০
বহুল-ব্যবহৃত আরবি বাক্যাংশের অর্থ....৩২
মুহাম্মাদ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ও দুনিয়া….৩৩
মাসজিদে আসা-যাওয়ার গুরুত্ব ......৩৩
সারারাত ঘুমে কাটিয়ে দেয়ার নিন্দা....৩৩
রাসূলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সালাতের ধরন ........৩৩
রুকু ও সাজদায়তিনি যেসব তাসবীহঅধিক পরিমাণে পাঠকরতেন...............৩৪
রাসূলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এক ইয়াহূদির নিকট নিজের বর্ম বন্ধক রেখে খাবার কিনেছিলেন …৩৪
তাঁরআচরণ ,................৩৪
ঘরে তিনি যেসব কাজ করতেন...........৩৪
ইন্তেকালের সময় রাসূল (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর রেখে যাওয়া সম্প ......................৩৫
তিনি কখনো কোনো খাবারের দোষ অন্বেষণ করতেন না.......৩৫
কেউ কোনো কিছু চাইলে তিনি কখনো ‘না’বলেননি................................৩৫
তাঁর গৃহে কখনো কোনো সন্ধ্যায় এক সা পরিমাণ শস্যকিংবা খেজুর ছিলনা ......৩৬
এক ইয়াহূদির নিমন্ত্রণে নাবি (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সাড়া দিয়েছিলেন ......................৩৬
দীর্ঘ সময় পর্যন্ত তাঁর নিকট কোনো খেজুর ও পানি ছিল না.........৩৬
তাঁর গৃহেকখনো কখনো একমাস পর্যন্ত কোনো রুটি বানানো হয়নি.....৩৭
দাস যেভাবে বসে খাবার খায়, তিনিও সেভাবে খাবার খেতেন......৩৭
দীর্ঘদিন তিনি পেটভরে উষ্ণ খাবার খাননি….৩৭
তিনি বিলাসী পানীয় পরিহার করেছেন........৩৮
বিলাসিতা থেকে দূরে থাকার নির্দেশ....৩৮
নাবি (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর জামার আস্তিনের দৈর্ঘ্য ............৩৮
তিনি এক সাহাবির জামার দীর্ঘ হাতা কেটে দেন…..৩৮
তিনি যেসব পোশাক পরতেন না............৩৯
রাসূলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর ইন্তেকালের সময় রেখে যাওয়া সম্পদের বিবরণ…..৩৯
ছবি-সজ্জিত ঘরে নাবি (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) প্রবেশ করেননি.......৪০
পোশাকের দীনতা ঈমানের অংশ...৪০
আহলুস-সুফফার সাহাবিদের কাপড়ের টানাপড়েন.................৪০
নাবি (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর স্ত্রীগণ উলের বস্ত্র পরিধান করতেন..৪১
সফরে কয়েকজন সিয়ামহীন সাহাবির প্রশংসায় নাবি (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)..........৪১
