ঈশ্বরের সৃষ্টি ও মানুষের শ্রেষ্ঠত্ব: ঈশ্বর কীভাবে শূন্য থেকে এই সুন্দর মহাবিশ্ব, প্রকৃতি এবং জীবজগৎ সৃষ্টি করেছেন তা আলোচনা করা হয়েছে। সৃষ্টির সেরা জীব হিসেবে মানুষকে কেন সৃষ্টি করা হয়েছে এবং সৃষ্টির যত্ন নেওয়ার (পরিবেশ রক্ষা) দায়িত্ব কীভাবে মানুষের ওপর বর্তায়, তা শেখানো হয়।
পারিবারিক ও সামাজিক সম্পর্কে ভালোবাসা: খ্রিষ্টীয় বিশ্বাসের মূল ভিত্তি হলো প্রেম বা ভালোবাসা। পরিবার, বিদ্যালয় এবং সমাজে সবার সাথে মিলেমিশে থাকা, বড়দের সম্মান করা এবং ছোটদের স্নেহ করার মাধ্যমে ঈশ্বরের ভালোবাসা কীভাবে প্রকাশ করা যায়, তা আলোচনা করা হয়েছে।
যীশু খ্রিষ্টের শৈশব ও বাল্যকাল: যীশু খ্রিষ্টের জন্ম (বড়দিন), তাঁর মা মারীয়া ও পালক পিতা যোষেফের বাধ্য সন্তান হিসেবে তাঁর বেড়ে ওঠা এবং নাসরতের সাধারণ জীবনযাপনের মধ্য দিয়ে তাঁর বাধ্যতার আদর্শ শিক্ষার্থীদের সামনে তুলে ধরা হয়েছে।
নৈতিকতা ও মূল্যবোধের সূচনা: সত্য কথা বলা, সততা বজায় রাখা, অন্যের জিনিস না বলে না নেওয়া এবং নিজের ভুল স্বীকার করার মতো মৌলিক নৈতিক গুণাবলী অর্জনের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।
প্রার্থনা ও উপাসনা: একজন খ্রিষ্টান হিসেবে দৈনন্দিন ব্যক্তিগত ও পারিবারিক প্রার্থনার গুরুত্ব, ঈশ্বরের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ এবং চার্চ বা মণ্ডলীর রবিবাসরীয় উপাসনায় অংশগ্রহণের তাৎপর্য ব্যাখ্যা করা হয়েছে।
সহমর্মিতা ও সেবা: ক্লাসের সহপাঠী বা চারপাশের কোনো বন্ধু বিপদে পড়লে বা অসুস্থ হলে তাকে সাহায্য করা এবং যীশুর আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে পরোপকারী হয়ে ওঠার শিক্ষা দেওয়া হয়েছে।
মূল উদ্দেশ্য: ষষ্ঠ শ্রেণীর শিক্ষার্থীদের মাঝে ঈশ্বরের প্রতি গভীর বিশ্বাস ও ভালোবাসা তৈরি করা, শৈশব থেকেই যীশুর মতো বাধ্য ও বিনয়ী হওয়া এবং নৈতিক মূল্যবোধের চর্চার মাধ্যমে একজন ভালো মানুষ হিসেবে গড়ে তোলা।