সূর্য দীঘল বাড়ী - আবু ইসহাক | Buy Surzo Dighol Bari - Abu Ishak online | Rokomari.com, Popular Online Bookstore in Bangladesh
cart_icon
0

TK. 0

Product Specification

Title সূর্য দীঘল বাড়ী
Author আবু ইসহাক
Publisher নওরোজ সাহিত্য সম্ভার
Quality হার্ডকভার
ISBN 9789847021348
Edition 25th Edition, 2017
Number of Pages 110
Country বাংলাদেশ
Language বাংলা

Product Summary

“সূর্য দীঘল বাড়ী বইটির”ফ্ল্যাপের কথাঃ
উভয় বাংলার অল্পক’টি সার্থক উপন্যাসের মধ্যে সূর্য-দীঘল বাড়ী একটি। অনূদিত হয়ে বইটি বিভিন্ন বিদেশী ভাষায় প্রকাশিত হয়েছে। সূর্য-দীঘল বাড়ী অবলম্বনে নির্মিত চলচ্চিত্র ছ'টি
আন্তর্জাতিক এবং বিভিন্ন বিভাগে নটি জাতীয় পুরস্কার লাভ করে। তার ছােট গল্পগ্রন্থ ‘মহাপতঙ্গ 2039. The Dragonfly' (মহাপতঙ্গ) গল্প অবলম্বনে রচিত চিত্রনাট্য সুইজ্যারল্যান্ডে আন্তর্জাতিক প্রতিযােগিতায় পুরস্কার লাভ করে। হারেম’ নামে তার প্রথম
ছােটগল্প-গ্রন্থটির ততীয় মুদ্রণ ১৯৮৭ সালে প্রকাশিত হয়েছে। তাঁর প্রথম মুদ্রিত গল্প ‘অভিশাপ' প্রকাশিত হয় ১৯৪০ সালে কবি কাজী নজরুল ইসলাম সম্পাদিত নবযুগ (কলকাতা)। পত্রিকায়।
বইটির প্রথম অংশের কিছু কথাঃ
তার বংশ ধ্বংস হয়। বংশে বাতি দেয়ার লােক থাকে না। গ্রামের সমস্ত বাড়ীই উত্তর-দক্ষিণ প্রসারী। | সূর্য-দীঘল বাড়ীর ইতিহাস ভীতিজনক। সে ইতিহাস জয়গুন ও শফির মা-র অজানা নয়। সে অনেক বছর আগের কথা। এ গ্রামের হাতেম ও খাদেম নামে দুই ভাই ছিল। ঝগড়া করে ভাই-ভাই ঠাই-ঠাই হয়ে যায়। খাদেম আসে সূর্য-দীঘল বাড়ীটায়। বাড়ীটা বহুদিন থেকেই খালি পড়ে ছিল। | এখানে এক সময়ে লােক বাস করত, সন্দেহ নেই। কিন্তু তারা বংশ রক্ষা করতে পেরেছিল কিনা কেউ জানে না। তবুও লােকের ধারণা, সূর্য-দীঘল বাড়ীতে নিশ্চয়ই বংশ লােপ পেয়ে থাকবে। নচেৎ এরকম বিরান পড়ে থাকবে কেন?
যাই হােক, শুভাকাঙ্ক্ষীদের নিষেধ অগ্রাহ্য করে খাদেম এসে সূর্য-দীঘল বাড়ীতে বসবাস আরম্ভ করে। কিন্তু একটি বছরও ঘুরল না। বর্ষার সময় তার একজোড়া ছেলে-মেয়ে পানিতে ডুবে মারা গেল। সবাই বুঝতে পারল-বংশ নির্বংশ হওয়ার পালা শুরু হল এবার। বুড়ােরা উপদেশ দিলেন বাড়ীটা ছেড়ে দেয়ার জন্য। বন্ধু-বান্ধবরা গালাগালি শুরু করল—আল্লার দুইন্যায় আর বাড়ী নাই তাের লাইগ্যা। সূর্য-দীগল বাড়ীতে দ্যা কি দশা অয় এইবার। | খাদেমের মনেও ভয় ঢুকে গিয়েছিল। সাতদিনের মধ্যে ঘর-দুয়ার ভেঙ্গে সে অন্যত্র উঠে যায়। জয়গুনের প্রপিতামহ খুব সস্তায়, উচিত-মূল্যের অর্ধেক দিয়ে তার কাছ থেকে বাড়ীটা কিনে নেয়। উত্তরাধিকারের সেই সূত্র ধরে জয়গুন ও শফি এখন এ বাড়ীর মালিক। | ঐ ঘটনার পর অনেক বছর পেরিয়ে গেছে। এতদিনের মধ্যে আর কোনাে লােক ভুলেও এ বাড়ীতে আসেনি। আকালের সময় জয়গুন ও শফির মা এ বাড়ীটাই বিক্রী করতে চেয়েছিল। কিন্তু সূর্য-দীঘল বাড়ী কেউ কিনতে এগােয়নি। তখন এ বাড়ীটা বিক্রী করতে পারলেও জয়গুনের স্বামীর ভিটেটুকু রক্ষা করা যেত; ছেলে-মেয়ের বাপ-দাদার কবরে আজ আবার বাতি জ্বলত।
বহুদিনের পরিত্যক্ত বাড়ী। সর্বত্র হাঁটুসমান ঘাস, কচুগাছ, মটকা ও ভট-শেওড়া জন্মে অরণ্য হয়ে আছে। বাড়ীর চারপাশে গােটা কয়েক আমগাছ জড়াজড়ি করে আছে। বাড়ীর পশ্চিম পাশে দুটো বড়া বাঁশের ঝাড়। তা ছাড়া আছে তেঁতুল, শিমুল ও গাবগাছ। গ্রামের লােকের বিশ্বাস—এই গাছগুলােই ভূত-পেত্নীর আড্ডা।
অনেকদিন আগের কথা। সন্ধ্যার পর গদু প্রধান সােনাকান্দার হাট থেকে ফিরছিল। তার হাতে একজোড়া ইলিশ মাছ। সূর্য-দীঘল বাড়ীর পাশের হালট দিয়ে যেতে যেতে সে শুনতে পায়—অই পরধাইন্যা, মাছ দিয়া যা! না দিলে ভালা অইব না। প্রথমে গদু প্রধান ভ্রুক্ষেপ করেনি। পরে যখন পায়ের কাছে ঢিল পড়তে শুরু করে, তখন তার হাত থেকে মাছ দুটো খসে পড়ে যায়। সে ‘আউজুবিল্লাহ্' পড়তে পড়তে কোনাে রকমে বাড়ী এসেই অজ্ঞান।
রহমত কাজী রাত দুপুরের পর তাহাজ্জুদের নামাজ পড়বার জন্যে ওজু করতে বেরিয়ে ফুটফুটে জোছনায় একদিন দেখেছে—সূর্য-দীঘল বাড়ীর গাবগাছের টিকিতে চুল ছেড়ে দিয়ে একটি বউ দু’পা ছড়িয়ে দাঁড়িয়ে আছে। এক দৃষ্টিতে সে চেয়ে দেখছিল। চোখের পলক ফেলে দেখে আর সেখানে বউ নেই। একটা ঝড়াে বাতাস উত্তর-পশ্চিম কোণাকুণি করম আলী হাজীর বাড়ীর ওপর দিয়ে চলে গেল। পরের দিনই করম আলী হাজীর.......