নাবি (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) প্রতিদিন একশত বার ক্ষমা প্রার্থনা ও অনুশোচনা করতেন .........৪১
দুনিয়ার জীবন গ্রীষ্মকালীন সফরের খানিক বিরতির চেয়ে বেশি কিছু নয় .........৪২
যেটুকু প্রয়োজন সেটুকু খাবারের জন্য আল্লাহর নিকট দুআ ................৪২
জীবনের নিগূঢ় রহস্য জানতে পারলে মানুষ অল্প হাসততা ও অধিক কাঁদতো.........৪২
আগামীকালের জন্য খাবার মজুদকরার উপর নিষেধাজ্ঞা ......................৪২
নাবি (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কাঠবাটিনের গোল পাত্রে খাবার খেতেন ৪৩
আল্লাহর নিকট আত্মসমর্পণ ও ন্যূনতম জীবনোপকরণে পরিতৃপ্তিই সফলতার .................. ৪৩
নাবি (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর প্লেটে কখনো কোনো খাবার অবশিষ্ট থাকতোনা...................88
দুনিয়াতে অপরিচিত ব্যক্তি কিংবা মুসাফিরের ন্যায় জীবনযাপনকরা উচিত .......৪৪
আগামীকালের অপেক্ষায় না থেকে সময়কে কাজে লাগানো উচিত ...............৪৪
জান্নাতবাসীর মৃত্যু নেই.....৪৪
নাবি (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ভালো খাবার একলা খেয়ে তৃপ্ত হতেন না ৪৫
কৃপণতানাকরার উপদেশ........ ৪৫
কয়েকটি সূরার ভারী নির্দেশনাবি (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বুড়ো বানিয়ে দিয়েছিল....৪৫
আল্লাহর ভয়ে কান্নাকাটি করার চক্ষু লাভের জন্য দুআ........................... ৪৫
পরিচায়ক ....................... ৪৫
অনুবাদক পরিচিতিঃ
জিয়াউর রহমান মুন্সী। জন্ম ১৯৮৪ সালে, কুমিল্লা জেলার মুরাদনগর থানায়। ৫ম শ্রেণিতে বৃত্তি পেয়ে সপ্তম শ্রেণি পর্যন্ত উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষা লাভ করেন। তারপর হিফজুল কুরআন সম্পন্ন ও কওমি নেসাবের বিভিন্ন স্তর অতিক্রম করে আলিয়া মাদ্রাসায় কামিল শ্রেণি পর্যন্ত অধ্যয়ন করেন। আলিম পরীক্ষায় সম্মিলিত মেধাতালিকায় ২য় স্থান, ফাজিল পরীক্ষায় ১৪তম স্থান অর্জনসহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগ থেকে প্রথম শ্রেণি পেয়ে অনার্স ও মাস্টার্স সম্পন্ন করেন। বর্তমানে একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে সহকারী অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত। মাতৃভাষার পাশাপাশি আরবি ইংরেজি উর্দ ও ফার্সি ভাষায় সমান