ঈশ্বরের আহ্বান ও মানুষের সাড়া: পুরাতন নিয়মের বিভিন্ন নবী ও বিশ্বাসের মানুষদের (যেমন: অব্রাহাম, মোশি) ঈশ্বর কীভাবে আহ্বান করেছিলেন এবং তাঁরা কীভাবে বিশ্বাসের মাধ্যমে সাড়া দিয়েছিলেন, তা আলোচনা করা হয়েছে।
যীশু খ্রিষ্টের অলৌকিক কাজ ও আরোগ্য দান: যীশু কীভাবে পীড়িত ও দুঃখী মানুষকে ভালোবেসে অলৌকিক উপায়ে সুস্থ করেছিলেন এবং এই আরোগ্য দানের ভেতরের আধ্যাত্মিক শিক্ষা কী, তা সহজভাবে তুলে ধরা হয়েছে।
ঈশ্বরের রাজ্য ও উপমা: যীশু খ্রিষ্টের প্রচারিত 'ঈশ্বরের রাজ্য' (Kingdom of God) এবং এই রাজ্যকে বোঝানোর জন্য তিনি যে বিভিন্ন জীবনমুখী উপমা (যেমন: বপনকারীর উপমা, হারানো ভেড়ার উপমা) ব্যবহার করেছিলেন, সেগুলোর তাৎপর্য ব্যাখ্যা করা হয়েছে।
পবিত্র আত্মা ও মণ্ডলীর যাত্রা: যীশুর পুনরুত্থানের পর শিষ্যদের ওপর পবিত্র আত্মার আগমন (পেন্টেকস্ট) এবং আদি খ্রিষ্টীয় মণ্ডলী বা চার্চের গঠন ও ধর্ম প্রচারের ইতিহাস এতে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
পারিবারিক মূল্যবোধ ও সমাজ সেবা: পরিবারে পিতামাতা ও ভাইবোনের প্রতি কর্তব্য এবং সমাজে দরিদ্র ও অসহায় মানুষের সেবায় কীভাবে খ্রিষ্টীয় ভালোবাসার প্রকাশ ঘটানো যায়, সেই শিক্ষা দেওয়া হয়েছে।
নৈতিক চরিত্র গঠন ও অধিকার সচেতনতা: সত্যবাদিতা, সততা, ও ন্যায়ের পথে চলার পাশাপাশি অন্যের মানবাধিকার রক্ষা ও পরিবেশের যত্ন নেওয়ার বিষয়ে শিক্ষার্থীদের সচেতন করা হয়েছে।
মূল উদ্দেশ্য: শিক্ষার্থীদের খ্রিষ্টীয় বিশ্বাসে দৃঢ় করা, যীশুর আদর্শে জীবন গড়তে অনুপ্রাণিত করা এবং সমাজ ও দেশের কল্যাণে একজন দায়িত্বশীল ও নৈতিকতাসম্পন্ন মানুষ হিসেবে গড়ে তোলা।