Author Information

আবু ইসহাক শরীয়তপুর জেলার নড়িয়া থানাধীন শিবঙ্গল গ্রামে ১৩৩৩ সালের ১৫ই কার্তিক (১লা নভেম্বর, ১৯২৬) জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ১৯৪২ সালে স্কলারশিপ নিয়ে ম্যাট্রিক এবং ১৯৪৪ সালে আই. এ পাশ করেন । এর ষোল বছর পর ১৯৬০ সালে করাচি (বর্তমান পাকিস্তান) থেকে বি.এ. পাশ করেন। দেশে বিভিন্ন দায়িত্বশীল পদে এবং বিদেশে কূটনৈতিক পদে তিনি কর্মরত ছিলেন। দেশের বাইরে আকিয়াব ও কলকাতায় বাংলাদেশ দূতাবাসে ভাইস-কনসাল ও ফার্স্ট সেক্রেটারি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
সাহিত্যে বিশেষ কৃতিত্বের স্বীকৃতিস্বরূপ বাংলা একাডেমি ১৯৬২-৬৩ সালে তাঁকে সাহিত্য-পুরস্কারে সম্মানিত করে। অন্যান্য পুরস্কারের মধ্যে ১৯৮১ সালে তিনি সুন্দরবন সাহিত্য পদক ও ১৯৯৭ সালে একুশে পদক লাভ করেন। তিনি ২০০৪ সালে মরণত্তোর রাষ্ট্রৃ প্রদত্ত স্বাধীনতা পদকে ভূষিত হন। আবু ইসহাক বাংলা সাহিত্যের এক উজ্জ্বল প্রতিভা। তাঁর রচিত উপন্যস ‘সূর্য-দীঘল বাড়ি’ একটি স্মরণীয় সাহিত্যকীর্তি।

সূর্য দীঘল বাড়ী

সূর্য দীঘল বাড়ী

বাংলা একাডেমী পুরষ্কার ১৯৬২-৬৩

by আবু ইসহাক

(37)

TK. 175

TK. 159

Save TK. 16 (9%)



In Stock (only 50+ copies left)

tag_icon

অর্ডার করলেই নিশ্চিত MAGGI স্বাদ-এ ম্যাজিক ফ্রি

tag_icon

৫০০৳+ অর্ডার করলেই নিশ্চিত NESCAFE Creamy Latte ফ্রি

tag_icon

বিকাশ পেমেন্টে নিশ্চিত ১০% ক্যাশব্যাক

tag_icon

৮০০+ টাকার অর্ডারে বিকাশ পেমেন্ট করলে নিশ্চিত ফ্রি শিপিং


icon

Delivery Charge Tk. 50(Online order)

icon

Purchase & Earn

Sponsored Products Related To This Item

Readers also bought

Details

Reviews and Ratings

4.76

37 Ratings and 29 Reviews

Recently Sold Products