পারদর্শী এ তরুণ গবেষক। বিভিন্ন ভাষায় লেখা ইসলামের কালজয়ী গ্রন্থাবলি বাংলা ভাষাভাষী পাঠকদের সামনে তুলে ধরার লক্ষ্যে এখন তিনি ফ্রেঞ্চ, জার্মান ও ল্যাটিন ভাষা আয়ত্ত করার সাধনায় নিরত। বক্ষ্যমাণ অনুবাদ গ্রন্থটি ছাড়াও তার অনুদিত গ্রন্থাবলির মধ্যে রয়েছে : “মাযহাব : অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যৎ”, সিয়ান পাবলিকেশন ২০১৪; “কুরআন বোঝার মূলনীতি”, সিয়ান পাবলিকেশন ২০১৬; ও “হাদীস মূল্যায়ন পদ্ধতি, সিয়ান পাবলিকেশন (প্রকাশিতব্য)। বর্তমানে তিনি ‘মিফতাহু কুনূযিস সুন্নাহ (হাদীস ভান্ডারের বিষয়-নির্দেশিকা)-গ্রন্থের অনুবাদ ও বাংলা ভাষায় একটি বৃহদায়তন প্রামাণ্য ও সমন্বিত সীরাত গ্রন্থ প্রণয়নের কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। আলাহ তার কাজে সহায় হোন! আমীন!
প্রকাশক
"সাহাবিদের চোখে দুনিয়া" বইয়ের সংক্ষিপ্ত কথা:
নবি-রাসূলগণ যেই দৃষ্টি নিয়ে দুনিয়াকে দেখতেন তা সবচেয়ে বেশি যারা মনে প্রাণে আত্মস্থ এবং উপলব্ধি করেছিলেন তারা হচ্ছেন সাহাবা রাদিয়াল্লাহু আনহুম আজমাইন। আমাদের প্রিয় নবি মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেই গিয়েছেন উম্মতের সেরা প্রজন্ম হচ্ছেন নবির সাহাবারা।
উম্মতের সেরা প্রজন্ম হিসেবে, কী এমন দৃষ্টিভঙ্গি তারা লালন করতেন যে দুনিয়াতে থাকা অবস্থায়ই আল্লাহ রাব্বুল আলামিন তাদেরকে জান্নাতের সুসংবাদ দিয়েছিলেন। ১৪০০ বছর পরে আজকের এই যুগে আমরা যদি ইসলামকে উপলব্ধি করতে চাই তবে অবশ্যই জানতে হবে সাহাবিরা ঠিক কোন চোখে এই দুনিয়াকে দেখেছেন, কোন দৃষ্টিভঙ্গির কারণে দুনিয়া ও আখিরাতে সফলদের অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন।
নবি-সাহাবিদের চোখে এই দুনিয়া ঠিক কেমন ছিল এই বিষয়কে কেন্দ্র করে সালাফদের মাঝে যারা কিতাব রচনা করে গিয়েছেন তাদের মাঝে ইমাম আহমাদ ইবনু হাম্বাল অন্যতম। তার রচিত সাড়ে এগারো শত বছর পূর্বের "কিতাবুয যুহদ" এর অনুবাদ হিসেবে মাকতাবাতুল বায়ান থেকে ইতোপূর্বেই প্রকাশিত হয়েছে প্রথম খন্ড "রাসূলের চোখে দুনিয়া"। তারই ধারাবাহিকতায় এবার আসছে দ্বিতীয় পর্ব "সাহাবিদের চোখে দুনিয়া"। এই খন্ডে বিখ্যাত সাহাবিদের জীবনের দৃষ্টিভঙ্গি জানার পাশাপাশি জানা যাবে, দুনিয়াকে কোন চোখ দিয়ে দেখার মাঝে এই উম্মতের সফলতা, দুনিয়া এবং আখিরাতের কল্যাণ নিহিত সেই রুপরেখা।

"সাহাবিদের চোখে দুনিয়া" বইয়ের বিষয়সুচি:
সম্পাদকীয় ভূমিকা.....৯
আবু বকর সিদ্দিক (রাদিয়াল্লাহু আনহু)-এর চোখে দুনিয়া.....১৩
উমর ইবনুল খাত্তাব (রাদিয়াল্লাহু আনহু)-এর চোখে দুনিয়া.....২২
উসমান ইবনে আফফান (রাদিয়াল্লাহু আনহু)-এর চোখে দুনিয়া.....৪৫
আলী বিন আবু তালিব (রাদিয়াল্লাহু আনহু)-এর চোখে দুনিয়া.....৫২
আবুদ দারদা (রাদিয়াল্লাহু আনহু)-এর চোখে দুনিয়া.....৫৯
যুবাইর ইবনুল আওয়াম (রাদিয়াল্লাহু আনহু)-এর চোখে দুনিয়া.....৭৬
তালহা বিন উবায়দুল্লাহ (রাদিয়াল্লাহু আনহু)-এর চোখে দুনিয়া.....৭৮
আবু যর গিফারি (রাদিয়াল্লাহু আনহু)-এর চোখে দুনিয়া.....৮০
ইমরান বিন হুসাইন (রাদিয়াল্লাহু আনহু)-এর চোখে দুনিয়া.....৮৬
সালমান ফারেসি (রাদিয়াল্লাহু আনহু)-এর চোখে দুনিয়া.....৮৯
আবু হুরায়রাহ (রাদিয়াল্লাহু আনহু)-এর চোখে দুনিয়া.....৯৬
আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রাদিয়াল্লাহু আনহু)-এর চোখে দুনিয়া.....১০৩
আয়েশা সিদ্দীকা (রাদিয়াল্লাহু আনহা)-এর চোখে দুনিয়া.....১১৮
উম্মুদ দারদা (রাদিয়াল্লাহু আনহা)-এর চোখে দুনিয়া.....১২১
আলী ইবনুল হুসাইন (রাহিমাহুল্লাহ)-এর চোখে দুনিয়া.....১২২
হুযায়ফাহ ইবনুল ইয়ামান (রাদিয়াল্লাহু আনহু)-এর চোখে দুনিয়া.....১৪৩
মুআয ইবনে জাবাল (রাদিয়াল্লাহু আনহু)-এর চোখে দুনিয়া.....১৪৪
আবু উবায়দাহ ইবনুল জাররাহ (রাদিয়াল্লাহু আনহু)-এর চোখে দুনিয়া.....১৫২
সাঈদ বিন আমের বিন খুযাইমাহ (রাদিয়াল্লাহু আনহু)-এর চোখে দুনিয়া.....১৫৪
উমাইর বিন হাবিব বিন হামাসা (রাদিয়াল্লাহু আনহু)-এর চোখে দুনিয়া.....১৫৬
আবু মাসঊদ আল-আনসারি (রাদিয়াল্লাহু আনহু)-এর চোখে দুনিয়া.....১৬০
আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রাদিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর চোখে দুনিয়া.....১৬১
আবদুল্লাহ ইবনে উমর (রাদিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর চোখে দুনিয়া.....১৬৩ "তাবিয়িদের চোখে দুনিয়া" বইয়ের সংক্ষিপ্ত কথা:
প্রথম তিন প্রজন্ম (সালফে সালেহীনগণ) দুনিয়াকে যেভাবে দেখেছেন, সেটাই ছিল সঠিক দৃষ্টিভঙ্গি। একজন মুসলিম যতক্ষণ পর্যন্ত তাঁদের দৃষ্টিভঙ্গি বিবেচনায় রেখে এই দুনিয়াকে দেখবে, ততক্ষণ যে নিরাপদ থাকবে। কিন্তু যখন তার দৃষ্টি পাশ্চাত্যের দিকে, অবিশ্বাসীদের দিকে কিংবা নিজ প্রবৃত্তির দিকে ঝুঁকে যাবে, তখন সে বিপদের সম্মুখীন হবে। তার দুনিয়াও বরবাদ হবে, আর আখিরাতেও সে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তাই দুনিয়ার ব্যাপারে সঠিক দৃষ্টিভঙ্গি কোনটা, সে বিষয়ে জ্ঞান রাখাটা জরুরি। ইমাম আহমাদ বিন হাম্বাল তাঁর “কিতাবুয যুহ্‌দ” গ্রন্থে দুনিয়ার ব্যাপারে সালফে সালেহীনদের দৃষ্টিভঙ্গি কী ছিল, তা নিয়ে আলোচনা করেছেন। নিঃসন্দেহে কিতাবটি মুসলিম উম্মাহর অমূল্য সম্পদ। কিন্তু দুঃখজন হলেও সত্যি, কিতাবটির বাংলা কিংবা ইংরেজি অনুবাদ এত বছরেও প্রকাশিত হয়নি।
দুনিয়ার ব্যাপারে ইসলামের সঠিক দৃষ্টিভঙ্গি কী হওয়া দরকার, সে বিষয়টা মাথায় রেখেই “মাকতাবাতুল বায়ান” বইটি বাংলায় অনুবাদ করার সিদ্ধান্ত নেয়। আলহামদুলিল্লাহ, ইতোমধ্যেই বইটির দু-খণ্ড “রাসূলের চোখে দুনিয়া” ও “সাহাবিদের চোখে দুনিয়া” নামে প্রকাশিত হয়েছে।সেই ধারাবাহিকতায় কিতাবটির শেষ খণ্ড ‘তাবিয়িদের চোখে দুনিয়া।’

"তাবিয়িদের চোখে দুনিয়া" বইয়ের বিষয়সুচি:
অনুবাদকের কথা.......৭
বহুল-ব্যবহৃত আরবি বাক্যাংশের অর্থ.......১০
আমির ইবনু আবদি কাইস রাহিমাহুল্লাহ-এর চোখে দুনিয়া.......১১
মালিক ইবনু আবদিল্লাহ আল-খাসআমি রাহিমাহুল্লাহ-এর চোখে দুনিয়া.......২৭
হারিম ইবনু হাইয়ান রাহিমাহুল্লাহ-এর চোখে দুনিয়া.......৩১
আহনাফ ইবনু কায়স রাহিমাহুল্লাহ-এর চোখে দুনিয়া.......৩৭
খুলাইদ আল-আসারি রাহিমাহুল্লাহ-এর চোখে দুনিয়া.......৪২
মুতাররিফ ইবনুশ শিখখির রাহিমাহুল্লাহ-এর চোখে দুনিয়া.......৪৫
মুসলিম ইবনু ইয়াসার রাহিমাহুল্লাহ-এর চোখে দুনিয়া.......৬২
আলা ইবনু জিয়াদ রাহিমাহুল্লাহ-এর চোখে দুনিয়া.......৭০
হাসান বসরি রাহিমাহুল্লাহ-এর চোখে দুনিয়া.......৭৯
উমার ইবনু আবদুল আযীয রাহিমাহুল্লাহ-এর চোখে দুনিয়া.......১৩০
আবুল আলিয়া রাহিমাহুল্লাহ-এর চোখে দুনিয়া.......১৪৯
আকূ কিলাবা রাহিমাহুল্লাহ-এর চোখে দুনিয়া.......১৫১
বাকর ইবনু আবদুল্লাহ মুযানি রাহিমাহুল্লাহ-এর চোখে দুনিয়া.......১৫৩
মুআররিক ইজলি রাহিমাহুল্লাহ-এর চোখে দুনিয়া.......১৫৭
মুহাম্মাদ ইবনু সিরীন রাহিমাহুল্লাহ-এর চোখে দুনিয়া.......১৫৯
আবুস সওয়ার আদাওয়ি রাহিমাহুল্লাহ-এর চোখে দুনিয়া.......১৭৩
মালিক ইবনু দীনার রাহিমাহুল্লাহ-এর চোখে দুনিয়া.......১৭৮
রবী ইবনু খুসাইম রাহিমাহুল্লাহ-এর চোখে দুনিয়া.......১৯৫
উআইস কারনি রাহিমাহুল্লাহ-এর চোখে দুনিয়া.......২১৫
আসওয়াদ ইবনু ইয়াজিদ রাহিমাহুল্লাহ-এর চোখে দুনিয়া.......২২৫
মাসরূক রাহিমাহুল্লাহ-এর চোখে দুনিয়া.......২২৭
আমর ইবনু উতবা রাহিমাহুল্লাহ-এর চোখে দুনিয়া.......২৩৩
আসওয়াদ ইবনু ইয়াজিদ রাহিমাহুল্লাহ-এর চোখে দুনিয়া.......২৩৯
আবু ওয়ায়েল রাহিমাহুল্লাহগ-এর চোখে দুনিয়া.......২৪২
আবদুর রহমান ইবনু আসওয়াদ রাহিমাহুল্লাহ-এর চোখে দুনিয়া.......২৪৭
ইবরাহীম তাইমি রাহিমাহুল্লাহ-এর চোখে দুনিয়া.......২৫০
আসেম ইবনু হুবাইরা রাহিমাহুল্লাহ-এর চোখে দুনিয়া.......২৫২
সাঈদ ইবনু জুবায়ের রাহিমাহুল্লাহ-এর চোখে দুনিয়া.......২৬৩
ওয়াহহব ইবনু মুনাব্বিহ রাহিমাহুল্লাহ-এর.......২৬৬
তাউস রাহিমাহুল্লাহ-এর চোখে দুনিয়া.....২৭১
মুজাহিদ রাহিমাহুল্লাহ-এর চোখে দুনিয়া.....২৭৬
উবায়দ ইবনু উমায়র রাহিমাহুল্লাহ-এর চোখে দুনিয়া.....২৭৮
আবু মুসলিম খাওলানি রাহিমাহুল্লাহ-এর চোখে দুনিয়া.....২৯৭

Title রাসূল (সাঃ), সাহাবি এবং তাবিয়িদের চোখে দুনিয়া (কিতাবুয যুহদ গ্রন্থের অনুবাদ) সম্পর্কিত -৩টি বই (রকমারি কালেকশন)
Author
Translator
Editor
Publisher
Number of Pages 759
Country বাংলাদেশ
Language বাংলা

Customers who bought this product also bought

Reviews and Ratings

2.0

1 Rating

call center

Help: 16297 / 01519521971 24 Hours a Day, 7 Days a Week

Pay cash on delivery

Pay cash on delivery Pay cash at your doorstep

All over Bangladesh

Service All over Bangladesh

Happy Return

Happy Return All over Bangladesh